পিতার স্মৃতির স্পর্শ পেয়ে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:১৬, মঙ্গলবার, ২৬শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

পিতার স্মৃতির স্পর্শ পেয়ে আবেগাপ্লুত প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২৬ ১:৪০ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ২১, ২০২৬ ১:৪০ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত
কিছু দৃশ্য শুধু বর্তমানকে ধারণ করে না, নিমেষেই অতীত ও ভবিষ্যৎকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলে। গাজীপুরের সাতাশ মৌজায় ঠিক তেমনই এক নজিরবিহীন ও আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী হলেন উপস্থিত জনতা।

বুধবার (২০ মে) দেশের প্রথম ‘জাতীয় দুর্যোগ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানের মঞ্চটি তখন কেবল একটি উন্নয়নকাজের সূচনাপর্ব ছিল না; সেটি রূপ নিয়েছিল ইতিহাস ও আবেগের এক অনন্য মোহনায়।

মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ঠিক সেই মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একটি বিশেষ উপহার তুলে দেন গাজীপুরের জেলা প্রশাসক মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া। কোনো মহামূল্যবান সামগ্রী নয়, সেটি ছিল ১৯৭৮ সালের এক ঐতিহাসিক স্মারকচিহ্ন—যা বহন করছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের স্মৃতি।

১৯৭৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর গাজীপুরকে ঢাকা জেলা থেকে আলাদা করে নতুন মহকুমা ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান। সেই ঐতিহাসিক ঘোষণার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি স্মারকচিহ্ন প্রধানমন্ত্রীর জন্য নিয়ে আসেন জেলা প্রশাসক।

উপহারটি হাতে নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর অভিব্যক্তিতে এক অন্যরকম পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী পদের প্রটোকল ছাপিয়ে তিনি যেন মুহূর্তের জন্য হয়ে উঠলেন কেবলই এক অনুগত পুত্র। পরম মমতায় পিতার স্মৃতিবিজড়িত স্মারকটি ছুঁয়ে দেখেন তিনি।

উপস্থিত সবাই দেখছিলেন, শক্ত হাতে দেশের হাল ধরা মানুষটি পিতার স্মৃতির স্পর্শ পেয়ে কতটা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছিলেন। যেন ৪৮ বছর আগের সেই দিনটি এবং পিতার আদর্শের উপস্থিতি তিনি মনেপ্রাণে অনুভব করছিলেন।

উপহারটি পেয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাৎক্ষণিকভাবে নিজের আবেগ ও ভালোলাগার কথা প্রকাশ করেন। এমন একটি স্পর্শকাতর ও অর্থবহ উপহারের জন্য গাজীপুরের জেলা প্রশাসককে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতাও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, মন্ত্রী এবং সুধীসমাজের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত অনেকেই মন্তব্য করেন, ইতিহাসকে এভাবে বাঁচিয়ে রাখা এবং একজন সন্তানের কাছে তার পিতার স্মৃতিকে সযত্নে তুলে ধরার এ প্রয়াস সত্যিই প্রশংসনীয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ