পোষা পশু কোরবানি দিলে মায়া লাগতো, কিনে আনলে পছন্দ হতো না - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৯:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

পোষা পশু কোরবানি দিলে মায়া লাগতো, কিনে আনলে পছন্দ হতো না

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জুলাই ৯, ২০২২ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জুলাই ৯, ২০২২ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

সব মানুষের জীবনেই শৈশবের নানা স্মৃতি থাকে। এর মধ্যে ঈদের স্মৃতি অন্যতম। যদিও পরিবেশ, অবস্থা ও পরিবারভেদে এই স্মৃতিতেও আছে তারতম্য। এবারের পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির কয়েকজন নেতার ছোটবেলার ঈদের স্মৃতি জানার চেষ্টা করেছে জাগো নিউজ।

কোরবানির ঈদ উপলক্ষে হাটে পশু কেনার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, ষাটের দশকের শুরুর দিকের কথা। আমি চুয়াডাঙ্গাতে থাকি তখন। ঈদের সময়ে পোষা গরু-ছাগল কোরবানি করলে মায়া লাগতো। আর বড়রা হাট থেকে কিনে আনলে তা পছন্দ হতো না।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোনায়েম মুন্না বলেন, আমার নানা ছিলেন ঢাকাইয়া ধনাঢ্য ব্যক্তি। মালিবাগ এলাকায় থাকতেন তিনি। নানার একমাত্র সন্তান আমার মা। ছোটবেলার ঈদের নানা স্মৃতি রয়েছে। তবে সবেচেয়ে বেশি মনে পড়ে নানার সঙ্গে হাটে গিয়ে গরু কেনার স্মৃতি।

বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য বজলুল করিম চৌধুরী আবেদ বলেন, আশির দশকের শেষের দিকে কথা। আমার বয়স তখন ১৬-১৭। সে সময় গ্রামের গরুর হাটগুলো একদম নোংরা আর অপরিচ্ছন্ন থাকতো। যে কারণে আমি সাধারণত এগুলো এড়িয়ে চলতাম। কিন্তু আব্বা জোর করে গরুর হাটে নিয়ে যেতেন, হাটের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতাম। বাইরে থেকে আমি পছন্দ করে দিতাম, আব্বা দরদাম করে গরু কিনে আনতেন। তারপর মিষ্টি খেতাম।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব আমিনুল হক বলেন, ছোটবেলায় বাবা-মা পশুর হাটে যেতে দিতে চাইতেন না। গরু গুঁতো দেবে, আহত হতে পারি- এসব শঙ্কা থাকতো তাদের মনে। তারপর জিদ ধরে কান্নাকাটি করে হাটে যেতাম। বড় ভাইদের সঙ্গে গিয়ে গরু দেখতাম। এটা আমার কাছে রোমাঞ্চকর এক অনুভূতি।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, ছোটবেলায় আমরা হাট দেখিনি, আমাদের পোষা পশু কোরবানি করা হতো। আমার তখন ৫-৬ বছর বয়স। পারিবারিক মাদরাসায় যাই। সেবার কোরবানিতে দাদা গোয়ালের একটা গরু কোরবানি দিয়েছিলেন, ওই গরুটা আমার খুব পছন্দের ছিল। সারাদিন কান্না করেছিলাম এবং ওইদিন কিছু খাইনি। আসলে তখন কোরবানি কী সেটা বুঝতাম না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ