তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে ‘ট্রাম্প’, আনা হলো ফ্যান - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:৩৮, রবিবার, ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

তীব্র গরমে হাঁসফাঁস করছে ‘ট্রাম্প’, আনা হলো ফ্যান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, মে ৩১, ২০২৬ ৫:২৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, মে ৩১, ২০২৬ ৫:২৭ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবিঃ সংগৃহীত
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রে থাকা বিরল অ্যালবিনো মহিষ ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ এখন রাজধানীর মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা-এর অন্যতম আকর্ষণ। গোলাপি-সাদা রঙের এই মহিষ দেখতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন অসংখ্য দর্শনার্থী। প্রাণীটির বিশেষ শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে তার জন্য নেওয়া হয়েছে বাড়তি পরিচর্যার ব্যবস্থাও।

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তীব্র গরমে প্রাণীটিকে স্বস্তি দিতে দিনে দুই থেকে তিনবার গোসল করানো হচ্ছে। পাইপের মাধ্যমে নিয়মিত পানি ছিটিয়ে শরীর ঠাণ্ডা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পাশাপাশি খাঁচার ভেতরে বাতাস চলাচল বাড়াতে স্ট্যান্ড ফ্যান স্থাপন করা হয়েছে। গরমের মাত্রা বিবেচনায় প্রয়োজন হলে আরও অতিরিক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জানা গেছে, বর্তমানে মহিষটিকে প্রতিদিন প্রায় ২৫ কেজি নেপিয়ার ঘাস এবং প্রায় ৫ কেজি ছোলা ও ভুসি খাওয়ানো হচ্ছে। এছাড়া দিনে প্রায় আধা মণ পানি পান করে প্রাণীটি। স্বাস্থ্যগত প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তীতে খাদ্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো হতে পারে বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী দিনে কয়েক দফায় ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-কে খাবার দেওয়া হচ্ছে। সকাল ৯টার দিকে ছোলা ও ভুসি, বেলা ১১টার দিকে ঘাস, দুপুর ২টার পর আবার ঘাস এবং বিকেল ৩টার দিকে পুনরায় ছোলা-ভুসি দেওয়া হয়।

এর আগে বুধবার (২৭ মে) রাতে মহিষটিকে জাতীয় চিড়িয়াখানায় আনা হয়। বর্তমানে এটি ‘এল-০৭’ নম্বর খাঁচায় রাখা হয়েছে। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে খাঁচার সামনে বাংলায় ‘সাদা মহিষ (ডোনাল্ড ট্রাম্প)’ এবং ইংরেজিতে ‘Albino Buffalo’ লেখা পরিচিতি বোর্ডও স্থাপন করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহিষটির পাশের খাঁচায় একটি গয়াল রাখা হয়েছে, যা মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে। তবে গৃহপালিত প্রাণী হওয়ায় এবং পূর্বপরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখতে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’-কে রশি দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের ইতিহাসে ব্যতিক্রমী সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অ্যালবিনো মহিষটিকে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০ হাজার মহিষের মধ্যে মাত্র একটি এমন বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্ম নিতে পারে। ফলে বিরল এই প্রাণীটিকে শুধু দর্শনার্থীদের আকর্ষণ নয়, গবেষণা ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ