মূল্যস্ফীতি পেছনে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, মে ১৬, ২০২৬ ৪:৩৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, মে ১৬, ২০২৬ ৪:৩৭ অপরাহ্ণ

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি :সংগৃহীত
কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের কারণে দেশে মূল্যস্ফীতি ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা দাম বাড়াইনি। কারণ, তা মূল্যস্ফীতিকে উসকে দিতো। আমাদের দেশে মূল্যস্ফীতি ঘটেছে অলিগার্কের (কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের) কারণে। আমরা বাস্তবতা স্বীকার করে সেই অলিগার্ককে ভাঙতে চাই।’
শনিবার (১৬ মে) তেঁজগাও এফডিসিতে ‘বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ নিয়ে প্রাক-বাজেট ছায়া সংসদ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।
অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা বলেন, ‘আগেও অর্থনীতিতে সংকট দেখা গেছে। কিন্তু এবারের সংকটের মাত্রা বেশি। জনগণ বিএনপিকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। সবার অংশগ্রহণে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা হবে। আগের সরকার অর্থনীতির নীতি পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিল বিদেশিদের কাছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে চুক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। আমরা আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুসরণ করে তা মেনে চলব।’
ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ‘বাজেট পেশ করার আগেই অনেক গালগল্প শোনা যায়। কিন্তু অর্থমন্ত্রী সংসদে তা উপস্থাপন করার আগে কিছুই বলা যাবে না। কারণ ভুল তথ্য, অপতথ্য বাজারে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। কোনো জিনিসের দাম একবার বেড়ে গেলে তা আর কমে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের অর্থনীতির কৌশল হচ্ছে গণতন্ত্রায়ণ, অর্থাৎ সবার অংশগ্রহণে অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করা হবে। আমরা গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যুব সম্প্রদায়, নারীসহ সবার সমন্বিত প্রয়াস ও অংশগ্রহণে এগিয়ে যেতে চাই। বর্তমানে কর জিডিপির অনুপাত খুবই কম, ৭ শতাংশের নিচে। আমরা ২০৩০ সালে তা ১০ শতাংশে নিয়ে যেতে চাই। সেই লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। কারণ অতীতে ঋণ করেই সব উন্নয়ন কাজ করা হয়েছে। আমাদের সেই বোঝা বহন করতে হচ্ছে।’
জনতার আওয়াজ/আ আ