অনলাইনে যোগাযোগ অত:পর জঙ্গিবাদের জন্য টেকনাফে অবস্থান - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:২৩, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

অনলাইনে যোগাযোগ অত:পর জঙ্গিবাদের জন্য টেকনাফে অবস্থান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, জানুয়ারি ২, ২০২৩ ৩:৫১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, জানুয়ারি ২, ২০২৩ ৩:৫১ অপরাহ্ণ

 

অনলাইনের প্রচারণার মাধ্যমেই জঙ্গি হতে উৎসাহিত করা হয় সকলকে। বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট পোস্ট করে সেগুলোতে রিয়েক্ট প্রদানকারীদের টার্গেট করে দলে ভেরানো হত। গ্রেপ্তার ছয় হিজরতকারীও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অনলাইন ভিত্তিক অ্যাপসে যোগাযোগ করেই একত্রিত হন।

এরপর তারা টেকনাফের স্থানীয় সহযোগীদের নিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে জঙ্গিবাদের জন্য টেকনাফে অবস্থান করছিলেন। এমনটা জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম এন্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান।

সোমবার (২ জানুয়ারি) মিন্টো রোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান মো. আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, রবিবার (১ জানুয়ারি) সিটিটিসির একটি দল রাজধানীর সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল, চট্টগ্রাম ও টেকনাফ এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আব্দুর রব, মো. সাকিব, মো. শামীম হোসেন, মো. নাদিম শেখ, মো. আবছার এবং মো. সাইদ উদ্দিন।

সিটিটিসির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘গ্রেপ্তার আব্দুর রব একজন কোরআনে হাফেজ। তিনি কওমি মাদ্রাসায় পড়াশুনা করে ২০১৯ সালের জুনে সৌদি আরব চলে যান। সৌদিতে অবস্থানকালে তিনি অনলাইনে বিভিন্ন জিহাদি পোস্ট ও ভিডিও দেখে জিহাদের জন্য অনুপ্রাণিত হন। অনলাইনে রোহিঙ্গা নির্যাতনের একটি ভিডিও কমেন্টের সূত্রধরে সাঈদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। একইভাবে শামীম, সাকিব, নাদিমসহ আরও কয়েকজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। আব্দুর রব সমন্বয়ক হয়ে সবাইকে অনলাইনে একত্রিত করে শরীয়াহ ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠন, জিহাদ, প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন। পরবর্তীতে তাদের অনলাইনে বিদেশে অবস্থানরত এক বাংলাদেশি সহযোগীর সঙ্গে পরিচয় হয় এবং অডিও-ভিডিও কলে যোগাযোগ স্থাপন করে। বিদেশে অবস্থানরত ওই ব্যক্তি সবাইকে হিজরত করে জিহাদের জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। পরবর্তীতে সেই সদস্য লিবিয়ায় অবস্থানরত আরও একজন বাংলাদেশি এবং টেকনাফের স্থানীয় একজনের সঙ্গে সবার পরিচয় করিয়ে দেয়। সম্মিলিত আলোচনায় সিদ্ধান্ত হয় আব্দুর রব, শামীম, সাকিব, নাদিম, সাইদসহ অন্য যারা হিজরতে রাজি তারা প্রথমে টেকনাফ গিয়ে তাদের স্থানীয় সহযোগীদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নেবেন। পরবর্তীতে তারা বাংলাদেশে ইসলামি শাসন কায়েমের জন্য জিহাদ করবেন।’

মো. আসাদুজ্জামান জানান, গত নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে সবাইকে নিজ-নিজ ব্যবস্থাপনায় টেকনাফে যাওয়ার পরামর্শ দিলে ১৬ নভেম্বর সাকিব ও নাদিম টেকনাফ যান এবং স্থানীয় সহযোগী ও আটককৃত আবছার তাদেরকে টেকনাফে ভাড়া বাসায় থাকার ব্যবস্থা করেন। আব্দুর রব ছুটি না পাওয়ায় যথাসময়ে দেশে আসতে ব্যর্থ হলে তারা টেকনাফের বাসায় অবস্থান করে তার জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন।

গত ২২ নভেম্বর আব্দুর রব দেশে আসলে তার সহযোগী শামীম ঢাকা বিমানবন্দর থেকে রিসিভ করে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাদের অন্য সহযোগী ভাড়া করা বাসায় নিয়ে যান। সেখানে অবস্থান করে বিভিন্ন পরামর্শ করেন। দুদিন পর তারা দুইজন গ্রেপ্তারকৃত সাকিবদের সঙ্গে মিলিত হন এবং তাদের অন্য সহযোগীদের জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ