তাণ্ডব চালানো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা মানুষের হৃদয়ে করা হচ্ছে - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১২:৫৯, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

তাণ্ডব চালানো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা মানুষের হৃদয়ে করা হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুলাই ৩০, ২০২৩ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জুলাই ৩০, ২০২৩ ১:১৮ পূর্বাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর শেখ হাসিনার তাণ্ডব চালানো দলীয় চেতনায় গড়ে তোলা আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, ‘অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন বিএনপি নেতাকর্মীদের ছেঁকে ছেঁকে ধরা হবে আমি বলি তাণ্ডব চালানো আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর তালিকা মানুষের হৃদয়ে হৃদয়ে করা হচ্ছে। কারণ সংবিধান থেকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা মুছে দিয়ে শেখ হাসিনা ভোটারদের প্রতি চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। সারাদেশের মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করছে এক দফার আন্দোলনের নানা কর্মসূচিতে। তাই শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীরা ক্ষুব্ধ ও বিকারগ্রস্ত। প্রতিশোধের নেশায় তারা অস্থির হয়ে উঠেছে। এই কারণেই দলীয় চেতনায় গড়ে তোলা আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় সন্ত্রাসীদেরকে ফ্রি লাইসেন্স দেয়া হয়েছে বিএনপি’র কর্মসূচিতে আক্রমণ চালানোর।’

শনিবার (২৯ জুলাই) রাতে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘গতকাল বিএনপি’র উদ্যোগে ঢাকায় অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে মানুষের বাঁধভাঙ্গা ঢলে শেখ হাসিনার হিংসা বৃদ্ধি পেয়েছে অতুগ্র্য মাত্রায়। তাই গতকালের মহাসমাবেশ থেকে ঘোষিত আজকে ঢাকা মহানগরে প্রবেশ পথে অবস্থান কর্মসূচিকে তারা রক্তের হোলি খেলায় পরিণত করেছে। বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবে ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে উপস্থিত হলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সাঁড়াশী আক্রমণ শুরু করে। তাদের সাথে যোগ দেয় সরকারদলীয় সশস্ত্র ক্যাডার’রা। ব্যাপক গুলিবর্ষণ, অজস্র কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ ও বেপরোয়া লাঠিচার্জে অগণিত নেতাকর্মীকে গুরুতর আহত করা হয়।

এই নারকীয় আক্রমণের হাত থেকে রেহাই পাননি দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তাঁকে রাস্তার ওপর ফেলে দিয়ে মাথায় ও হাতে-পায়ে নির্দয়ভাবে আঘাত করা হয়। ধোলাইখালের অবস্থান কর্মসূচিতে এই মনুষ্যত্বহীন আক্রমণ চালানো হয় বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এর ওপর। গাবতলী’র অবস্থান কর্মসূচি থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহবায়ক ও সাবেক মন্ত্রী আমান উল্লাহ আমানকে টেনে হিঁচড়ে পুলিশ আটক করে। উপর্যপুরি আঘাত করতে করতে গ্রেফতার করা হয় কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (ঢাকা বিভাগ) এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদকেও। আজকে পুলিশ এবং আওয়ামী ক্যাডারদের যৌথ এ্যাকশনে শেখ হাসিনার ব্যাপক জুলুম-নিপীড়নের আরেকটি নৃশংস অধ্যায় রচিত হলো।

বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, ‘আওয়ামী সরকারের পদে পদে ব্যর্থতা। দুর্নীতি, গুম, হত্যা, লক্ষ কোটি টাকা লুট করে বিদেশে পাচার সবক্ষেত্রেই তারা এক নম্বর। দেশের সম্পদ লুন্ঠনের পথ খুলে দেয়ার উদ্দেশ্য-এসব সম্পদ যেন আওয়ামী নেতাকর্মীদের পকেটে গিয়ে জমা হয়। দিনকে দিন বিএনপি’র সমাবেশে, মিছিলে অসংখ্য মানুষ যোগ দিচ্ছে। এতে সরকার ভীত হয়ে পড়েছে। আর এজন্য বিএনপি’র কর্মসূচিতে জুলুমের গতি বাড়িয়ে দিয়েছে। বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে নিরীহ নেতাকর্মীকে বেছে বেছে খুন, জখম করার পরেও এদের কখনোই শাস্তি হয়নি বলে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা সহিংস কার্যকলাপ চালাতে উৎসাহিত হচ্ছে। এই দুবৃর্ত্তরা দেশের সামাজিক, রাজনৈতিক পরিবেশ শতধাবিভক্ত করে হানাহানিতে ক্লেদাক্ত করেছে।’

রিজভী বলেন, ‘আজকের অবস্থান কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশকে অবহিত করা হলেও পুলিশ সেটিকে অগ্রাহ্য করে শেখ হাসিনার মনতুষ্টির জন্য দমনের যে ভয়ঙ্কররুপে আত্মপ্রকাশ করেছে তা নজীরবিহীন। বৃষ্টির মতো গুলিবর্ষণ এবং বেধড়ক লাঠিচার্জের মাধ্যমে শারীরিক ক্ষতি ও নির্বিচারে গ্রেফতারের যে হিড়িক দেখা গেল তা আওয়ামী অবৈধ কতৃর্পক্ষের এক নির্লজ্জ নাৎসীরুপের হিংস্রর বহি:প্রকাশ।
আজ শনির আখড়া, মাতুয়াইল, ধোলাইখাল, গাবতলী, উত্তরা, আব্দুল্লাপুর, সাইনবোর্ড এলাকা ছিল রক্তাক্ত প্রান্তর। অসংখ্য গুরুতর আহত নেতাকর্মী এখন হাসপাতালে হাসপাতালে কিংবা বাসাবাড়ীতে কাতরাচ্ছে। আহত নেতাকর্মীদের গ্রেফতারের জন্য হাসপাতালেও হানা দিচ্ছে পুলিশ।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব বলেন, ‘আজকে ঢাকার প্রবেশ পথে বিএনপি’র অবস্থান কর্মসূচি ছিল এক দফার চলমান আন্দোলনের কর্মসূচি। শেখ হাসিনার পদত্যাগসহ নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার পুনপ্রতিষ্ঠার এক দফা আন্দোলন এখন জনগণের দাবিতে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘আমি দ্বিধাহীন কন্ঠে আজকের আওয়ামী আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিএনপি’র নেতাকর্মীদের ওপর যৌথ আক্রমণের তীব্র নিন্দা ও ধিক্কার জানাচ্ছি। এ্যাডভোকেট সালামসহ গ্রেফতারকৃত সকল নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করছি। আহত নেতাকর্মীদের আশু সুস্থতা কামনা করছি।দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমানে রাজনৈতিক জাগরণ তরান্বিত হয়েছে। তিনি জনগণের সংগ্রামী ঐক্য, সংকল্প ও বীরত্বের দ্বারা অবৈধ আওয়ামী সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে আহবান জানিয়েছেন।

সরকারের পদত্যাগসহ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফার দাবীতে আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল— বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে গ্রেফতার, হামলা ও মামলার বিবরণ তুলে ধরে রিজভী বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফার দাবীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় গুরুতর আহত হন—বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বাবু গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

ডাকসু’র সাবেক ভিপি, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টো কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহ্বায়ক— আমান উল্লাহ আমান।

এছাড়াও গাজীপুর জেলা বিএনপি’র সভাপতি ফজলুল হক মিলন, ঢাকা জেলা বিএনপি’র সভাপতি আবু আশফাক, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোর্রেশনের জনতার মেয়র প্রার্থী ও দক্ষিণ বিএনপি’র সম্মানিত সদস্য ইঞ্জি. ইশরাক হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক এ্যাড. সাখওয়াত হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব আবু আল ইউসুপ খান টিপু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মকভাবে আহত হন।

তিনি বলেন,এছাড়াও আজকের এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ঢাকা বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আব্দুস সালাম আজাদ গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শওকত হোসেন সরকার, কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক উদরাতুল বারি আবু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আফসান ইয়াহিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

রিজভী জানান, আজকের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আহত হয়েছে ৫০০ জন গ্রেফতার ১২৪ জন। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুর রহমান,আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী(দফতরে সংযুক্ত),তারিকুল ইসলাম তেনজিং (দফতরে সংযুক্ত)কৃষক দলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ফ্যাসিস্ট হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফার দাবীতে আজ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল— বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে গ্রেফতার, হামলা ও মামলার বিবরণ
আহত ঃ
 ফ্যাসিস্ট হাসিনার পদত্যাগসহ নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের এক দফার দাবীতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল— বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় গুরুতর আহত হন— বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বাবু গয়েশ^র চন্দ্র রায়। (ছবি সংযুক্ত)
ডাকসু’র সাবেক ভিপি, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টো কাউন্সিলের সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপি’র আহ্বায়ক— আমান উল্লাহ আমান। (ছবি সংযুক্ত
এছাড়াও গাজীপুর জেলা বিএনপি’র সভাপতি— ফজলুল হক মিলন, ঢাকা জেলা বিএনপি’র সভাপতি— আবু আশফাক, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক— শহিদুল ইসলাম বাবুল, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কপোর্রেশনের জনতার মেয়র প্রার্থী ও দক্ষিণ বিএনপি’র সম্মানিত সদস্য ইঞ্জি. ইশরাক হোসেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক— এ্যাড. সাখওয়াত হোসেন (ছবি সংযুক্ত), নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপি’র সদস্য সচিব আবু আল ইউসুপ খান টিপু গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মকভাবে আহত হন।
গ্রেফতার ঃ
 এছাড়াও আজকের এই শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে ঢাকা বিভাগীয় বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আব্দুস সালাম আজাদ (ছবি সংযুক্ত), গাজীপুর মহানগর বিএনপি’র সভাপতি— শওকত হোসেন সরকার, কুমিল্লা মহানগর বিএনপি’র আহ্বায়ক উদরাতুল বারি আবু, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু আফসান ইয়া—হিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আজকের অবস্থান কর্মসূচির ৫টি স্থানে গ্রেফতার ও আহত নেতৃবৃন্দের বিবরণ ঃ
নয়াবাজার ইউসুফ মার্কেট ঃ
 আহত ঃ আজ বিএনপি’র শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে নয়াবাজারস্থ ধোলাইখালে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তান্ডবলীলায় এবং পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলিতে গুরুতর আহত কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ—সভাপতি নুরুল ইসলাম নয়ন, সদস্য— ফিরোজ আব্দুল্লাহ; কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ—সাধারণ সম্পাদক হাজী মোজাম্মেল হক মিন্টু সওদাগর, সদস্য এ কে এম হারুন অর রশিদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিনের আহ্বায়ক হাজী কামাল হোসেন, ডেমরা থানা কৃষকদলের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম, সদস্য শাহিন, আসাব উদ্দীন, মনির হোসেন, আরমান, সিহাব, আলমগীর হোসেন, বিল্লাল হোসেন, সবুজ মিয়া, সাইফুল ইসলাম; ৬৪ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক তুহিন, সূত্রাপুর থানা বিএনপি’র সহ—সভাপতি কাইয়ুম ব্যাপারী, ৩৮ নং ওযার্ড বিএনপি নেতা গুড্ডু, সূত্রাপুর থানা বিএনপি নেতা— সঞ্জিব দেব জনি, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি— মনিরুল ইসলাম লিটন, বরগুনা জেলা যুবদলের সভাপতি— জাহিদ মোল্লা, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ—সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, পিরোজপুর জেলা যুবদলের সহ—আইন বিষয়ক সম্পাদক আল ইমরান,পটুয়াখালী জেলা বিএনপি’র সহ—পাঠাগার সম্পাদক— সাজিদ বাবু, রংপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক— আকিবুর রহমান মনু, জেলা যুবদল নেতা— সালেনুর, নারায়ণগঞ্জ যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক— শাহেদ আহম্মেদ, যুবদল নেতা— হারুন, যুবদল নেতা— আজিজুল বারি, আরিফ খান, শাহিন শরীফ, সাফিন; পাবনা জেলাধীন সাঁথিয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক— এস এম মাসুদ রানা, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য— মোর্শেদ আলম, সবুজবাগ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— মোঃ জামাল হোসেন, মোঃ ফজলে, সূত্রাপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক— নাদিম হোসেন, কামরাঙ্গীচর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহবায়ক— মনির, ইসমাইল, রিয়াজ, শাহবাগ থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— মিরাজ হোসেন, যাত্রাবাড়ী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— জিয়াউর রহমান জীবন, কোতয়ালী থানা স্বেচছাসেবক দল নেতা— হুমায়ন কবির সৈকত, কদমতলী থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— মামুন হোসেন, মোঃ হানিফ, মোঃ ইদ্রিস, মোঃ জোবায়ের আলম সুমন, মোঃ শিপন, মতিঝিল থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— মোঃ হোসেন, পল্টন থানা স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— খন্দকার কবির হোসেন, চকবাজার থানা বিএনপি নেতা আনোয়ারুল হক রনি, কলাবাগান থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ওবায়দুল হক সৈকত, খিলগাঁও মডেল কলেজের সদস্য সচিব ফারুক মিয়া, পল্টন থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমতিয়াজ, ১৬ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজান আহম্মেদ শান্ত, যুগ্ম আহ্বায়ক রিমি, আলমগীর হোসেন, নকিব; শাহবাগ থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক— ইমাম হাসান রাকিব; ধানমন্ডি থানা ছাত্রদল নেতা চঞ্চল, নিউমার্কেট থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল, শাহিন; কলাবাগান থানা ছাত্রদল নেতা মোঃ সবুজ মিয়া, ৫১ নং ওয়ার্ড বিএনপি নেতা তৈয়ব আলী সহ শতাধিক নেতৃবৃন্দ।
গাবতলী ঃ
 আহত ঃ শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ—সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক (ছবি সংযুক্ত), মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সদস্য শরিফুল ইসলাম চান, সাটুরীয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক— মহসিন উজ্জামান, শ্রমিকদলের সহ—সম্পাদক— আবু বক্কর রুবেল, ছাত্রদল নেতা— জাহাঙ্গীর আলম, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক— সবুজ হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা— রাসেল হোসেন, জাহাঙ্গীর, মোঃ সোহেল, মোঃ জিহাদ, আব্দুল্লাহ, আবু তালেব, রাব্বি, বিজয়, কলাবাগান থানা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি মনির হোসেন সহ অসংখ্য নেতাকমীর্কে গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও পুলিশের নির্বিচারে গুলিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবক দল কমীর্ আবু আব্বাস (ছবি সংযুক্ত), সহ প্রায় শতাধিক নেতাকমীর্ গুরুতর আহত হয়ে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।
 গ্রেফতার ঃ শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ হামলা চালিয়ে আদাবর থানা কৃষকদল নেতা সবুজ, রূপনগর থানাধীন ৯২ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ মশিউর রহমান, দক্ষিণ খান থানার ৪৭ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের সদস্য সচিব— মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও কাফরুল থানাধীন ১৬নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শনির আখড়া ঃ
 গ্রেফতার ঃ শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশ ববের্রাচিত হামলায় চালিয়ে দাউদকান্দি ছাত্রদল নেতা— মোঃ কাউসার মোল্লা, সোহাগ প্রধান, সাকিল চৌধুরী, তুষার সরকার, আলমগীর আহম্মেদ তালুকদার, মেহেদী হাসান মিহাদ, আরিফ হোসেন, রায়হান উদ্দীন রনি, দ্বেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রদল নেতা— নাজমুল সরকার, শরীফ, পারভেজ, সাকিল, সোলায়মান, হোসেন, সাদেক, বিল্লাল, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক— বেলায়েত হোসেন বুলু ও যুগ্ম সম্পাদক জহিরুল হক টুটুল, কুমিল্লা মহানগর যুবদল সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম তারেক, শ্যামপুর থানা বিএনপি নেতা— সালাউদ্দীনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উল্লেখ্য যে, শ্যামপুর থানা বিএনপি নেতা— সালাউদ্দীনকে গ্রেফতার করার পর এখন পর্যন্ত তার কোন খেঁাজ পাওয়া যায়নি।
 আহত ঃ এছাড়াও পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হামলায় আহত হন— যাত্রাবাড়ী থানা মৎস্যজীবী দল নেতা— মিলন, শহিদ, অপু, জামাল, কুমিল্লা মহানগর মৎস্যজীবী দলের যুগ্ম আহবায়ক দেওয়ান, নারায়ণগঞ্জ মৎস্যজীবী দলের নেতা সাকিল, সোহাগ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক জেড আই কামাল, কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার যুগ্ম সম্পাদক— আশরাফুল ইসলাম সৈনিক, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আলম বিপ্লব, দক্ষিণ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক— তাজ মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম রফিক, গোলাম রাব্বানী রবিন, কামরুল ইসলাম তপু, রুবেল আহম্মেদ রানা; শ্যামপুর থানা ছাত্রদল নেতা— মোঃ রাকিব হোসেন, মোঃ তারেক; কদমতলী থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়কা— নজরুল ইসলাম, আশিকুর রহমান সুজন, মোঃ জহির, মোঃ জীবন, ছাত্রদল নেতা আরিফিন আরিফ; বংলাশ থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বয়াক এম এ মান্নান হীরা, আশিকুর রহমান হীরা, ইমরান হোসেন আকাশ, ছাত্রদল সদস্য নূর হোসেন মনা, ৩৩ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ ইয়াসিন, সাধারণ সম্পাদক দীপু ইসলাম ইমন, ৩৫ নং ওয়ার্ড সভাপতি পারভেজ রেজা, যুগ্ম আহ্বায়ক এমরান আহম্মেদ, লালবাগ থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব নেছার উদ্দীন বাপ্পি, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক জুনায়েদ হাসান, ২৬ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিল মাতুব্বর, চকবাজার থানা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাসনাই রনি, ছাত্রনেতা ইমরান; কামরাঙ্গীচর থানা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বরকত উল্লাহ ফয়সাল, যুগ্ম আহ্বায়ক মোজাম্মেল হোসেন মায়া; ওয়ারী থানা ছাত্রদলের সদস্য সচিব রাব্বি ইসলাম নাঈম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোবারক হোসেন মুন্না, ৩৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলে সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আরিয়ান রবিন, মোঃ আশিক; সরোয়াদীর্ কলেজের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জসিম, যুগ্ম আহ্বায়ক সাকিল আহম্মেদ সেতু, সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা ছাত্রদল নেতা সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, মোনায়েম বিল্লাহ মারুফ, ডেমরা থানা ছাত্রদল নেতা নুরুদ্দীন, সাইদুল ইসলাম, শ্যামপুর থানা কৃষকদল নেতা আসাদ উদ্দীন, মনির খন্দকার, যাত্রাবাড়ী থানা কৃষকদল নেতা পারভেজ; ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক— সুমন ভূইয়া, শ্যামপুর থানা শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক আকতার হোসেন, রিকশা—ভ্যান শ্রমিক দলের সভাপতি সিরাজ হাওলাদার, পটুয়াখালী সদর শ্রমিক দল নেতা— জাকির ফকির, সালাম হাওলাদার, মনির হোসেন, ৩৮ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক সগির, খিলগাঁও থানা শ্রমিকদল নেতা মাসুদ, মিজান, ৫৯ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মিজান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শ্রমিকদ নেতা শাহ আলম মোল্লা, গেন্ডারিয়া শ্রমিক দলের আহবায়ক ইয়াসিন, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সেলিম, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ শাহিন, মোঃ নাসির সোহরাব, ১৫ নং ওয়ার্ড শ্রমিক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুম, যাত্রাবাড়ী থানা শ্রমিক দলের সদস্য সচিব মোঃ জুয়েল, ৪৫ নং ওয়ার্ড শ্রমিকদল নেতা আবদুল করিম, ৫১ নং ওয়ার্ড শ্রমিকদল নেতা তৈয়ব আলী। এছাড়াও ৬৩ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র যুব বিষয়ক সম্পাদক— লিটন মিয়া, বিএনপি নেতা— স্বপন, হাফিজুর রহমান, মোঃ নাদিম, মোঃ আল—আমিন, গেন্ডারিয়া থানা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক ইয়াসিন, যুগ্ম আহ্বাযক মোঃ সেলিম, সদস্য সচিব জাহাঙ্গীর আলম সহ বেশ কয়েকজন নেতাকমীর্ গুলিবিদ্ধ হয়।
মুক্তি স্মরণী ঃ
 আহত ঃ শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে মুক্তি স্মরণীতে পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বর্বরোচিত হামলায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান এবং ফতুল্লা থানা বিএনপি’র সভাপতি শহিদুল ইসলাম টিটু চোখে গুলিবিদ্ধ হয়। এসময় প্রায় ৫০ জনের অধিক নেতাকমীর্ গুরুতর আহত হয়।
 গ্রেফতার ঃ অবস্থান কর্মসুচি থেকে পুলিশ নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সদর থানা বিএনপি’র আহ্বায়ক এ্যাড. আনোয়ার প্রধান, যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর প্রধান সহ বেশ কয়েকজন নেতাকমীর্কে গ্রেফতার করে।
উত্তরা ঃ
গ্রেফতার ঃ শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে জামালপুর কেন্দুয়া কালীবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক— রাজা ভূইয়া, গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী পূর্ব থানার মোঃ আদনান খান, বনানী থানা কৃষকদল নেতা কাউছার, উত্তর খান থানা কৃষকদল নেতা শিমুল, ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদল নেতা শান্ত, গাজীপুর মহানগরস্থ কাশেমপুর থানা যুবদলের আহ্বায়ক এম সাইফুল ইসলাম শাহীন, কালিয়াকৈর উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসনাথ মোঃ শাহিন সহ অসংখ্য নেতাকমীর্কে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আহত ঃ অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশী হামলায় আহত হন— দক্ষিণ খান থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক— নাজিদ উদ্দীন দেওয়ান, ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক— তাজুল ইসলাম, ৪৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সহ—সভাপতি— মনির হোসেন, রামপুরা থানা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক— নিলুফা ইয়াসমিন নিলু (ছবি সংযুক্ত), খিলক্ষেত থানা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক— পান্না ইয়াসমিন, ২২ নং ওয়ার্ড যুবদল নেতা— রাজিব, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্য— শামীম আহম্মেদ, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সিরাজুল ইসলাম, তারাকান্দা কলেজের ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন ফকির, কৃষক দলের সভাপতি শাহিন কবির, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ—সভাপতি নাদিম সরোয়ার টিটু, ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আলী হোসেন, ত্রিশাল থানা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আউয়াল ফরাজী, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপি’র ১ম যুগ্ম আহ্বায়ক আজমুল হুদা মিঠু, ৩৯ নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সহ—সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ সহ অসংখ্য নেতাকমীর্ গুরুতর আহত হয়।
*গোপালগঞ্জ টঙ্গীপাড়া উপজেলা পৌর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এমদাদকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার নিজ বাড়ী থেকে তুলে নিয়ে পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুলের অফিসে নিয়ে বেঁধে রেখে ব্যাপক মারধর করে গুরুতর আহত করে। তিনি এখন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়াও বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ীতে বাড়ীতে হামলা ও ভাংচুর চালাচ্ছে আওয়া সন্ত্রাসীরা।
আহত সাংবাদিকদের তালিকা
শুধু তাই নয়, সচিত্র সংবাদ সংগ্রহকালে দায়িত্বরত সাংবাদিকরাও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী সন্ত্রাসীদের ববের্রাচিত হামলা থেকে রেহাই পায়নি। পুলিশী হামলায় আহত হন— অনলাইন এক্টিভিস্ট মাহফুজ কবির মুক্তা, যমুনা টেলিভিশনের রিপোর্টার শরিফুল ইসলাম, মানবজমিন পত্রিকার রিপোর্টার নূরে আলম জিকু, মোহনা টেলিভিশনের রিপোর্টার হুমায়ন কবির, নিউজ—২৪’র রিপোর্টার আরেফিন সাকিল ও ক্যামেরা পার্সন আজনবী, চ্যানেল আই’র রিপোর্টার আক্তার হোসেন ও ক্যামেরা পার্সন মনির হোসেন; দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ফটো সাংবাদিক এস এ মাসুম, দৈনিক কালবেলা পত্রিকার নাসির উদ্দীন। এছাড়াও পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় যুগান্তর পত্রিকার সাংবাদিক তারিকুল ইসলাম, মিডিয়া সেলের প্রতিনিধি নুরুল আমিনের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা।
আজকের অবস্থান কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আহত গ্রেফতার হওয়ার সংখ্যা ঃ
আহত = ৫০০ জন
গ্রেফতার = ১২৪ জন
গত ১৯ মে ২০২৩ তারিখ হতে অদ্যাবধি পর্যন্ত বিএনপি’র কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ঃ—
মোট মামলা ৩২০ টি
মোট গ্রেফতার ১৫১৪ জন
মোট আসামী প্রায় ১, ৪৫০’র অধিক নেতাকর্মী।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ