ঝিনাইদহ-২ আসন: মজিদকে মনোনয়ন না দিলে ভোট না দেওয়ার হুঁশিয়ারি সনাতনীদের - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৮:২৫, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঝিনাইদহ-২ আসন: মজিদকে মনোনয়ন না দিলে ভোট না দেওয়ার হুঁশিয়ারি সনাতনীদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২৫ ২:১৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২৫ ২:১৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুণ্ডু) আসনে আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচনে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদকে মনোনয়ন না দিলে ৫৭ হাজার সনাতনী ভোটার ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে ঝিনাইদহ-২ নির্বাচনি এলাকার ১১০টি মন্দিরের কমিটিসহ চারটি সনাতনী সংগঠন যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা আহ্বায়ক চন্দন বসু মুক্ত।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গতবছরের ৫ আগস্টের পর থেকে ঝিনাইদহ জেলার সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ। সনাতনী সম্প্রদায় ঝিনাইদহ-২ (সদর-হরিণাকুন্ড) নির্বাচনি এলাকায় নির্ভয়ে ও নিরাপদে বসবাস করছেন। বিগত দুই বছর আমাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা, অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে এবং কোনো আতঙ্ক ছাড়াই উদযাপিত হয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থেকে সনাতনীদের ধর্মীয়, সামাজিক, পারিবারিক ও ব্যবসায়িকসহ সব কার্যক্রম নিরাপত্তার সঙ্গে দেখভাল ও সার্বক্ষণিক পাশে থেকে ভ্যানগার্ডের দায়িত্ব পালন করেছেন যে মানুষটি, তিনি হলেন ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ।

তার আন্তরিক সহযোগিতা ও সহায়তা সনাতনী সমাজের লোকদের মাঝে একটা আস্থা ও বিশ্বাসের জায়গা তৈরি হয়েছে। তাই আগামী ত্রয়োদশ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-২ আসনে তাকে মনোনয়ন না দিলে ঝিনাইদহ ও হরিণাকুণ্ডু এলাকার ৫৭ হাজার সনাতনী ভোটার ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে ঝিনাইদহের সনাতনীরা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে উদ্দেশ্য করে বলেন, এম এ মজিদ নির্যাতিত নেতা-কর্মীদের আলোকবর্তিকা। তিনি নিজেও ফ্যাসিস্ট দ্বারা নির্যাতিত। তার বাসাবাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অগণিত মামলা ছিল। এতকিছুর পরেও তিনি নিজ দলের নেতাকর্মী ও সনাতনীদের আগলে রেখেছেন পরম মমতা দিয়ে। তার এই অবদান সনাতনীরা অস্বীকার করে না। তিনি জেলা, উপজেলা, শহর, গ্রাম ও ইউনিয়নের নেতা-কর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি সাধ্যমতো তাদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে গেছেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ