লন্ডনে সম্পদ থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৬:৩৪, বুধবার, ১৭ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা বৈশাখ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৮ই শাওয়াল, ১৪৪৫ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

লন্ডনে সম্পদ থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, মার্চ ২, ২০২৪ ৭:৫৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, মার্চ ২, ২০২৪ ৭:৫৪ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
লন্ডনে ব্যবসা ও সম্পদ থাকার কথা স্বীকার করেছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। তবে তার দাবি, বিদেশের সম্পদ করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে কোনো টাকা নেননি। তিনি বলেন, টিআইবির বিষটি নিয়ে আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছি। সুশীল ও সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিসহ সরকারের উচ্চ মহলের লোক দিয়ে কমিটি করা হোক। আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলছি, ওই কমিটি যদি আমার এক টাকার দুর্নীতি পায়, তাহলে আমি সংসদ থেকে পদত্যাগ করব।

তি‌নি আরও ব‌লেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি ছাড়া দেশের বাহিরে টাকা নেওয়ার কোনো সিস্টেম নেই। কিন্তু, আমি বাংলাদেশ থেকে বাহিরে কোনো টাকা নিইনি। দেশ থেকে টাকা নেওয়াতো প্রশ্নেই আসে না! আমার ক্যারিয়ারটাই হলো ব্যবসায়ী ক্যারিয়ার। আমার ব্যবসায়ী ক্যারিয়ার ৩০ বছরেরও বেশি। আমার বাবার বিদেশের ব্যবসা প্রায় ৫০ বছরেরও বেশি।

শনিবার (২ মার্চ) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আকরাম খাঁ হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমি আমার ব্যবসাকে রাজনীতির সাথে যুক্ত করেনি এবং রাজনীতিকে ব্যবসার সাথে যুক্ত করেনি। পারিবারিক সুত্র থেকেই আমি ব্যবসায়ী। আমি একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীর সন্তান। আমাদের পারবিারিক ব্যবসা ছিল। দীর্ঘদিন ধরে আমি ব্যবসা করে আসছি। আমেরিকায় যখন আমার পড়াশোনা শেষ পর্যায়ে তখন থেকে আমি ব্যবসা শুরু করেছি। আমি ১৯৯১ সাল থেকে ব্যবসা শুরু করেছি এবং আমার বাবা ১৯৬৭ থেকে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমি হলফনামায় কোনো তথ্য গোপন করিনি। বাংলাদেশে নির্বাচনকালীন সময়ে যে হলফনামা করতে হয়, সেখানে টেক্স রিটার্নের সাথে মিল রেখে হলফনামা করতে হয়। আমি আমার হলফনামাটি অনেকবার এক্সপার্ট দিয়ে চেক করিয়েছি। বিদেশি সম্পত্তি উল্লেখ করতে হবে, হলফনামায় এরকম কোনো কলাম নেই। এজন্য আমি হলফনামায় কোনো সময় বিদেশি সম্পত্তির কোনো তথ্য দেয়নি। আমি আমার বিদেশের ব্যবসা-বানিজ্য এবং বাংলাদেশের ব্যবসা-বানিজ্য একত্র করি নাই। এর কারণ হলো, বাংলাদেশের টেক্স রিটার্ন আলাদা এবং যুক্তরাজ্যের টেক্স রিটার্ন আলাদা। আমার কোনো খারাপ উদ্দেশ্য নেই।

তিনি বলেন, টিআইবির বিষটি নিয়ে আমি খুবই আশ্চর্য হয়েছি। সুশীল ও সাংবাদিক সমাজের প্রতিনিধিসহ সরকারের উচ্চ মহলের লোক দিয়ে কমিটি করা হোক। আমি চ্যালেঞ্জ নিয়ে বলছি, ওই কমিটি যদি আমার এক টাকার দুর্নীতি পায়, তাহলে আমি সংসদ থেকে পদত্যাগ করব।

সাবেক এই ভূমিমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি সময় আমার জন্য সুযোগ হয়ে আসে। সে সময় লন্ডনে বাড়ির দাম পড়ে যায়। ব্যাংক ঋণের সুদ কমে যায়। সে সময় আমি ঝুঁকি নিয়ে লাভবান হয়েছি।

Print Friendly, PDF & Email
 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ