রামিসার হত্যাকারীর বিষয়ে ঢাকা বারের বক্তব্য নিয়ে ফখরুলকন্যার প্রতিক্রিয়া - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:০৯, শনিবার, ২৩শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

রামিসার হত্যাকারীর বিষয়ে ঢাকা বারের বক্তব্য নিয়ে ফখরুলকন্যার প্রতিক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, মে ২৩, ২০২৬ ২:৩০ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, মে ২৩, ২০২৬ ২:৩০ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বড় মেয়ে ড. শামারুহ মির্জা বলেছেন, কোনো আইনজীবী ব্যক্তিগত ক্ষোভ থেকে বলতে পারে, সে রামিসার হত্যাকারীর জন্য ফাইট করবে না। ফেয়ার এনাফ। কিন্তু কোনো বার (আইনজীবী বার) বলতে পারে না।

শুক্রবার (২২ মে) ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টের এক পোস্টে এ কথা বলেন শামারুহ মির্জা।

তিনি বলেন, আপনি আপনার ক্ষোভ থেকে বলতে পারেন, আমি ধর্ষককে মারতে চাই। ফেয়ার এনাফ। কিন্তু রাষ্ট্র বলতে পারে না। রাষ্ট্র বলবে প্রকৃত বিচার হবে এবং দ্রুত। রাষ্ট্রের কাছে যদি জঘন্যতম অপরাধীও থাকে, তার নিরাপত্তার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। রাষ্ট্র তাকে আপনার হাতে তুলে দিতে পারে না।

ফখরুলকন্যা বলেন, আপনার মনে হতেই পারে শরিয়া আইন হলে ধর্ষণ কমে যাবে। কিন্তু ইউরোপে অনেক দেশ আছে যেখানে ধর্ষণ শূন্যের কোঠায়, শরিয়া আইন নেই। আবার প্রচুর মুসলিম দেশে শরিয়া আইন অপরাধ কমাতে পারে না।

শামারুহ মির্জা আরও বলেন, বাংলাদেশে বেশির ভাগ বাচ্চা সেক্সুয়ালি অ্যাসল্টেড হয় তার ঘরে, তার আত্মীয়ের হাতে, প্রতিবেশীর হাতে। ঢাকায় এমন কোনও মেয়ে নেই যে গাউসিয়া তে ব্যাড টাচ পায়নি। জি, এইটা আমাদের পুরুষ জাতি। এখনতো আবার স্ত্রী তার স্বামীকে ধর্ষণ ও খুনে সাহায্য করে।

তিনি আরও বলেন, এবার শুনুন, শুধু আইন দিয়ে এই জঘন্য অসুখ পুরো সারানো যাবে না। ক্যানসারে যেমন সার্জারি লাগে, কেমো লাগে, রেডিয়েশন লাগে, অনেক সাপ্লিমেন্টারি মেডিসিন লাগে, ধর্ষণ কমাতে হলে অনেক কিছু এক সাথে করতে হবে, ধীরে ধীরে।

পেডোফিলিয়া কে আলাদা ক্যাটাগরি করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে বলে শামারুহ মির্জা বলেন, পেডোফিলিয়াদের দ্রুত বিচার আইনে করতে হবে, মাদ্রাসাগুলোকে রেগুলেশনের মধ্যে আনতে হবে, মাদক নির্মূল করতে হবে, সীসার এক্সপোজার কমাতে হবে, সোশ্যাল মিডিয়া ১৬ বছরের নিচে ব্যান করতে হবে, পর্নোগ্রাফি বন্ধ করতে হবে, স্কুল কলেজে শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, বাবা-মায়েদের ওয়ার্কশপ করাতে হবে, আরও অনেক কিছু।

উন্নত দেশের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, আমরা যারা এসব নিয়ে কাজ করি, সরকার নন প্রফিট অর্গানাইজেশনগুলোর সঙ্গে এক সঙ্গে কাজ করে। সোশ্যাল মুভমেন্ট কে ফান্ড করে। আবার শক্ত আইন করে। পেডোফেলিয়া নিয়ে আলাদা পুলিশের টিম আছে। এরা আধুনিক টেকনোলজি দিয়ে শুধু পেডোফাইল শনাক্ত করে এবং শাস্তি দেয়। আমাদের স্কিল্ড রিসোর্স বাড়াতে হবে। সাইবার সিকিউরিটি টিম গঠন করতে হবে।

ফখরুলকন্যা বলেন, বহু বছর আগেই এসব কাজ শুরু করা দরকার ছিলো, হয়নি। সতেরো বছর ধরে তো হাসিনা রেজিম ব্যস্ত ছিলো বিরোধী দল দমন, গুম আর খুনে। এখন দেখা যাক। আমার বিশ্বাস পজিটিভ চেঞ্জ হবে ইনশাআল্লাহ।

পোস্টের শেষে তিনি বলেন, নতুন তরুণ, অনেক রাজনীতিবিদ আছেন। আপনারা দেশের ভবিষ্যৎ। দয়া করে হুজুগে মাতবেন না। মিছিল মিটিং করবেন, কিন্তু মব কে না বলুন । প্রকৃত রাজনীতি করুন। নইলে আপনারাও রক্ষা পাবেন না। ১৪ বছর আগে লিখেছিলাম, নগর পুরলে দেবালয় রক্ষা পায় না। হাসিনাও পায়নি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ