বাহিনী হিসেবে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের ইজ্জত ও সম্মান কোথায়, প্রশ্ন ফখরুলের - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৯:৪৬, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বাহিনী হিসেবে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের ইজ্জত ও সম্মান কোথায়, প্রশ্ন ফখরুলের

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জুন ৩, ২০২৪ ১:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জুন ৩, ২০২৪ ১:৩৭ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

বাহিনী হিসেবে সেনাবাহিনী এবং পুলিশের ইজ্জত ও সম্মান কোথায়, এমন প্রশ্ন রেখেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘এখন সেনাবাহিনীর অবস্থা কি? বাহিনী হিসেবে তার ইজ্জত ও সম্মান কোথায় থাকে? যখন তার সাবেক সেনাপ্রধানকে স্যাংশন দেয়া হয় সেই পুলিশ বাহিনীর মান ইজ্জত কোথায় থাকে? যখন তার সাবেক প্রধান আইজিপিকে পালিয়ে যেতে হয় দেশ থেকে। অর্থাৎ এই সরকার দেশটাকে ধ্বংস করে ফেলেছে।

সোমবার (৩ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাব জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কয়েকদিন যাবত আপনারা পত্রপত্রিকা খুললেই দেখতে পারবেন শুধু বেনজীর। বেনজীরের নজির বিহীন দুর্ণীতি। একই সঙ্গে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ তাকেও স্যাংশান দেয়া হয়েছে। একজন এমপিকে পার্শ্ববর্তী দেশে টুকরো টুকরো করা হয়েছে
এই হল সরকারের চেহারা।

আমরা একটা কঠিন সময় পার করছি এই অবস্থা তৈরি করেছে বর্তমান সরকার বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সরকারের উদ্দেশ্যে বিএনপি এই মহাসচিব বলেন, ‘আমরা বারবার বলি সাহস থাকলে আসেন না, একটা নির্বাচন করেন সেখানে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনার থাকবে। তার অধীনে নির্বাচন হবে। কার কত জনপ্রিয়তা বোঝা যাবে।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের এখন সময় এসেছে আমাদের নিজেদেরকে সংগঠিত করার। আমরা চেষ্টা করছি, জেল খাটছি, আমরা বারবার জেলে যাচ্ছি কিন্তু আমরা এখনো চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করতে পারিনি। এই চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের জন্য আমাদের সংগঠনকে আরো দৃঢ় করতে হবে, নিজেদের মধ্যে ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি থাকলে দূর করে ফেলতে হবে। সবাই মিলে একসাথে এক জোটে নামতে হবে। কারণ এটা বিএনপির সমস্যা না এটা বাংলাদেশের সমস্যা, এটা জাতির সমস্যা। এই জাতি ভবিষ্যতে টিকবে কি? টিকবে না, আপনার ছেলেরা ভবিষ্যতে চাকরি পাবে কি? পাবে না, তারা স্বাধীনভাবে চলতে পারবে কি? পারবে না, তার পুরোটাই নির্ভর করছে এই সরকারকে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে পরাজিত করতে না পারা পর্যন্ত।

তিনি বলেন, ‘এই সরকারের শাসনকালে দলীয় সরকারের অধীনে তিনটা নির্বাচনই প্রহসনের হয়েছে। এরা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে। গত ১৫ বছরে একটা দানব সরকার সবকিছু ধ্বংস করেছে।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি আরও বলেন, ‘জিয়া ক্ষণজন্মা পুরুষ ছিলেন। জিয়ার আহ্বানেই দ্বিধাবিভক্ত জাতি যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। এটা সরকার মুছে ফেলতে চায়। আমরা শেখ মুজিবের অবদানকে কখনও অস্বীকার করি না। ৪৩ বছর পরেও জিয়াকে এদেশের মানুষ ভূলে নাই। যারা তার অবদানকে অস্বীকার করে তারা তো দেশের স্বাধীনতাকেও অস্বীকার করে। কারণ তিনি তো স্বাধীনতার ঘোষক।

সংগঠনের সভাপতি আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক সাহিদা রফিক, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ