ব্র্রাহ্মণবাড়িয়া ৫-মনোনয়ন প্রত্যাশীদের শেষমুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:১৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ব্র্রাহ্মণবাড়িয়া ৫-মনোনয়ন প্রত্যাশীদের শেষমুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৫ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, অক্টোবর ৩১, ২০২৫ ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

 

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) থেকে
ছবি : প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে দলীয় মনোনয়ন পেতে বিএনপি’র বেশ কয়েকজন নেতা দৌড়ঝাঁপ করেছেন। ভোটের মাঠে নিয়মিত নানা রাজনৈতিক কার্যক্রম চালানোর পাশাপাশি দলের গুলশান কার্যালয়েও নিয়মিত ধরনা দিচ্ছেন। তবে, কেউ-ই এখন পর্যন্ত দলীয় মনোনয়নের ব্যাপারে নিশ্চিত নন। কেন্দ্রীয় বিএনপি’র হাতেই তাদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। এদিকে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় কোণঠাসা জামায়াত জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর অনেকটাই চাঙ্গা। অন্যান্য দলেও একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে কাজ করে চলেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সবচেয়ে বড় আসন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর)। এটি ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। আসনের মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৩৯৩ জন। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন পুরোপুরি নির্বাচনী আমেজ চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রার্থী তালিকায় বেশ কয়েকজনের নাম থাকলেও এ আসনে সাধারণ মানুষের মাঝে বিএনপি’র দু’জনকে নিয়েই কৌতূহল। তাদের নিয়েই আলোচনা সমালোচনা চলছে। এদের একজন উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও জেলা বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক এডভোকেট এমএ মান্নান। অন্যজন, নবীনগরের চারবারের সাবেক এমপি মরহুম কাজী মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেনের একমাত্র পুত্র ও ২০১৮ সালের বিএনপি থেকে মনোনীত এমপি প্রার্থী কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। এই দু’জন বর্তমানে এমপি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। এদের যেকোনো একজনই বিএনপি’র টিকিট পাচ্ছেন- এমনটাই মনে করছেন সাধারণ মানুষ। তবে তারা একে অপরের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর বিষয়টিও অনেকটা ওপেন সিক্রেট। এদিকে, গত ২৪শে অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টার দিকে পৌর এলাকার পদ্মপাড়ায় সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলিতে বিএনপি নেতা মফিজুর রহমান মুকুল গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনাটি স্থানীয় বিএনপি’র অভ্যন্তরীণ কোন্দলের চরম বহিঃপ্রকাশ বলে এলাকাবাসী মনে করছে। এ ঘটনার হামলাকারীদের পুলিশ গ্রেপ্তার বা ঘটনার কোনো ক্লু এখনো বের করতে না পারায় বিএনপি নেতাকর্মীদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এতে দলীয় কোন্দল আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এদিকে, বিএনপি’র নমিনেশনের আলোচনায় আলমনগরের অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল কামরুজ্জামানের নামও এলাকায় ভেসে বেড়াচ্ছে। তবে এর বাইরে আরও প্রায় ১৫ নেতা দলীয় মনোনয়ন পেতে কাজ করে যাচ্ছেন। তারা বিএনপি’র ৩১ দফা প্রচার এবং গণসংযোগ নিয়ে মাঠে তাদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন। তাদের মধ্যে মনোনয়নের আশায় মাঠে কাজ করছেন অন্যতম কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জাসাস-এর সাবেক সভাপতি সালাহউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. সায়েদুল হক সাঈদ, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক কেএম মামুন অর রশিদ, রাজীব আহসান ভূঁইয়া, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, বিএনপি নেতা উচ্চ আদালতের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্লাহ আল বাকী, স্থপতি আব্দুল আউয়াল, কেএম আলমগীর ইকবাল, এডভোকেট আব্দুল মতিন, উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি নেতা আলী আজ্জম জালাল, উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম, অধ্যাপিকা লাইলা ইসলামসহ আরও অনেকেই। এদিকে বিগত সময়ে মাঠের রাজনীতিতে কোণঠাসা থাকলেও আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে জামায়াতে ইসলামীতে চাঙ্গাভাব বিরাজ করছে। গণসংযোগ আর প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে দলটির নেতাকর্মীরা সরব রাজনীতির মাঠে। উজ্জীবিত জামায়াতের কর্মী-সমর্থকরাও। এ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আব্দুল বাতেন। আর তাকে সামনে রেখেই এখানে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার স্বপ্ন দেখছে জামায়াত। এই টার্গেটে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে গণসংযোগ ও প্রচারণায় সরব রয়েছেন জামায়াত প্রার্থী। অন্যদিকে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে মনোনীত প্রার্থী হয়েছেন মাওলানা আবদুল কাইয়ূম ফারুকী।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ