অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১:০২, সোমবার, ২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনে মিশরকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, জুলাই ৮, ২০২৬ ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ

 

ক্রীড়া ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত
মিশরের বিপক্ষে ম্যাচের ৬৭ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে ছিল আর্জেন্টিনা। তবে সেখান থেকেই অবিশ্বাস্য লড়াইয়ে ঘুরে দাঁড়িয়ে জয় তুলে নিয়েছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরকে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে শুরু হয় ম্যাচের ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে এগিয়ে যায় মিশর। এরপর পেনাল্টি থেকে সমতায় ফেরার সুযোগ পেলেও লিওনেল মেসি তা মিস করেন। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে।

সমতায় ফিরতে প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণ বাড়াতে থাকে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের ৪৮ মিনিটে লিওনেল মেসি কিছুটা জায়গা তৈরি করে রদ্রিগো ডি পলের জন্য বল সাজিয়ে দেন। ২০ গজ দূর থেকে ডি পলের নেওয়া নিচু শট অবশ্য সহজেই ঠেকিয়ে দেন মিশরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবেইর।


ম্যাচের ৫৮ মিনিটে দ্রুতগতির এক কাউন্টার অ্যাটাকে মোহাম্মদ সালাহর বাড়ানো পাস ধরে এগিয়ে যান মোস্তাফা জিকো। এরপর ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন তিনি। কিন্তু আক্রমণ শুরুর আগে মারওয়ান আতিয়া লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ফাউল করেছিলেন। ভিএআর পর্যালোচনার পর মনিটর দেখে সেই গোলটি বাতিল করেন রেফারি।

তবে এবার আর হলো না। গোল আদায় করে ছাড়লেন জিকো। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে আবারও আর্জেন্টিনার জালে বল পাঠিয়ে মিশরের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন তিনি। আবারও দুর্দান্ত এক পাল্টা আক্রমণ তৈরি করেন মোহাম্মদ সালাহ। দ্রুতগতির আক্রমণে বল নিয়ে এগিয়ে ডান প্রান্তে হাইসেম হাসানের কাছে পাস দেন তিনি। এরপর হাসান পেনাল্টি বক্সের ভেতরে ক্রস করলে ছুটে আসা জিকো নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান। আর তাতেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মিশর।

তবে ৭৯ মিনিটে ব্যবধান কমান ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো। ডান প্রান্ত থেকে মেসি নিখুঁতভাবে বল ভাসিয়ে দেন মিশরের পেনাল্টি বক্সে। সেখানে একদম ফাঁকায় থাকা টটেনহ্যামের এই ডিফেন্ডার শক্তিশালী হেডে বল জালে পাঠান। তাতে স্কোরলাইন হয় ২-১।

এরপর ৮৩ মিনিটে দুর্দান্ত গোলে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান মেসি। বক্সের ভেতর বল পেয়ে তার বাঁ পায়ের জোরালো শটটি ক্রসবারে লেগে জালে জড়ায়। তাতে দুই গোলে পিছিয়ে পড়েও অবিশ্বাস্য লড়াইয়ে ম্যাচে সমতা ফিরি আর্জেন্টিনা।

আর ইনজুরি সময়ে মিশরের জালে বল জড়িয়ে আর্জেন্টিনাকে লিড এনে দেন এনজো ফার্নান্দেজ। ডি-বক্সের কাছে মোহাম্মদ সালাহর কাছ থেকে বল কেড়ে নেন হুলিয়ান আলভারেজ। এরপর দারুণ দক্ষতায় ডান প্রান্তে থাকা লিসান্দ্রো মার্তিনেজের উদ্দেশে নিখুঁত পাস বাড়ান তিনি। তিনি জায়গা তৈরি করে পেনাল্টি বক্সে নিখুঁত ক্রস পাঠান। সেই ক্রস থেকে এনজো ফার্নান্দেজ দুর্দান্ত হেডে বলকে দূরের কোণায় পাঠিয়ে দেন। মিশরের গোলরক্ষক মোস্তাফা শোবেইরের কোনো সুযোগ ছিল না বল ঠেকানোর।

তাতে স্বপ্নভঙ্গ হয় মিশরের। দুই গোলে পিছিয়ে থেকেও দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তনে শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলে জয় নিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। অন্যদিকে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েছে মিশর।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ