জুলাই সনদ সাংবিধানিক স্বীকৃতি না পেলে গণঅভ্যুত্থান প্রশ্নবিদ্ধ হবে - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৩:২৩, বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জুলাই সনদ সাংবিধানিক স্বীকৃতি না পেলে গণঅভ্যুত্থান প্রশ্নবিদ্ধ হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ২৫, ২০২৫ ৩:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ২৫, ২০২৫ ৩:০৯ অপরাহ্ণ

 

মোবায়েদুর রহমান
নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন হবে কি না সেটি নিয়ে অনেকে সন্দেহ পোষণ করছেন। আমি কিন্তু করি না। শুধু এটুকু বলতে পারি যে, ইলেকশনের টাইম ফ্রেম নিয়ে কিছুটা কনফিউশন আছে। সেটি আগামী বছরের ফেব্রয়ারির প্রথমার্ধেও হতে পারে, আবার এপ্রিলের যে কোনো সময়ও হতে পারে। অনিশ্চয়তা হলো এই ২ মাসের- ফেব্রæয়ারি না এপ্রিল? ফেব্রæয়ারি বা এপ্রিলÑ এই ২টি মাসের যে কোনো একটি মাসে ইলেকশন হবে, এ ব্যাপারে আমি জোর দিচ্ছি কেনো? জোর দিচ্ছি এই কারণে যে, ড. ইউনূস স্বয়ং এপ্রিলের বেশি কন্টিনিউ করতে চান না। তার সাথে অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠ, এমন দুই-একজনের মাধ্যমে আমি জানতে পেরেছি যে, ড. ইউনূস আগামী বছরের জুন মাসে ইলেকশন দিতে চেয়েছিলেন। কারণটি হলো, তার থট প্রসেসে দুই একটি বিষয় ঘোরাফেরা করে। সেগুলো তিনি করতে চেয়েছিলেন। তবে লন্ডনে তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের পর তিনি জুনের ব্যাপারে আর রিজিড নন।

ড. ইউনূস যখন চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ে অর্থনীতির অধ্যাপনা করতেন তখন তার ডাইরেক্ট স্টুডেন্ট এমন একজন আমার অন্যতম সূত্র। ড. ইউনূসের এই ছাত্র এখন সমাজে ভালোভাবেই প্রতিষ্ঠিত। মাঝে মাঝে ড. ইউনূসের সাথে তার টেলিফোনে আলোচনা হয়। এই সূত্রের মাধ্যমে আমি কিছু খবর পাই।

আর একটি সূত্র হলো ড. আলী রিয়াজ। তিনি এক সময় জাসদ করতেন এবং জেলও খেটেছেন। জেল থেকে বেরিয়ে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেন এবং পড়াশোনায় মন দেন। এরপর সেই পড়াশোনার প্রফেশনে থাকতে থাকতে তিনি আজ আমেরিকার ইলিনয় বিশ^বিদ্যালয়ের ডিস্টিংগুইস্ড প্রফেসর। ড. আলী রিয়াজের জেল জীবনের সঙ্গী আমার আর একটি সূত্র। তিনিও মাঝে মাঝে প্রফেসর রিয়াজের সাথে কথা বলেন। এছাড়া সাংবাদিকদের তো অন্যান্য সূত্রও থাকে।

যাই হোক, ছাত্ররা যখন ড. ইউনূসকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিতে বলেন তখন তিনি জানান যে, তিনি দায়িত্ব নিতে রাজি আছেন। তবে কারো দ্বারা তিনি ডিক্টেটেড হতে রাজি নন। এই কথাটি শুধু আমার সূত্রই আমাকে বলেননি, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভ‚ঁঈয়াও তার প্রকাশিত পুস্তকে উল্লেখ করেছেন। পুস্তকটির নাম, ‘জুলাই- মাতৃভ‚মি অথবা মৃত্যু’।

এখানে আমি ইনকিলাবের পাঠকদেরকে একটি নতুন তথ্য দিতে চাই। ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনার পলায়নের পরে ছাত্ররা ড. ইউনূসের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন, এই বর্ণনা শতভাগ সঠিক নয়। ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট ছাত্র নেতৃবৃন্দ প্রথম তার সাথে ফ্রান্সে টেলিফোনে যোগাযোগ করেন। তারা খুব দৃঢ়তার সাথে বলেন যে, খুব শীঘ্রই শেখ হাসিনার পতন হবে। ৪ আগস্ট ছাত্র নেতৃত্বের তরফ থেকে তিনি একটি ইমেইল পান। ঐ ইমেইলে বলা হয় যে, দুই থেকে তিন দিনের মধ্যেই শেখ হাসিনার পতন হবে। ঐ ইমেইলে ছাত্ররা উপদেষ্টা পরিষদের সম্ভাব্য সদস্যদের একটি তালিকাও দেন।

৬ আগস্ট ড. ইউনূস শর্ত সাপেক্ষে দায়িত্ব নিতে সম্মত হন। তবে শর্ত দেন যে, নীতি নির্ধারণে তিনি স্বাধীনভাবে কাজ করবেন। ছাত্ররা যখন ৯ দফা দেয় তখন ছাত্ররা বুঝতে পেরেছিলেন যে, শেখ হাসিনার পতন আসন্ন। কিন্তু তার পর? তখন ছাত্রদের নেতা হিসাবে নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেন যে, হাসিনার ফ্যাসিবাদে স্বৈরতন্ত্রের বিকল্প হিসাবে কোনো রকম মিলিটারি ইন্টারভেনশন বা মার্শাল ল’ ছাত্ররা মেনে নেবেন না। তেমন একটি ধারণা নিয়েই ড. ইউনূস ৮ আগস্ট দুপুরে ঢাকা বিমান বন্দরে অবতরণ করেন।

কিন্তু এর মধ্যে চলতে থাকে আরেকটি কাহিনী। শেখ হাসিনার পতন হয় আসলে ৪ আগস্ট। ৫ আগস্ট বেলা ৩ টায় একটি সামরিক বিমানে শেখ হাসিনা ইন্ডিয়া পালিয়ে যান। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা যখন ঢাকা ছাড়েননি তখন বেলা ১টা থেকে ক্যান্টনমেন্টে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ জড়ো হতে থাকেন। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ৫ আগস্ট বেলা ঠিক ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত বিএনপি চেয়ারপার্সনের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবরের সাথে কথা বলেন। সেই কথার সূত্র ধরে মেজর জেনারেল ফজলে এলাহী আকবর অন্তত ৩ জন রাজনৈতিক নেতার সাথে কথা বলেন এবং তাদের বেলা ২টার মধ্যে সেনাসদরে আসতে বলেন। এই ৩ জন হলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও আমীরে জামায়াতে ডা. শফিকুর রহমান। তৃতীয় জন হলেন গণতন্ত্রমঞ্চের নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না। মান্না তখনো আন্ডারগ্রাউন্ডে ছিলেন। তার ফোন রিসিভ করেন তার এক সহকারী। মান্না দুপুরে ক্যান্টনমেন্টের মিটিংয়ে হাজির থাকতে পারেননি।

\ দ্ইু\
ছাত্রদের অগ্রাধিকার ছিলো আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সমবায়ে একটি জাতীয় সরকার গঠন। এই প্রস্তাবটি গৃহীত না হলে একটি বিপ্লবী সরকার ছিলো তাদের দ্বিতীয় অগ্রাধিকার। কিন্তু এর মধ্যে জাতীয় সরকার বা বিপ্লবী সরকার কোনোটাই না হয়ে, হয়ে যায় সাংবিধানিক সরকার।

আমি ওপরে যে এত তথ্য দিলাম সেগুলি একটি বিশেষ কারণে দিলাম। সেটি হলো, জুলাই চার্টার এবং জুলাই ঘোষণাপত্র বা জুলাই প্রোক্লামেশন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলছেন যে, প্রধান উপদেষ্টার দেয়া সময় অনুযায়ীই নির্বাচন হবে। ইউনূস সাহেব বলছেন, জুলাই চার্টারের পর নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময় ঘোষণা করা হবে। জুলাই চার্টার এবং প্রোক্লামেশন সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত থাকতে হবে। লক্ষ করার বিষয় হলো এই যে, এনসিপি জুলাই চার্টার ও প্রোক্লামেশনের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব আরোপ করছে। এই চার্টার ও প্রোক্লামেশনের ওপর এত গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে কেনো? কারণটি নি¤œরূপ:

সকলেই জানেন যে, বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান কোনো দিন সংবিধানের অনুচ্ছেদ মেনে আসে না। বিপ্লব বা গণঅভ্যুত্থান সব সময় সংবিধানবহির্ভূত পথ। যখন দেশের একটি সরকারকে অপসারণের সমস্ত নিয়মতান্ত্রিক পথ রুদ্ধ করে দেওয়া হয় তখনই ২ রকম অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারকে অপসারণ করা হয়। ১৯৭৫ সালে রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তিত হয় সেনাবাহিনীর একটি অংশের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে। আবার ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ জাস্টিস আব্দুস সাত্তারের সরকারকে অপসারণ করেন সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। অবশ্য ১৯৮২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের কোনো রকম যুক্তিসংগত কারণ ছিলো না। ¯্রফে ক্ষমতালিপ্সাই জেনারেল এরশাদকে মিলিটারি টেক ওভারে প্রলুব্ধ করে।

জেনারেল এরশাদকেও হটানো হয় গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। এবার শেখ হাসিনাকেও হটানো হলো গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে। কিন্তু একটু আগেই বলেছি যে, এই সরকার সংবিধানের ভেতর ঢুকে গেছে। সেটি হলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠবে, এই সরকারের সাংবিধানিক ভিত্তি কি? ঠিক এই স্থানে এসে ড. ইউনূস এবং অভ্যুত্থানের ভ্যানগার্ডরা সংবিধানের ৭(ক) এবং ৭(খ) অনুচ্ছেদের ভয় পাচ্ছেন। ৭ (ক) তে বলা হয়েছে যে, ‘এই সংবিধান বা এর কোনো অনুচ্ছেদ রদ, রহিত, বাতিল করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহীতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহীতার অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইবেন। ৭ (ক) এর ৩য় উপ অনুচ্ছেদ মোতাবেক ওপরে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি সর্বোচ্চ দন্ডে দন্ডিত হইবেন।’ অর্থাৎ ফাঁসি হবে। জুলাই অভ্যুত্থানকে যদি সাংবিধানিক প্রোটেকশন না দেওয় হয় তাহলে তার নায়করা এবং ড. ইউনূস ও তার উপদেষ্টা পরিষদ রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন এবং বিচারে সর্বোচ্চ দন্ডে দন্ডিত হবেন।

\তিন\
এজন্যই জুলাই চার্টার বা প্রোক্লামেশনের ওপর এত জোর দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচন বাধাগ্রস্ত বা বিলম্বিত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নাই। কিন্তু যদি জুলাই অভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক প্রোটেকশন না দেওয়া হয় তাহলে আগামী নির্বাচনও খুব বড় একটি ধাক্কা খাবে।

এপর্যন্ত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৭টি সংশোধনী হয়েছে। ৭২-এর সংবিধানকে মুজিববাদী সংবিধান বলা হচ্ছে। কারণ, এই সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে নির্বাচন হয় এবং শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ৩০০টির মধ্যে ২৯৩টি আসন লাভ করে। এমন থাম্পিং মেজরিটি পাওয়ার পরেও ১৯৭৫ সালে ৪র্থ সাংবিধানিক সংশোধনী বলে জানুয়ারি মাসে সংবিধানের সমগ্র খোলনলিচা পাল্টে দেওয়া হয়। পার্লামেন্টারি সরকার হয়ে যায় প্রেসিডেনশিয়াল। বহুদলীয় গণতন্ত্র হয়ে যায় একদলীয় গণতন্ত্র। সেই একদলটির নাম হলো বাকশাল।বাংলাদেশ ভ্রমণ গাইড

১৯৭৫ সালের অগাস্ট মাসে মুজিব সরকারের পতনের পরও সংবিধান বাতিল হয়নি। ’৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশারফ পাল্টা অভ্যুত্থান করলেও সংবিধান বাতিল বা সংশোধন করার সময় পাননি। ৭ নভেম্বরের সিপাহী জনতার বিপ্লবে খালেদ মোশারফ নিহত হন এবং জেনারেল জিয়াউর রহমান প্রথমে ডেপুটি সামরিক আইন প্রশাসক নিযুক্ত হন। ঐ বছরের ২৯ নভেম্বর তিনি চিফ মার্শাল ল’ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নিযুক্ত হন। তখন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন প্রধান বিচারপতি জাস্টিস আবু সাদা’আত মোহাম্মদ সায়েম। ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল জেনারেল জিয়া প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

এই যে জেনারেল জিয়া প্রেসিডেন্ট হন সেগুলি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ মোতাবেক হয়? সংবিধানে এর সপক্ষে কোনো অনুচ্ছেদ নাই। তাই ১৯৭৯ সালে সংবিধানের ৫ম সংশোধনী মোতাবেক ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট মুজিব সরকারের অপসারণ থেকে শুরু করে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসনের অধীনে প্রণীত সব অধ্যাদেশ, আদেশ ও পদক্ষেপকে বৈধতা প্রদান করা হয়। অবশ্য প্রধান বিচারপতি জাস্টিস খায়রুল হক খন্দকার মোশতাক, জিয়াউর রহমান এবং জেনারেল এরশাদের সরকারÑ এই সবগুলি সরকারকেই অবৈধ ঘোষণা করেন।

ওপরের এই আলোচনা থেকে বোঝা গেলো যে, যদি বিপ্লবী সরকার গঠন করা না হয় তাহলে গণঅভ্যুত্থানের ফলে, অথবা সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে অথবা বিপ্লবের ফলে উদ্ভূত সরকারকে জবঃৎড়ংঢ়বপঃরাব বভভবপঃ বা ভ‚তাপেক্ষ কার্যকরিতা দিয়ে অধ্যাদেশ বা সাংবিধানিক সংশোধনীর মাধ্যমে বৈধতা দেওয়া হয়। বিচারপতি খায়রুল হকের এই অ্যাকশনটি আজকের লেখার জন্য অপ্রাসঙ্গিক। তাই এর সম্পর্কে আর বিস্তারিত বিবরণে গেলাম না।

৫ আগস্ট অভ্যুত্থানের ফলে ৮ আগস্টে যে সরকার জন্ম নিয়েছে তাকেও সাংবিধানিক বৈধতা দিতে হবে, যেহেতু অভ্যুত্থানের সরকারকে সংবিধানের মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেজন্যই প্রয়োজন জুলাই চার্টার ও জুলাই প্রোক্লামেশন। তবে অনেকের কাছেই জুলাই চার্টার ও জুলাই প্রোক্লামেশন এই দুটি নিয়ে একটি বিভ্রান্তি রেেয়ছে। এই বিভ্রান্তি দূরীভূত হওয়া প্রয়োজন।

আমি ১২১৫ সালের ম্যাগনাকার্টা বা ১৯৪১ সালের আটলান্টিক চার্টারের কথা এখানে ইচ্ছে করেই আনলাম না। কারণ তাহলে এই আলোচনাটি গম্ভীর এবং ভারি হয়ে যাবে।

Email|journalist15@gmail.com

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ