শুধু জামায়াত না, দেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:৫৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

শুধু জামায়াত না, দেশের ১৮ কোটি মানুষ মজলুম ছিল

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৪ ৯:৪১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৪ ৯:৪১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
১৫ বছরে শুধু জামায়াতে ইসলামী মজলুম ছিল না, এ দেশের ১৮ কোটি মানুষও মজলুম ছিল বলে মন্তব্য করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান।

আজ বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহে নির্ধারিত অনুষ্ঠানে যাবার পথে সকালে মাগুরা শহরের ভায়না মোড়ে এক পথসভায় তিনি এ মন্তব্য করন।

ডা.শফিকুর রহমান বলেন,‘বৈষম্যবিরোধি আন্দোলনসহ বিগত ১৫ বছরে যাদেরকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়েছে আল্লাহ তাদেরকে যেনো শহীদ হিসেবে কবুল করেন। শুধু আমরাই মজলুম ছিলাম না। এ দেশের ১৮ কোটি মানুষই ছিল মজলুম।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বৈরাচারী সরকার ও তার ঘুষখোররা সিন্ডিকেট করে মানুষের জীবনকে শ্বাসরুদ্ধ করে দিয়েছিল। এ অবস্থা থেকে জাতি মুক্তি চাই। গুম করেছেন, মানুষের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছেন, সারা বাংলাদেশকে জাগায় জাগায় দখল করেছেন। মানুষের সম্পদের ওপর লোলুপ দৃষ্টি দিয়েছেন। তাদের কারণে বহু জায়গায় মেয়েরা লেখাপড়া বন্ধ করে দিয়েছে। তাদের সোনার ছেলেরা ধর্ষণের সেঞ্চুরি পালন করেছে। আমরা এগুলো থেকে মুক্তি চাই।’

দলটির আমির বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতি ইসলামী এমন একটি দেশ চায়, এমন একটি রাষ্ট্র চায়, যেখানে আল্লাহ তায়ালার বিধান অনুযায়ী সামাজিক সুবিচার কায়েম হবে। সেখানে মানুষের মধ্যে কোনো বৈষম্য থাকবে না। যে যার ন্যায্য পাওনা হাতে পেয়ে যাবে। যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেওয়া হবে। জাতি গঠনে যুবকরা ভূমিকা রাখবে। বেকারত্বের অভিশাপে আর একটি যুবককেও আত্মহত্যা করতে হবে না। চাকরি পাওয়ার জন্য কোনো দুষ্ট লোকের কাছে ঘুষ দিয়ে চাকরি নিতে হবে না। বিচারের জন্য কাউকে কারও দয়ার জন্য তাকিয়ে থাকতে হবে না। বাজারে গেলে কাউকে মাথায় হাত দিতে হবে না এমন একটি বৈষম্যহীন রাষ্ট্র আমরা গড়ে তুলতে চাই।’

জামায়াতি ইসলামীর আমির বলেন, ‘সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্মীয় কার্যকলাপ সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে পালন করবে। কাউকে নিরাপত্তা বা পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। যদি মসজিদে পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন না হয়, তাহলে মন্দিরেও পাহারা দেওয়ার প্রয়োজন হবে না। মসজিদেও যাতে কোনো ইমামের হাত থেকে মাইক কেড়ে নিতে না পারে, খতিবকে অপদস্ত করতে না পারে তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। এমন একটি দেশ গড়তে চাই, আমরা দেশবাসির সহযোগিতা চাই। ন্যায় এবং ইনসাফের ভিত্তিতে, বৈষম্যহীন একটি মানবিক দেশ জামায়াতি ইসলামী গড়ার স্বপ্ন দেখে। এই যাত্রায় এই সফরে গোটা দেশবাসির সহযোগিতা চাই।’

পথ সভায় বক্তব্য শেষে তিনি ঝিনাইদহের উদ্দেশ্যে রাওনা দেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ