নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় আরএসএফের সুপারিশ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:৪৫, বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তায় আরএসএফের সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ৬, ২০২৪ ১১:২৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জানুয়ারি ৬, ২০২৪ ১১:২৬ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

নির্বাচনে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)। এক বিবৃতিতে সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক এই গ্রুপটি বলেছে, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে আরএসএফ উদ্বিগ্ন, বিশেষ করে এই উত্তেজনাপূর্ণ

পরিস্থিতিতে। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে হামলা বহুগুন বেড়েছে। ক্ষমতায় থাকা শাসকদের অনুকূলে এর অনেকটা করা হয়েছে। রিপোর্টিং করার অভিযোগে কয়েকজনকে হত্যা করা হয়েছে। অন্যদের জেলে পাঠানো হয়েছে। কয়েক ডজন সাংবাদিককে নৃশংস নির্যাতন করা হয়েছে। বড় রকম সহিংসতার বিরুদ্ধে নিজেদেরকে প্রস্তুত রাখার জন্য বেশ কিছু সুপারিশ করেছে আরএসএফ। সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়া ডেস্ক থেকে বলা হযেছে, ৫ বছর আগে শুরু করা ক্ষমতার মেয়াদ শেষ করতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। প্রায় সব রকম সমালোচনামূলক তথ্যকে পর্যায়ক্রমে সেন্সর করে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগে চোখ বন্ধ রেখে, ব্যাপক প্রপাগান্ডা চালিয়ে তারা নিশ্চিত করছে যে, গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে তারা সব বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।

তথ্যের ওপর ক্ষতিকর নিয়ন্ত্রণ বন্ধের জন্য সরকার ও ক্ষমতায় থাকা দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আরএসএফ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গত নির্বাচনে বিতর্কিত বিজয়ের পর থেকে সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ক সংগঠন ও এসোসিয়েশনের সতর্কতার বিষয়ে কোনো মনোযোগ দেয়নি সরকার। গত বছর তিনজন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ দায়মুক্তি দেয়া হয়েছে। দেশে এখনও ৬ জন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব জেলে। অন্য কয়েক ডজন সহিংসতার শিকার। বিশেষ করে সরকারের দুর্নীতি এবং স্থানীয় পর্যায়ের অনিয়মের রিপোর্ট প্রকাশের জন্য। সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাচনের প্রার্থী, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র বিষয়ক সংগঠনের নেতারা ও উগ্রপন্থিরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা বাড়িয়েছে। সরকার শুধু দেখছে। নিরাপত্তা বিষয়ে যেসব সুপারিশ করেছে আরএসএফ, তাতে বলা হয়েছে- যদি আপনি ফিল্ডে থাকেন। তাহলে কিছুক্ষণ পর পর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলুন। তাদেরকে জানান, আপনি কোথায় আছেন। যদি তল্লাশির মুখে পড়েন তাহলে নিজের পরিষ্কার পরিচয় ও বৈধ প্রেসকার্ড বা লেটার অব এক্রিডিটেশন উপস্থাপন করুন। যদি সম্ভব হয় তাহলে পোশাকের নিচে লুকিয়ে একটি এয়ারট্যাগ বা ‘গুগল একটিভিটি’ ফিচার চালু রাখুন, যাতে বিশ্বস্ত তৃতীয় পক্ষ আপনার গুগল একাউন্টের সুযোগ পায়। যদি আপনাকে অপহরণ করা হয়, তাহলে এসব ট্রাকিং ডিভাইস আপনার অবস্থান শনাক্ত করা সম্ভব করবে। যতটা সম্ভব নিরাপত্তা হেলমেট, প্রটেকটিভ গ্লাস, বুলেটপ্রুফ ভেস্ট এবং গ্যাস মাস্ক সঙ্গে রাখুন। এছাড়া চিকিৎসার সরঞ্জামও সঙ্গে রাখার সুপারিশ করেছে আরএসএফ। কাছাকাছি মেডিকেল সার্ভিসগুলোর খোঁজখবর রাখুন, যাতে আহত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে পারেন। আপনার সরঞ্জাম হারানো, চুরি বা জব্দ ঠেকাতে তাতে পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করার কথা স্মরণ রাখুন। ডাবল অথেনটিকেশন একটিভ করুন, যদি সম্ভব হয় আপনার সব একাউন্টেই এটা করুন। যদি সন্দেহ হয় যে, আপনার ডিভাইসে গুপ্তচর লেগেছে তাহলে আরএসএফের ডিজিটাল সিকিউরিটি ল্যাবের সাহায্য নেয়ার বিষয়ে দ্বিধা করবেন না। এই ঠিকানায় সহায়তা পাওয়া যাবে- mail@lab.rsf.org
সূত্রঃ মানবজমিন

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ