সততাই সাংবাদিকতার মুলমন্ত্র : কাদের গনি চৌধুরী - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:১৫, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সততাই সাংবাদিকতার মুলমন্ত্র : কাদের গনি চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৫ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী বলেছেন, সাংবাদিকতার মূলভিত্তি হচ্ছে সততা। একজন ভালো সাংবাদিক কখনও মিথ্যে বা পক্ষপাতদুষ্ট খবর প্রচার করেন না। সত্য তথ্য যাচাই করে, নিরপেক্ষ অবস্থানে থেকে খবর পরিবেশন করা তার মূল কাজ।

শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুষ্টিয়া শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সভায় তিনি এসব বলেন।

তিনি বলেন, গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সম্পদ বিশ্বাসযোগ্যতা। যে গণমাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতা যত বেশি, দর্শক-শ্রোতা এবং পাঠকের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা তত বেশি। তাই জনস্বার্থে, সংবাদমাধ্যমের স্বার্থে, এমনকি নিজ স্বার্থেও সাংবাদিককে তাদের প্রাত্যহিক কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে নৈতিকতার চর্চা করতে হয়। সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা হলো বস্তুনিষ্ঠতার অভাব। বস্তুনিষ্ঠতায় ঘাটতি পড়লে সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা আসে। তাই বস্তুনিষ্ঠতা খুবই জরুরি।

কুষ্টিয়া সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতিত্বে আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু ও সাধারণ সম্পাদক শামীম উল হাসান অপর সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন বিএফইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ওবায়েদুর রহমান শাহীন, দফতর সম্পাদক আবু বকর, নুরুন্নবী বাবু, এম এ জিহাদ, আল মামুন সাগর মোঃ বকুল আলী, ইব্রাহীম খলিল, খালিদ হাসান সিপাই, আব্দুম মুনিব, মোস্তাফিজুর রহমান মঞ্জু, মীর আল আরেফীন বাবু, হায়দার আলী, মুজিবুর শেখ, মাহফুজ উর রহমান, সিহাব উদ্দিন, তারেকুল ইসলাম তারেক প্রমুখ।

কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্র একটি দেশ ও জাতিকে যেমন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, আবার জাতির সর্বনাশও করতে পারে। এ ক্ষেত্রে সংবাদ পরিবেশনই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ খবর সমাজে শান্তি আনে, আর মিথ্যা খবর কখনো সমাজকে বিষিয়ে তোলে, অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। তাই সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের সতর্ক হয়ে লিখতে হয়। সাংবাদিকরা সম্ভবত সবচেয়ে বেশি নীতিসচেতন। এটি তাদের হতেই হবে।

তিনি বলেন, অসীম ত্যাগ ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকরা সত্য তথ্য জাতির সামনে তুলে ধরেন। তাই সাংবাদিকরা জাতির বিবেক হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত। সাংবাদিকরা হলেন মানবতার অতন্দ্র প্রহরী। সাংবাদিকদের সমাজ ও রাষ্ট্রের ‘ওয়াচডগ’ বলা হয়। সমাজ ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ তৈরিতে, অন্যায়, দুর্নীতি ও ভ্রষ্টাচারের বিরুদ্ধে জনগণকে জাগ্রত করতে, মানুষের সত্যিকারের কণ্ঠস্বর হয়ে সাংবাদিকরা সমাজে আলোর প্রদীপ জ্বালাতে পারেন। এটিই আমাদের করতেই হবে। না হলে সাংবাদিকদের যে সম্মানসূচক উপাধি দেয়া হয়েছে, তা কলঙ্কিত হবে।

স্যামুয়েল ল্যাংহোর্ন ক্লেমেন্স, যার কলম নাম মার্ক টোয়েন, জগদ্বিখ্যাত একজন আমেরিকান লেখক, উদ্যোক্তা, প্রকাশক এবং প্রভাষক ছিলেন। তিনি সংবাদপত্রকে দ্বিতীয় সূর্যের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তার মতে, পৃথিবীতে প্রতিদিন দুটি সূর্য উঠে। প্রথমটি প্রকৃতির প্রভাত সূর্য। আর দ্বিতীয়টি সংবাদপত্রের সূর্য। পৃথিবী আলোকে উদ্ভাসিত হয় প্রভাত সূর্যের চিরন্তন আলোয়। আমাদের জীবন তথা সমাজ আলোকিত এবং সমৃদ্ধ হয় সংবাদপত্রের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের সূর্যের দ্বীপ্ত কিরণে। হেনরী ওয়ার্ডের মতে, “সংবাদপত্র মানুষের কাছে অগণিত স্বর্ণের চেয়েও বড়ো সম্পদ।” আমাদের ভুল বা স্বার্থপরতার কারণে গণমাধ্যম যেন তার মর্যাদা হারায় না।

সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, পশ্চিমা দুনিয়ায় গণমাধ্যম মালিকানার সামন্ত প্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারলেও বাংলাদেশে কনটেন্টের মালিক আসলে মালিকরাই। একটি সময় অল্প অল্প করে মালিকরা তাদের ব্যবসায়িক স্বার্থে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করলেও এখন সেটাই কোনও কোনও গণমাধ্যমের মূল কাজ। এর সঙ্গে নতুন করে রাজনৈতিক স্বার্থ যুক্ত হয়েছে। ফলে অনেকেই বলেন, ‘সম্পাদকরা আসলে কর্পোরেট এডিটোরিয়াল ম্যানেজার’। সাংবাদিকরা হলেন কর্পোরেট এডিটোরিয়াল এক্সিকিউটিভ। কর্পোরেট পলিসি ও সম্পাদকীয় নীতিতে কোনও পার্থক্য নেই। সাংবাদিকরা সেই নীতির বাস্তবায়ন করেন সাংবাদিকতার নামে। সত্যি বলতে, দু’একটি বাদ দিলে গণমাধ্যম হাউজগুলোর কোনও প্রাতিষ্ঠানিকতা নেই। তাই তারা সাংবাদিকদের নিরপেক্ষ অবস্থানকে সমর্থন করতে পারে না এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুরক্ষাও দিতে পারে না।

দলদাস সাংবাদিকদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় দলদাস সাংবাদিকতা এতই বেড়েছিল যে সাংবাদিক আর রাজনৈতিক কর্মীর মধ্যে ফারাক খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। যা সাংবাদিকতার মর্যাদাকে ম্লান করেছে। তাই ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট সরকার পতন হলে অনেক সাংবাদিক গা ঢাকা দিয়েছেন। কেউ কেউ পালিয়েছেন, আবার কেউ কেউ গ্রেফতার হয়েছেন। অনেক সাংবাদিক পদ-পদবি হারিয়েছেন। এগুলো দুঃখজনক ও অস্বাভাবিক বিষয়। তবে যারা পালিয়েছেন, গ্রেফতার হয়েছেন কিংবা পদ হারিয়েছেন, তাদের লেজুড়বৃত্তি ও দালালি নিশ্চয়ই অযৌক্তিক পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। তারা গণমাধ্যমকে গণমানুষের আকাঙ্খার জায়গায় ধরে রাখতে পারেননি। সরকারকে তুষ্ট করতে গিয়ে জন-আকাঙ্খার কথা ভুলে গিয়েছিলেন। এখানেই গণমাধ্যমকর্মীদের নৈতিক পরাজয় ঘটেছে। অনেকে মালিকপক্ষের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নিজেদের নৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে পারেননি। অনেকেরই নিজের চাকরি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের চিন্তা করতে হয়েছে। এ বাস্তবতা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু অনেক সাংবাদিক লেজুড়বৃত্তি ও সরকারের নির্লজ্জ দালালি করে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। অনেকে একাধিক গণমাধ্যমের মালিক হয়েছেন। সঙ্গে গাড়ি-বাড়ির মালিক হয়েছেন। তাদের বিষয়টি ভিন্ন লেন্সে দেখার যৌক্তিকতা আছে। তারা গণশত্রুদের মুখোশ উন্মোচন না করে গণশত্রুদের দালালি করেছেন। বিনিময়ে অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। অনেকক্ষেত্রে সাধারণ মানুষই এর বলি হয়েছেন।

বিএফইউজে মহাসচিব বলেন, সাংবাদিকতা হচ্ছে সত্যের আরাধনা। লেখনীর মাধ্যমে সাংবাদিকরা সত্য উদ্ঘাটন, দুর্নীতি উন্মোচন ও জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। ফলে আমাদের দেশে সাংবাদিকদের কাজের ক্ষেত্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত দুই দশকে ৬৮ জন সাংবাদিককে জীবন দিতে হয়েছে। শত শত সাংবাদিক আহত হয়েছেন। পত্রিকার পাতা খুললেই প্রতিদিন সাংবাদিক নির্যাতনের খবর দেখতে হয়। তাই পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। সাংবাদিকরা নানা ধরনের হুমকি, হেনস্থা এবং শারীরিক আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। এতে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ে। পেশাগত দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শক্তিশালী ও কার্যকর আইন প্রণয়ন করা জরুরি।

আপনারা জানেন, প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে যেমন স্থলমাইন পুঁতে রাখা হয়, তেমনি সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধে নানা ধরনের স্থলমাইন ছড়িয়ে আছে। এই স্থলমাইন হলো বিভিন্ন নিপীড়নমূলক আইন। সাংবাদিকদের ধরতে অন্তত ২০টি আইন আছে। গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের তথ্য অনুযায়ী এমন আইন রয়েছে ৩২টি। এমতাবস্থায় সাংবাদিকরা কিছু লিখতে গেলে ৩২ বার ভাবেন। আইনের ফাঁদে পড়ার ভয়ে অনেকে সেলফ সেন্সরশিপ করতে বাধ্য হন।

ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনের এক বছর পরও গণমাধ্যম স্বাধীনতার বিরোধী কালো আইন বাতিল না হওয়ায় কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার জন্য মামলা একটি বড় ঝুঁকি ও হয়রানির ক্ষেত্র। বিশেষ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে সমস্যা প্রকট। দেশে বিদ্যমান বিচার ব্যবস্থা কোনো কোনো ক্ষেত্রে বছরের পর বছর চলে। এসব ক্ষেত্রে মামলাকারী সাধারণত প্রভাবশালী, বিত্তশালী বা ক্ষমতাধর। তাদের খরচ অসুবিধা হয় না। সাংবাদিক, সম্পাদক ও প্রকাশককে দীর্ঘদিন হাজিরা দিতে হয়। মামলা পরিচালনার খরচ তো রয়েছেই। অনেক পত্রিকা খরচ দেয় না। বিশেষ করে মামলা চলাকালে পত্রিকা পরিবর্তন করলে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

সরকার সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা নীতিমালার উদ্যোগ নিয়েছেন। আইনি সুরক্ষার বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকলেও চাকরি সংক্রান্ত সুরক্ষা সেভাবে নেই। অধিকাংশ পত্রিকা সাংবাদিকদের নিয়মিত বেতন দেয় না, পাওনা পরিশোধ করে না এবং নিয়োগপত্র দেয় না। ৬ মাস পর চাকরি স্থায়ী করার নিয়ম থাকলেও তা মানেন না। ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী বেতন দেয় না ৯০ ভাগ গণমাধ্যম। চাকরি চলে গেলে বা ছেড়ে দিলে দেনা-পাওয়া পরিশোধ হয় না। এ বিষয়ে সুরক্ষা থাকা জরুরি। অধিকাংশ গণমাধ্যম ঢাকার বাইরের সাংবাদিকদের বেতন দেয় না। কিছু পত্রিকা ২–৫ হাজার টাকা বেতন দেয়। আবার কিছু টিভি জেলা প্রতিনিধি কাছ থেকে উল্টো টাকা চায়। এভাবে সাংবাদিকদের দুর্নীতিগ্রস্ত করা হচ্ছে। তাই নীতিমালা থাকা জরুরি।

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় ঝুঁকিপূর্ণ এসাইনমেন্টে শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্যামেরা, ল্যাপটপ, মোটরসাইকেল, গাড়ি ও অন্যান্য মূল্যবান যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়। এ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শারীরিক ক্ষতির জন্য দুর্ঘটনা বীমা থাকতে হবে। চিকিৎসার দায়িত্ব মালিকপক্ষকেই নিতে হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এসাইনমেন্ট কাভারের জন্য অর্থ বরাদ্দ রাখতে হবে। সংবাদকর্মীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা সরঞ্জাম এবং দুর্ঘটনা ভাতার ব্যবস্থা, স্থায়ী সাংবাদিকদের জন্য দুর্ঘটনা বীমা, চিকিৎসা বীমা, জীবন বীমা, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি থাকতে হবে। সংবাদকর্মীদের আইনি সহায়তার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রাখা উচিত। নারী সংবাদকর্মীদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ, আলাদা রেস্টরুম/ওয়াশরুম থাকা প্রয়োজন।

এসব ক্ষেত্রে ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে কাদের গনি চৌধুরী বলেন, সংবাদপত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে পত্রিকার বিজ্ঞাপন রেট বাড়ানো উচিত। করপোরেট ট্যাক্স ৩৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা, নিউজপ্রিন্ট আমদানির ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) বাদ দেওয়া, বিজ্ঞাপন আয়ের ওপর উৎসে কর (টিডিএস) ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করা এবং উৎসস্থলে কাঁচামালের ওপর ৫ শতাংশের বদলে অগ্রিম কর (এআইটি) শূন্য শতাংশ করা জরুরি।

ওবায়দুর রহমান শাহীন বলেন, সাংবাদিকতা পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চা ও মানবিক চেতনা বিকাশের কেন্দ্র এবং নীতি-নৈতিকতা, দায়-দায়িত্ব ও বুদ্ধি-বিবেকের আধার। তাই সৃজনশীল গণমাধ্যম ও সম্মানজনক পেশা হিসেবে সংবাদপত্র অগ্রগণ্য। তবে সবচে’ ঝুঁকিপূর্ণ, সাহসী, সংবেদনশীল, নির্মোহ, নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ, সত্যনিষ্ঠ ও গণসম্পৃক্ত পেশা সাংবাদিকতা। সংবাদপত্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো দলনিরপেক্ষ, সত্যনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা। সংবাদপত্র যত বেশি নিরপেক্ষ হবে এবং সাংবাদিকরা যত নির্ভীক ও সৎ হবে, দেশ ও জাতির মঙ্গল তত বেশি হবে। এজন্য সাংবাদিকদের সমাজের অতন্দ্র প্রহরী বা ‘গেট কিপারস’ বলা হয়। তবে আভিধানিকভাবে সংবাদপত্রের এসব বৈশিষ্ট্য থাকলেও, অনেক সংবাদপত্র ও সাংবাদিক নানা স্বার্থে উল্টাপথে হাঁটেন বা অপসাংবাদিকতায় মেতে ওঠেন, এমন প্রমাণও ভূরিভূরি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ