জামিন পেলেন কাজী এরতেজা - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৯:৪৮, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

জামিন পেলেন কাজী এরতেজা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, নভেম্বর ৭, ২০২২ ৮:০৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, নভেম্বর ৭, ২০২২ ৮:০৯ অপরাহ্ণ

 

জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় দৈনিক ভোরের পাতার সম্পাদক ও প্রকাশক কাজী এরতেজা হাসানের জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার তার আইনজীবী জামিন আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে গত ৪ নভেম্বর রিমান্ড শেষে আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক মো. মেহেদী হাসান। 

অন্যদিকে আসামিপক্ষে তার আইনজীবী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১ নভেম্বর রাতে রাজধানীর গুলশান এলাকা থেকে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। পরদিন ২ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মোশাররফ হোসেনের আদালত তার জামিন আবেদন খারিজ করে একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। 

২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি রাজধানীর খিলক্ষেত থানায় মামলাটি করেন আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের ভাই সাইফুল ইসলাম ভুঁইয়া। এ মামলায় নর্দার্ন ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু ইউসুফ মো. আব্দুল্লাহকে এর আগে গ্রেফতার করেছিল পিবিআই। রিয়াজুল আলম নামের আরেকজনকেও গ্রেফতার করা হয়। 

তাদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে এবং তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাজী এরতেজাকে গ্রেফতার করা হয়। 

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৩ সালে নর্দান বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের জন্য দক্ষিণখান এলাকার আশিয়ান সিটির পাঁচ বিঘা জমি কেনার জন্য এজাহারনামীয় আসামি আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ, রিয়াজুল আলম ও সেলিম মুন্সীর উপস্থিতিতে স্ট্যাম্পে চুক্তি সই হয়। চুক্তিতে জমির দাম ৫০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়। 

চুক্তিতে আবু ইউসুফ আব্দুল্লাহ ক্রেতা এবং বাকি দুইজন সাক্ষী হিসেবে সই করেন। চুক্তিতে ৮ মাসের মধ্যে সব টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও তারা ৩০ কোটি টাকা দেন। এরপর বাকি ২০ কোটি টাকা না দিয়ে তারা আত্মসাৎ করেন এবং আশিয়ান গ্রুপের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের জাল সই দিয়ে দলিল করেন যে তারা সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করেছেন বলে দাবি করেন। জাল দলিলে জমির দাম ৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা উল্লেখ করা হয়।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ