জাজিরায় পদ্মার ভাঙনে ২৫ দোকান ও ৮ বসতবাড়ি নদীগর্ভে
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
মঙ্গলবার, জুলাই ৮, ২০২৫ ৩:০২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
মঙ্গলবার, জুলাই ৮, ২০২৫ ৩:০২ অপরাহ্ণ

শরীয়তপুর প্রতিনিধিঃ
শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পদ্মা সেতু কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডসংলগ্ন মঙ্গলমাঝির ঘাট এলাকায় ডান তীর রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ধস নেমেছে। গতকাল সোমবার বিকেল ৪টার দিকে প্রবল বর্ষণ ও নদীর তীব্র স্রোতের ফলে প্রায় ২০০ মিটার জুড়ে বাঁধ ধসে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় অন্তত ২৫টি দোকান ও ৮টি বসতবাড়ি।
স্থানীয়রা জানান, ধস এতটাই দ্রুত ঘটে যে, অনেকে ঘরের মালামাল সরিয়ে নিতে পারেননি। নদীপাড়ের মানুষজন এখন ঘরবাড়ি ফেলে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। এলাকাজুড়ে আতঙ্ক আর কান্নার রোল।
ভাঙনের খবর পেয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মঙ্জিগলবার সকাল থেকে জিওব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে।তারা নদীপথে সার্ভে করছে।
এছাড়াও প্রশাসনের পক্ষ থেকেজলা প্রশাসক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা,পরিদর্শন করেছেন ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ঢেউটিন, শুকনো খাবার ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার মানুষের জোর দাবি,
এই এলাকায় দ্রুত একটি স্থায়ী বীরীবাঁধ নির্মাণ করা হোক, না হলে প্রতি বছর এইভাবে সর্বস্ব হারাতে হবে।
ভক্সপপ: স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত রোকেয়া বেগম বরেন,হঠাৎ করে নদী ভাংগনের কারনে কোন মালামাল ও ঘর দরজা সরাতে পারিন।আমাদের সব নদী নিয়ে গেছে।আমরা এখন কোথায় থাকবো কি খাব জানিনা।আমাদেরকে সহায়তা করুন।
পানি ুন্নযন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তরিক হাসান বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে মঙ্গলবার সকাল থেকে জিওব্যাগ ডাম্পিং কাজ শুরু করা হয়েছে।এখানে স্থায়ী বেড়িবাধের জন্য প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আগামী বর্ষার আগেই কাজ করতে পারবো। তবে মুল নদী ড্রেজিং না করলে ভাংগন রোধ করা কষ্টকর হবে।
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক শরীয়তপুর মোঃ ওযাহিদ হোসেন বলেন,এরাকা পরিদর্শন করেছি।ক্ষতি গ্রস্থদের তালিকা করে সহায়তা প্রদান করা হবে।তাৎক্ষনিক শুকনো খাবার,কিছু ঢেউটিন, নগদ টাকা দেয়া হয়েছে ৩০ টি পরিবারকে।
জনতার আওয়াজ/আ আ