প্লট দুর্নীতির তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০৯, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

প্লট দুর্নীতির তিন মামলায় শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২৫ ১:৫৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৭, ২০২৫ ১:৫৯ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত ১৪ জানুয়ারি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার রায় দিয়েছেন ঢাকায় একটি আদালত। রায়ে প্রতারণার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। গত ২৩ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি শোনার পর এ তিন মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আজ দিন ধার্য করেন।

পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি জমি বরাদ্দের অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ৪৭ জনের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করে দুদক। মামলাগুলোর রায় আজ ঘোষণা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম মামলাটি করা হয় গত ১৪ জানুয়ারি। সেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আটজনকে আসামি করা হয়। মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক সালাহউদ্দিন। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। মামলায় ২৯ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

অন্য আসামিরা হলেন- পুরবী গোলদার, খুরশীদ আলম, নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, নায়েব আলী শরীফ, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, শহিদ উল্লাহ খন্দকার ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এদিন আদালত তিন মামলারই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। দীর্ঘ শুনানি ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হলো।

দুদকের পক্ষে মামলাগুলো সমন্বয়কারী পাবলিক প্রসিকিউটর মঈনুল হাসান রায় ঘোষণার পর বলেন, ‘আমরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির প্রত্যাশা করছিলাম। এটি একটি বিচার কার্যক্রম অংশ। কোন শাস্তি হবে বা কী সিদ্ধান্ত আসবে— তা আদালতই যথাযথভাবে নির্ধারণ করে।’

তিনি আরও বলেন, মামলাগুলোতে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ১৬১, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৫(ক), ৪০৯, ৪২০ ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারায় ঘুষগ্রহণ, সরকারি দায়িত্বে অবহেলা, সরকারি সম্পদ বা আমানত অপব্যবহার, প্রতারণা ও অপরাধ সংঘটনে সহায়তার অভিযোগ অন্তর্ভুক্ত।

এছাড়া দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায়ও অভিযোগ আনা হয়েছে, যার মাধ্যমে অসাধু উপায়ে সম্পদ অর্জন ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয় প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ