কোটা আন্দোলন ঘিরে এ পর্যন্ত যা যা ঘটেছে - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:০৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

কোটা আন্দোলন ঘিরে এ পর্যন্ত যা যা ঘটেছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জুলাই ২৩, ২০২৪ ১১:২৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জুলাই ২৩, ২০২৪ ১১:২৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
কোটা আন্দোলন ঘিরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে শুক্রবার মধ্যরাতে বাংলাদেশে যে কারফিউ জারি করা হয়েছে, তা বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে দুপুর ১০টা থেকে পাঁচটা পর্যন্ত শিথিল থাকবে। এই সময়ে সেনা মোতায়েন থাকবে।
বুধবার ও বৃহস্পতিবার সকল অফিস, আদালত, ব্যাংক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম খোলা থাকবে। তবে কারফিউর কারণে নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।
কোটা পুনর্বহাল করে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে রোববার আপিল বিভাগ যে আদেশ দিয়েছে, তার আলোকে মঙ্গলবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশের সরকার।
প্রজ্ঞাপনকে চূড়ান্ত সমাধান হিসাবে না মেনে সারা দেশে কারফিউ প্রত্যাহার, ইন্টারনেট সংযোগ চালু, বন্ধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া ও সারা দেশের সমন্বয়ক ও আন্দোলনকারীদের নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
কোটা আন্দোলন ঘিরে সহিংসতায় এ পর্যন্ত বাংলাদেশ অন্তত দেড়শ মানুষ নিহত হয়েছে, আহত হয়েছে কয়েক হাজার মানুষ।
টানা পাঁচদিন, বৃহস্পতিবার রাত থেকে বাংলাদেশে ইন্টারনেট পুরোপুরি বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার রাতে আবার সীমিত আকারে চালু হয়েছে।
সংঘাত ও সহিংসতার কারণে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ সারা দেশে গ্রেফতার অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত দুইদিনের অভিযানে সহস্রাধিক মানুষ গ্রেফতার হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে, যাদের মধ্যে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী রয়েছে।
সোমবার ঢাকার নাখালপাড়া থেকে মহাখালির দিকে রেললাইনের ওপর জড়ো হয়েছে একদল মানুষ। অন্যদিকে অবস্থান নিয়ে রয়েছে সেনা ও

পুলিশের সদস্যরা
ছবির ক্যাপশান,সোমবার ঢাকার নাখালপাড়া থেকে মহাখালির দিকে রেললাইনের ওপর জড়ো হয়েছে একদল মানুষ। অন্যদিকে অবস্থান নিয়ে রয়েছে সেনা ও পুলিশের সদস্যরা
কোটা সংস্কারের দাবিতে গত মঙ্গলবার থেকে সারাদেশে তীব্র আন্দোলন শুরু হয়, যা এক পর্যায়ে সংঘাতে রূপ নেয়। গুরুত্বপূর্ণ ভবনে আগুন দেয়া হয়, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ অনেক এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে রূপ নেয়। নরসিংদী কারাগারে হামলা চালিয়ে আটশো বেশি বন্দী পালিয়ে যায়।
সব ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ও সকল সরকারি-বেসরকারি অফিস বন্ধ হয়ে যায়। সব ধরনের যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার সংঘর্ষে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হলে শুক্রবার রাত থেকে কারফিউ জারি ও সেনা মোতায়েন করা হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত থেকে সারা দেশে ইন্টারনেট সংযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
কারফিউর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দিয়ে সরকার জনগণকে চরম বিপদ ও দুর্ভোগের মধ্যে নিক্ষেপ করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ দাবি করেছে, কোটা আন্দোলনের ওপর ভর করে বিএনপি-জামায়াত সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করেছে।


সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করায় ৫৭ জন বাংলাদেশিকে দীর্ঘ মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে সেখানকার একটি আদালত। বাংলাদেশে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াসহ কয়েকটি দেশে বিক্ষোভ হয়েছে।সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ