ঢাকায় স্বাছন্দময় যাতায়াতের কোনো গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনও গড়ে উঠেনি’ - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:৩২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ঢাকায় স্বাছন্দময় যাতায়াতের কোনো গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনও গড়ে উঠেনি’

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩ ৫:২৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩ ৫:২৫ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে শিক্ষা, সাংস্কৃতি, ব্যবসা-বানিজ্য, আত্মসামাজিক অবস্থাসহ গড়-জিডিপিতেও এশিয়ার বহু দেশের তুলনায় বাংলাদেশ এগিয়ে আছে তারপরও ঢাকায় গণমানুষের আরামদায়ক, স্বাছন্দময় যাতায়াতের কোনো গণপরিবহন ব্যবস্থা এখনও গড়ে উঠেনি। কিন্তু বেসরকারী খাতে পরিচালিত আমাদের আন্তঃজেলা বাস সার্ভিসগুলো পৃথিবীর উন্নত বিশ্বের সাথে তুলনা করা যায় বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে যাত্রী অধিকার দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এসব কথা জানান সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। যাত্রী অধিকার দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য ‘সড়ক পরিবহন আইনে যাত্রীদের অধিকার চাই।’

তিনি বলেন, সরকার বাসের ভাড়া নির্ধারণ করেন মালিকদের প্রেসক্রিপসন অনুযায়ী। অথচ আন্তর্জাতিক ক্রেতা ভোক্তা অধিকার আইন অনুযায়ী বাস ভাড়া নির্ধারণ কমিটিতে বাস মালিকদের সংখ্যা অনুপাতে যাত্রী বা ভোক্তা প্রতিনিধি রাখার বিধান থাকলেও নতুন সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী বাস ভাড়া নির্ধারণ কমিটিতে মালিক-শ্রমিক সরকার মিলে মিশে ভাড়া নির্ধারণ করছে। এতে করে কখনো কখনো সরকার বাস মালিকদের পকেটে ঢুকে পরে ইচ্ছে মতো ভাড়া বাড়িয়ে দিচ্ছে। তাই যাত্রী তথা জনস্বার্থে সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ সংশোধন পূর্বক বাস ও গণপরিবহনের ভাড়া নির্ধারণ কমিটিতে বাস মালিকদের সংখ্যানুপাতে যাত্রী প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার বিধান সংযুক্ত করার দাবী জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, বাসের রুট পারমিট তথা রুট অনুযায়ী বাসের সিলিং নির্ধারণ, ইকোনমিক লাইফ নির্ধারণ, বাসস্টপেজ নির্ধারণ, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় মনিটরিং কমিটি, সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের আর্থিক সহায়তা তহবিল, বিআরটিএ, বিআরটিসি, সওজ, মেট্রোরেল পরিচালনা পর্ষদ, যাবতীয় টোল নির্ধারণ, পরিবহন আইন ও বিধি বিধান তৈরী ও সংশোধন, সংযোজনে, যাত্রী সাধারণের জন্য সুযোগ সুবিধা নির্ধারণের প্রতিটি কমিটিতে যাত্রী সাধারণের প্রতিনিধি রাখার বিষয়টি সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ তে অন্তর্ভুক্ত করার দাবী জানাচ্ছি।

আলোচনায় অন্যান্যরা বলেন, যাত্রী সাধারণের সাথে সরকারের কার্যকর যোগাযোগের উপায় না থাকায়, নানান ভাবে হয়রানির শিকার দেশের যাত্রীরা প্রতিকার পায় না। এতে দেশের যাত্রী সাধারণ অসহায় হয়ে পড়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সরকার নানাভাবে চেষ্টা করেও এই সেক্টরে শৃঙ্খলা ফেরাতে ব্যর্থ হওয়ায় নতুন সড়ক পরিবহন আইনের দাবী উঠে। নাগরিক সমাজের দাবীর প্রেক্ষিতে নতুন সড়ক পরিবহন আইন পাস হয়। নতুন সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ তে পরিবহন পরিচালনার ও যাত্রী সাধারণের সুযোগ সুবিধা প্রদানের নানাবিধ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে যাত্রী সাধারণ তথা জনসাধারণের মতামত ও অংশগ্রহণের সুযোগ না রাখায় এই আইন বাস্তবায়নের দীর্ঘ ৪ বছরেও নতুন আইন ও পুরনো আইনের তেমন কোনো পার্থক্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।

আলোচনায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি তাওহিদুল হক লিটন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ