যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের সাক্ষাৎ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:১৭, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সের সঙ্গে মির্জা ফখরুলের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুন ২২, ২০২৫ ১:৫০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জুন ২২, ২০২৫ ১:৫০ অপরাহ্ণ

 

ছবি: সংগৃহীত
জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

রবিবার (২২ জুন) সকাল ১০টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন।

পরে আমীর খসরু সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘‘যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত উনি এসেছিলেন উনার টিম নিয়ে… সেখানে স্বাভাবিকভাবে দুই দেশের মধ্যে যে সম্পর্কের বিষয়গুলো আছে, বিশেষ করে ট্যারিফ নিয়ে… একটা বড় ট্যারিফ আমেরিকানরা বাংলাদেশের ওপর দিয়েছে, সেটার ওপর দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে… এই ট্যারিফ বাংলাদেশ কীভাবে হ্যান্ডেল করবে।’’

তিনি আরও বলেন, ‘‘বিএনপির পক্ষ থেকে আমাদের মতামত জানতে চেয়েছেন ট্যারিফের ব্যাপারে। আমরা এই ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে সহযোগিতা করে একটি সমাধান করা দরকার বলে মনে করি। কারণ, বাংলাদেশের পণ্যের ট্যারিফ যদি উচ্চমূল্য বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানি চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। বিএনপি এই বিষয়ে সরকারের সঙ্গে কাজ করবে এবং সহযোগিতা করবে, যাতে ট্যারিফের বিষয়টির সুষ্ঠু সমাধান হয়।’’

এছাড়া, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে কীভাবে আরও বিনিয়োগ বাড়ানো যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে জানান আমীর খসরু।

আমীর খসরু বলেন, ‘‘স্বাভাবিকভাবে আলোচনা হয়েছে নির্বাচন নিয়ে। নির্বাচনের বিষয় এবং বিএনপির প্রস্তুতিসহ আমাদের মতামত জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা বিষয়টি বলেছি।’’

তিনি জানান, ‘‘লন্ডনে তারেক রহমান সাহেবের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকটির প্রশংসা করা হয়েছে। সেই মিটিংয়ের গুরুত্ব তারা অনুধাবন করতে পারছে এবং ওই মিটিংয়ের ফলে দেশে একটি বড় ধরনের স্বস্তি এসেছে এবং নির্বাচনমুখী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে—তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’’

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের অনুষ্ঠানের বিষয়ে কি কোনো আলোচনা হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘‘ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের বিষয়ে মোটামুটি একটি জায়গায় পৌঁছেছে… এটা স্বস্তির ব্যাপার… সবাই জানে যে ডেমোক্রেটিক ট্রান্সফরমেশনের দিকে আমরা যাচ্ছি, সেটার একটি মোটামুটি দিনক্ষণ নির্ধারণ হওয়ায় সবার মধ্যে স্বস্তি এসেছে… শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয়, বাংলাদেশের যেসব পার্টনার আছে তারাও একটি জায়গায় উপনীত হয়েছে যে, বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক প্রসেস বা অর্ডারের দিকে যাচ্ছে। কারণ, তাদের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা কী হবে তা গ্রহণ করতে সেই সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়ে যায়।’’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ