মৌলবাদীরা আ'লীগকে রুখতে নানা রকম মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:২১, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

মৌলবাদীরা আ’লীগকে রুখতে নানা রকম মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৩ ৯:১৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৩ ৯:১৯ অপরাহ্ণ

 

মৌলবাদীরা ’৫৪ নির্বাচনে বলেছিল ‘আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে বিবি তালাক হয়ে যাবে’ এ কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, বর্তমানেও মৌলবাদীরা আওয়ামী লীগকে রুখতে নানা রকম মিথ্যাচার ছড়াচ্ছে। এসব অসাম্প্রদায়িক-মৌলবাদীদের পুনর্বাসন করেছিল জিয়াউর রহমান। তারা আজকে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করছে।’

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অধ্যাপক কবীর চৌধুরীর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে স্মারক বক্তৃতা, আলোচনা সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’। অনুষ্ঠানের আলোচনাপর্বে অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বর্তমান পাঠ্যসূচি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনো ভুল থেকেই থাকে তাহলে এর গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে তারা তা তুলে ধরুক যেন আমরা তা সংশোধন করতে পারি। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি মৌলবাদীরা এই বিষয়টিকে ইস্যু করে মিথ্যাচার করছে এবং জাতিকে বিভ্রান্ত করছে। এমনকি তারা সম্পাদকমণ্ডলীদের হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এদের অবিলম্বে প্রতিহত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ব্যক্তিগত ক্ষেত্রে অবশ্যই ধর্ম মানুষকে ধৈর্য, সাহস ও শক্তি জোগাতে পারে কিন্তু ধর্মকে রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত করলে তা কল্যাণের চাইতে অকল্যাণই বেশি ডেকে আনে। ইতিহাস এই সাক্ষ্যই দেয়।

আলোচনা সভায় অধ্যাপক কবীর চৌধুরী স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন আরণ্যক নাট্যদলের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাট্যকার মামুনুর রশীদ। তার বক্তৃতার শিরোনাম ছিল ‘মুক্তিযুদ্ধের অভিঘাত : নাটক’।

সভাপতির বক্তব্যে শাহরিয়ার কবির বলেন, ‘নির্মূল কমিটি গঠনের পর থেকে জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের সহযোগী অপরাপর মৌলবাদী সংগঠনগুলো কবীর চৌধুরী, সুফিয়া কামাল, শামসুর রাহমান, আহমদ শরীফ ও শওকত ওসমানকে ‘মুরতাদ’ আখ্যা দিয়ে তাদের হত্যার জন্য অনুসারীদের প্ররোচিত করেছে। জামায়াতের ঘাতকদের তালিকায় কবীর চৌধুরীর নাম একাত্তরেও ছিল।

রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘নির্বিবাদী নয়, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেন তিনি ভালো মানুষ। এই কথাটি অধ্যাপক কবীর চৌধুরী মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতেন। তিনি আমৃত্যু অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিবাদ করে গেছেন। তার জীবন ও কর্ম থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।’

‘আজকে আমরা যখন অসাম্প্রদায়িক অপশক্তি তথা স্বাধীনতাবিরোধীদের আস্ফালন দেখছি তখন ভীষণভাবে কবীর চৌধুরীর অভাব বোধ করছি’ মন্তব্য করে শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী বলেন, আমাদের সবার জন্য একজন আদর্শ মানুষ ছিলেন তিনি।

কবীর চৌধুরীর আত্মজীবনী জাতীয় কারিকুলামের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়ে জানান শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ