বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভার ৭০ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:০৪, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভার ৭০ শতাংশ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, মে ২২, ২০২৬ ৩:৪৩ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, মে ২২, ২০২৬ ৩:৪৮ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর অনুষ্ঠিত সাতটি মন্ত্রিসভা বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের ৭০ দশমিক ৭৩ শতাংশ ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার অষ্টম বৈঠকে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৈঠকে জাপানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত চুক্তি অনুসমর্থনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। ‘ট্রান্সফার অব ডিফেন্স ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড টেকনোলজি’ শীর্ষক এ চুক্তির প্রস্তাব উত্থাপন করে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

এর মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সহযোগিতার ক্ষেত্র আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া বাংলাদেশ ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’ (আইবিসিএ)-এ যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট অন দ্য এস্টাবলিশমেন্ট অব দ্য ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স’ স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করে।

আইবিসিএ ২০২৩ সালের এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত একটি বৈশ্বিক জোট, যার লক্ষ্য বাঘ, সিংহ, চিতা, তুষারচিতাসহ বিশ্বের সাতটি প্রধান বৃহৎ বিড়াল প্রজাতির সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। বর্তমানে জাতিসংঘভুক্ত ২৪টি দেশ এ জোটের সদস্য। রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসভূমি হিসেবে বাংলাদেশের সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও প্রতিবেশ সংরক্ষণের স্বার্থে এ জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

মন্ত্রিসভা বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করতে ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেইফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন’ (জিসিএম) বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (জিসিএম-ন্যাপ) অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রস্তাব উত্থাপন করে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৮ সালে জাতিসংঘে গৃহীত জিসিএমের পক্ষভুক্ত রাষ্ট্রের সংখ্যা ১৬৪। আন্তর্জাতিক অভিবাসন বিষয়ে বৈশ্বিক সহযোগিতার বিভিন্ন উদ্যোগে বাংলাদেশের সক্রিয় ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক অভিবাসী সংস্থা বাংলাদেশকে ‘জিসিএম চ্যাম্পিয়ন কান্ট্রি’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

বিভিন্ন অংশীজনের মতামত ও আইওএমের কারিগরি সহযোগিতায় প্রণীত ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের জাতীয় কর্মপরিকল্পনাটি জিসিএমের লক্ষ্য ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছে সরকার।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ