হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল:সিইসি সাহেবের কাছে খোলা চিঠি - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:২২, বৃহস্পতিবার, ২১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির কাউন্সিল:সিইসি সাহেবের কাছে খোলা চিঠি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, আগস্ট ২২, ২০২৫ ৯:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, আগস্ট ২২, ২০২৫ ৯:২৭ অপরাহ্ণ

 

সুশীল সমাজে অনুরোধ জানিয়েছেন।
ছোটবেলা থেকেই সিইসি সাহেবকে বড় ভাই হিসেবে সম্মান দিয়ে আসা হলেও তার সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জেলার সচেতন নাগরিক,
জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী ও শিক্ষাবিদরা।
অভিযোগে বলা হয়,সদর উপজেলার কাউন্সিলে মুড়িবহিতে ক্রমিক নম্বর দেওয়া হয় এবং একইভাবে ব্যালট পেপারেও ক্রমিক নম্বর ব্যবহার করা হয়। এতে ভোটারের গোপনীয়তা ভঙ্গ হয়। একজন সিনিয়র আইনজীবী হয়েও সিইসি এ ধরনের অনিয়ম করেছেন,যা নিয়ম-বহির্ভূত।
অভিযোগকারীরা জানান,সেদিন ঘটনাটি প্রকাশ হলে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হতো না,বরং রক্তক্ষয়ী সংঘাত সৃষ্টি হতো।
জাতীয়তাবাদী বিএনপির বিভিন্ন নেতাকর্মীরা প্রশ্ন তুলেছেন—একজন ব্যক্তিকে খুশি করার জন্য কেন এত নিয়ম ভাঙা হলো? দলের ভেতরে যারা ষড়যন্ত্র করছে, তাদের জন্য কেন সিইসি নিজেকে ব্যবহার করতে দিলেন? এভাবে চলতে থাকলে আসন্ন কেন্দ্রীয় কাউন্সিলেও এর বিরূপ প্রভাব পড়বে।


সুশীল সমাজ ও শিক্ষাবিদরা বলেন,জেলা কাউন্সিলের তফসিল ঘোষণা করার পরও হাতে সঠিক ভোটার তালিকা নেই। এতে মনে হচ্ছে, সিইসি ইচ্ছেমতো আইন তৈরি করছেন। যুগ্ম আহ্বায়কদের পদত্যাগ করিয়ে আবার কেন্দ্রীয় পদে নির্বাচন করানোর সিদ্ধান্তও অগ্রহণযোগ্য ও বিতর্কিত।
তাদের মতে,প্রভাবশালী মহলের চাপে নতি স্বীকার করে নিজের অবস্থান দুর্বল করলে মান-ইজ্জত নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও বাড়বে।
জেলার সচেতন নাগরিক,জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী ও শিক্ষাবিদরা একসঙ্গে অনুরোধ জানিয়েছেন—“ভাই, প্লিজ এসব থেকে সরে আসুন। কপালে থাকলে এমনি পিপি হওয়া সম্ভব। এজন্য নিজের মান-ইজ্জত নষ্ট করবেন না।
আগামী রাষ্ট্রনায়ক জনাব তারেক রহমান এবং কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি হবিগঞ্জের পরিস্থিতির প্রতি।
যদি এই ধরনের অনিয়ম একের পর এক অব্যাহত থাকে,তবে সাধারণ মানুষের বিএনপি’র প্রতি আস্থা ও ভালোবাসা হ্রাস পাবে। শুধু ভোটের ক্ষেত্রেই নয়,সাধারণ মানুষও দলের প্রতি বিশ্বাস হারাবে।
জাতীয়তাবাদের আদর্শ এবং দেশের উন্নয়নমূলক নীতি অনুযায়ী নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক হতে হবে।


জিয়াউর রহমান: আপসীহীন নীতি ও শক্তিশালী আদর্শের প্রতীক।
খালেদা জিয়া: আপসীহীন নেত্রী,যিনি দলের জন্য দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে জানেন।
তারেক রহমান: আগামী দিনের জন্য জনগণের প্রত্যাশিত রাষ্ট্রনায়ক,যিনি ন্যায় ও গণতন্ত্রকে অগ্রাধিকার দেবেন।
সিন্ডিকেট,অনিয়ম ও স্বৈরাচারীদের পুনর্বাসন প্রতিরোধ করতে হবে। নাহলে সাধারণ মানুষ,বিএনপি’তে আসতে চাওয়া নতুন জনতা এবং দলের আস্থা হারানো জনগণ মুখ ফিরিয়ে নেবে।
দলের শক্তি ধরে রাখতে হবে—সংযমী, ন্যায়নিষ্ঠ ও আদর্শবান নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এনামুল হকের ফেইসবুক থেকে

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ