জবির হল উদ্ধারে ছাত্রদলের আল্টিমেটাম – জনতার আওয়াজ
  • আজ সকাল ৮:১৩, সোমবার, ১৩ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৫শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জবির হল উদ্ধারে ছাত্রদলের আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ১৩, ২০২৬ ৩:৩০ পূর্বাহ্ণ

 

জবি প্রতিনিধি
ছবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ১৮ হাজার শিক্ষার্থীর দীর্ঘদিনের তীব্র আবাসন সংকট নিরসনে এবার পুরান ঢাকায় অবস্থিত বেদখলকৃত সব হল উদ্ধারে মাঠে নামার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

রবিবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে ক্যাম্পাসের রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল এই আল্টিমেটাম ও ছাত্রদলের দৃঢ় অবস্থান তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রশাসনকে আইনি নথিপত্র খতিয়ে দেখার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়েছে বলে মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘প্রশাসন যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপডেট জানাতে ব্যর্থ হয় বা সোজা আঙুলে ঘি না ওঠে, তবে ছাত্রদল সব স্টেকহোল্ডার ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে অধিকার আদায়ে কঠোর আন্দোলনে যাবে। প্রয়োজনে ছাত্রদলের নেতারা প্রথমে রক্ত দিতেও প্রস্তুত। অতীতে অন্যান্য সংগঠন আন্দোলন থেকে পিছিয়ে গেলেও ছাত্রদল মাঠে থাকবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।’

আগামী পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জানান, ‘আগামী ৪-৫ দিনের মধ্যে স্থানীয় এমপি, ভিসি, ডিসি এবং পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আরেকটি চূড়ান্ত মিটিং অনুষ্ঠিত হবে। সেই মিটিং শেষে হল পুনরুদ্ধারের একটি পূর্ণাঙ্গ টাইমলাইন ও রূপরেখা সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিগত ১৬-১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী সরকার জবির উন্নয়নে কোনো কাজ করেনি।

হিমেল বলেন, ‘যেহেতু এই বিশ্ববিদ্যালয়টি বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত, তাই বিগত সরকার এখানে কোনো উন্নয়ন করেনি, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করার নীল নকশা করেছে।’

তিনি আরও জানান, বিগত সরকারের আমলের এক ভিসি লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন যে, বেদখলকৃত হলের জায়গায় সরকার অন্য কাউকে লিজ দিলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো আপত্তি নেই, যা ছিল চরম দায়িত্বহীনতার শামিল।

তবে এই আন্দোলনকে সম্পূর্ণ সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন হিসেবে আখ্যা দিয়ে হিমেল স্পষ্ট করে বলেন, ‘এটি কেবল ছাত্রদলের একক কোনো ক্রেডিট নেওয়ার বিষয় নয় বা এখানে ছাত্রদলের কোনো সিট বাণিজ্য থাকবে না।’

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলন থেকে দলমত নির্বিশেষে সব সাধারণ শিক্ষার্থী, জকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধি এবং অন্যান্য সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনকে এই হল উদ্ধার আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধভাবে পাশে থাকার উদাত্ত আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসের ৩১ মার্চ বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে দুই হল উদ্ধারে অভিযানে যান নেতা-কর্মীরা। এ সময় তারা বেদখলকৃত দুই হল উদ্ধারে ১০ দিনের আল্টিমেটাম দেয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ

 
 
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com
Social Media Auto Publish Powered By : XYZScripts.com