কেয়ার ভিসায় যুক্তরাজ্যে আসা ,এর পর মানসিক চাপ ! অতঃপর হার্ট অ্যাটাকে মৃত্য
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, জুন ৭, ২০২৪ ৬:৪১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, জুন ৭, ২০২৪ ৬:৪১ অপরাহ্ণ

আরিফ মাহফুজ , লন্ডন থেকে
২০২৩সালে কয়েক হাজার বাংলাদেশি সোনার হরিণ ধরতে যুক্তরাজ্যে এসেছেন। এর মধ্যে ৯৫% কেয়ার কর্মীরা পরিবার সহ পড়েছেন নানা বিড়ম্বনায়। বিশ থেকে পঁয়ত্রিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যায় করেছেন ভিসা সংগ্রহে এদের অনেকেই যুক্তরাজ্যে এসে হিসাব মিলাতে পারেননি। অনেকেরই স্পন্সর কোম্পানী বন্ধ হয়ে গেছে তাই হোম অফিস ভিসা ক্যান্সেল করে দিয়েছে আবার অনেকেরই চুক্তি মত কাজ মিলেনি কোম্পানিতে। আগতদের বেশিরভাগই এসেছেন মধ্যসত্বভোগী দালালদের মাধ্যমে , দালালদেরও ধরতে পারছেননা আগতরা এনিয়ে কমিউনিটিতে প্রায়ই চলছে দেনদরবার। বিপাকে পড়া ইমিগ্রান্টরা বাসস্থান , খাদ্য সহ নানাবিধ সমস্যায় পড়ে দিনপর করছেনঅনেকেই জায়গা পাচ্ছেননা আত্মীয় স্বজনদের কাছেও। বড় অঙ্কের অর্থ খরচ করে এসে জীবনের মোড় ঘুরাতে না পেরে অনেকেই ডুবেছেন মানসিক সমস্যায় , ধুঁকে ধুঁকে জীবন শেষ করছেন মানবতার দেশে। এরই বলি হলেন সিলেট জেলার বড়লেখা এলাকার সেলিম আহমেদ। কয়েকমাস আগে দুবাই থেকে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান উন্নত জীবনের আশায়, নিয়ে আসেন নিজ পরিবারকেও । অর্থ -কাজ -ভিসা হারিয়ে ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন অনেকদিন যাবৎ , নিজেকে বাঁচাতে বেঁচে নিয়েছিলেন ফুড ডেলিভারি জব। কিন্তু তাতেও শেষ রক্ষা হলোনা , সার্বিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় মানসিক চাপের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। অবশেষে গত ২৩ মে বার্মিংহাম শহরে .
সেলিম আহমেদের এক সহপার্টি জানান , জালিম আহমেদের মৃত্য একমাত্র কারণ দুশ্চিন্তা যার পেছনে রয়েছে কেয়ার ভিয়ায় লন্ডনে আসার পেছনে বড় অঙ্কের অর্থ খরচ আর এখানে এসে কোম্পানি ও ভিসা চলে যাওয়া। সেলিম সর্বদা দুঃশ্চিন্তা আর অবসাদের মধ্যে থাকতেন।
মৃত্যর পর তাকে বার্মিংহামের একটি কবরস্থানে দাফন করা হয়।
জনতার আওয়াজ/আ আ