গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি চাল কালোবাজারির অভিযোগ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:৫৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

গুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি চাল কালোবাজারির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ১০, ২০২৩ ৪:২৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ১০, ২০২৩ ৪:২৪ অপরাহ্ণ

 

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ ভোটমারী খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ফেরদৌস আলমের বিরুদ্ধে কালোবাজারে চাল ক্রয় ও বিক্রয়ের অভিযোগ উঠেছে। গত রবিবার ভোরে ওই গুদামে দুই ভ্যান চাল গোপনে ঢুকানো হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে তাড়াহুড়া করে তা আবার বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গুদাম কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম।

ওই ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী খাদ্য গুদাম এলাকার বাসিন্দা বিষ্ণ মোহন্ত ও মনি বাবু রায় জানান, সরকার ১৫ টাকা কেজি দরে চাল তালিকা ভুক্ত সুবিধাভোগীদের মাঝে বিক্রয় করে আসছেন। ভোটমারী খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম সেই চাল তার পরিচিত খাদ্য গুদাম এলাকার বাসিন্দা এনামুল হকের মাধ্যমে খোলাবাজার থেকে ক্রয় করেন। সেই চালগুলো আবারও প্যাকেটজাত করে মিল মালিকদের ম্যানেজ করে কৌশলে গুদামে ঢুকিয়ে সরকারের কাছে বিক্রি করেন। এতে যা লাভ হয় তা ওই গুদাম কর্মকর্তাসহ এ অনিয়মের সাথে জড়িতরা ভাগাভাগি করে নিয়ে থাকেন।

গুদাম এলাকার বাসিন্দা মমিদুল ইসলাম জানান, প্রায় দিনের মতোই রবিবার ভোর রাতেও দুই ভ্যান চাল এনামুলের মাধ্যমে গুদামে ঢুকানো হয়। এ সময় স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা এ দৃশ্য দেখে ফেলেন এবং ভিডিও করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে তাড়াহুড়া করে সেই চাল আবার বের করে নিয়ে যাওয়া হয়।

ওই এলাকার বাসিন্দা ও চাল কালোবাজারে কেনা-বেচার সাথে জড়িত এনামুল হকের সাথে কথা বলেও এ ঘটনার সত্যতা মিলে। ভোর রাতে ওই চাল গুদামে ঢুকানোর সাথে তিনি জড়িত নয় বলে দাবি করলেও দুই ভ্যান চাল ঢুকতে তিনি দেখেছেন বলেন জানান। চালগুলো কার তা তিনি না জানলেও তা দেখে ১৫ টাকা কেজির সরকারি চাল বলে জানান।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আহেদুল ইসলাম জানান, ভোটমারী খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ফেরদৌস আলমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ নতুন কিছু নয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি এ কালোবাজারে সরকারি চাল কেনা-বেচার সাথে জড়িত। আর এসবের প্রতিবাদ করলেই চাঁদাবাজি মামলার হুমকি দেয়। রবিবার ভোর রাতে গুদামে চাল ঢুকানোর বিষয়টি তিনিও শুনেছেন বলে জানান।

তবে ভোটমারী খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা ফেরদৌস আলম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, স্থানীয় এক যুবক আমার কাছে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা কথা রটাচ্ছে। জেলা খাদ্য কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। ভোর রাতে চাউল ঢুকানোর কোনো সুযোগ নেই। খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ