যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে লন্ডনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২৬ ৪:২১ অপরাহ্ণ

বিশেষ প্রতিনিধি
ছবি সংগৃহীত
বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপির উদ্যোগে ২৫ মার্চ বুধবার রাতে পূর্ব লন্ডনের কাচ্চি ডাইন রেস্টুরেন্টে যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ এর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব খসরুজ্জামান খসরুর পরিচালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভা শেষে যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ ও সদস্য সচিব খসরুজ্জামান খসরুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মাহুতি দানকারী সকল শহীদদের স্মরণে পূর্ব লন্ডনের আলতাফ আলী পার্কের শহীদ মিনারে রাত ১২ টা ১ মিনিটে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন যুক্তরাজ্য বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তবে আবুল কালাম আজাদ বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম ১৯৭১ সালে ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন । তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব ফলে আমরা ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জন করেছি। দেশে যত বার সংকটে পড়েছে তখনই জিয়া পরিবার দেশের নেতৃত্ব দিয়েছে। ১৯৭৫ সালে সিভিল ও মিলিটারি উভয় সেক্টরে যখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল তখনো ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে শহীদ জিয়া নেতৃত্ব দিয়েছিলেন । বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন ও ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাছ থেকে দখলদার মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে । দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম তাঁর নিজ কর্মস্থল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ফিরে গিয়ে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন।
বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে সিভিল ও মিলিটারি উভয় সেক্টরে যখন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছিল তখন আবারও ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে শহীদ জিয়া নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সিপাহী ও জনতার সম্মিলিত বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে জিয়াউর রহমানকে বন্দীদশা মুক্ত হোন এবং পরবর্তীতে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে দেশের নেতৃত্ব দেন। বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন ও ১৯ দফা কর্মসূচির মাধ্যমে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়েছিলেন।

বক্তারা বলেন, পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে দেশের সংকটকালে স্বৈরাচার এরশাদের পতনে ঘটাতে এগিয়ে আসেন বিএনপির সাবেক চেয়ারপার্সন মাদার অফ ডেমোক্রেসি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি দেশকে নিয়ে গিয়ে ছিলেন উন্নয়নের শিখরে। দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করতে শুরু হয় দেশি বিদেশী ষড়যন্ত্র । দেশ আবারও তাবেদার বাহিনী কবলে পড়ে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা দেশের মানুষের সকল অধিকারকে পদদুলিত করে, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশে সৃষ্টি করেছিল এক বিভীষিকাময় পরিস্তিতি। দেশের সর্বত্রই ছিল নির্যাতন-নিপীড়ন গুম-খুন, লুন্ঠত আর রাহাজানি। আয়না ঘর সৃষ্টি করে বিরোধী দলের নেতাকর্মীসহ সমাজের ভিন্নমতের মানুষের জীবনকে করে তুলেছিল দুর্বিষহ। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণ আন্দোলনে ফ্যাসিবাদের সাম্রাজ ভেঙ্গে তছনছ হয়েছে, দেশ ছেড়ে পালিয়েছে ফ্যাসিস্ট মাফিয়া হাসিনা বাহিনী।
বক্তারা ভলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিচক্ষণ নেতৃত্বে বিএনপি দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে। ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচণের পূর্বে রাষ্ট্র মেরামতে ৩১ দফা ঘোষণা ছিলেন। ইতিমধ্যেই সরকার তার প্রতিশ্রুত কর্মসূচী পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে সম্মানের সাথে মাথা উচু করে দাড়াবে। সভায় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে ঐক্যবদ্ধ এগিয়ে আসার আহব্বান জানান।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আলহাজ্ব তৈমুছ আলী, সাবেক সহসভাপতি তাজুল ইসলাম, সাবেক সহসভাপতি কাজী ইকবাক হোসেন দেলোয়ার, সাবেক সহসভাপতি আশারাফ উল ইসলাম হীরা, সাবেক সহসভাপতি এম এ মুকিত, সাবেক প্রথম সদস্য শরিফুজ্জামান চৌধুরী তপন, সাবেক সিনিয়র সদস্য এমদাদ হোসেন টিপু, সাবেক সিনিয়র সদস্য শহিদুল ইসলাম মামুন, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ খান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মিসবাহুজ্জামান সোহেল, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ডক্টর মুজিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আজমল হোসেন চৌধুরী জাবেদ, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাসনাত কবির খান রিপন, সাবেক সিনিয়র সদস্য শামসুর রহমান মাহতাব, সাবেক সিনিয়র সদস্য ফখরুল ইসলাম বাদল, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, সাবেক আসাদুজ্জামান আহমেদ, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সামাদ, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল বাসিত বাদশা, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক বাবুল আহমেদ চৌধুরী, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহমেদ জ্জিলান, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট খলিলুর রহমান, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক শাহিন মিয়া, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সালেহ গজনবী, সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক সেলিম আহমেদ, সাবেক সহ সাধারণ সম্পাদক রাজন আলী সাইদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম আহমেদ, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জসীম উদ্দিন সেলিম, যুবদলের সভাপতি আফজাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক বাবর চৌধুরী, আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দী, জাসাস ইউরোপের সমন্বয়ক ইকবাল হোসেন, যুক্তরাজ্য বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার লিয়াকত আলী, খিজির আহমেদ, জুয়েল আহমেদ, আব্দুস শহীদ, আশরাফ গাজী, তোফাজ্জল আলম, কদর উদ্দিন, ব্যারিস্টার আলিমুল হক লিটন, লুবেক আহমেদ চৌধুরী, জসীম উদ্দিন সেলিম, রুহুল ইসলাম রুলু, আমিনুর রহমান আকরাম, খালেদ চৌধুরী, শরিফুল ইসলাম ফয়ছল আহমেদ, আলি আকবর খোকন, সুজত আহমেদ, তপু শেখ, পোর্টসমাউথ বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন আহাদ, জাকির হোসেন, সাউথ হল বিএনপি নেতা শাখাওয়াত হোসেন, নটিংহ্যাম বিএনপি নেতা সৈয়দ ইকবাল হোসেন, লুটন বিএনপি নেতা মঞ্জুর আহমেদ শাহনাজ, লন্ডন নর্থ ওয়েস্ট বিএনপি নেতা আব্দুল মুহিত চৌধুরী, স্ট্রোক অন ট্রোন বিএনপি নেতা আমিনুর রহমান, হাসান আহমেদ, ব্যারিস্টার সেলিম খান, এনামুল হোসেন অসরু, ব্যারিস্টার মনিরুল ইসলাম টিটু, সাংবাদিক আরিফ মাহফুজ, আব্দুল কুদ্দুছ, আব্দুস সালাম, আকলুছ মিয়া, রোমান আহমেদ চৌধুরী, তুহিন মোল্লা, জিয়াউর রহমান জিয়া, মিনহাজুর রহমান, যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি দেওয়ান আব্দুল বাছিত, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সৈয়দ লায়েক মোস্তাফা, যুগ্ম সম্পাদক সাব্বির হোসেন সুমন, যুগ্ম সম্পাদক নুরুল আলী রিপন, শেখ আতিকুর রহমান, গোলাপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মামুন আহমেদ রিপন, সেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক আজিম উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, আকমল হোসেন, লন্ডন মহানগর সেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাদেক আহমেদ, সেচ্ছাসেবক দল নেতা মফচ্ছল আলী, মইনুল ইসলাম সোহাগ প্রমুখ।
জনতার আওয়াজ/আ আ