আটক ৬ পরীক্ষার্থী‍র পাশে নেই পরিবার, রাস্তায় নামার ‘নেপথ্য’ খুঁজছে পুলিশ - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:৩২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আটক ৬ পরীক্ষার্থী‍র পাশে নেই পরিবার, রাস্তায় নামার ‘নেপথ্য’ খুঁজছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, আগস্ট ৭, ২০২৩ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, আগস্ট ৭, ২০২৩ ৬:৩৬ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক

পরীক্ষা পেছানো বা সিলেবাস কমানোর দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে আটক ছয় শিক্ষার্থীর বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। পরীক্ষার্থীরা কেন রাস্তায়, তারা নিজেদের ইচ্ছায় রাস্তায় নেমেছিল নাকি নেপথ্যে কোনো উসকানি রয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সোমবার (৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় কালবেলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

এর আগে বেলা ১১টার পর শাহবাগে বিক্ষোভ মিছিল করে এবারের এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। প্রায় তিন ঘণ্টা চলা বিক্ষোভটি একাধিকবার শাহবাগ থেকে শিক্ষাভবনের দিকে যায় ও ফেরে। এর মধ্যে শিক্ষার্থীরা শাহবাগে বসে পড়ার চেষ্টা করে। এসময় পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডতাও হয় তাদের। এক পর্যায়ে সেখান থেকে ছয়জনকে আটক করা হয়।

আটককৃত শিক্ষাথী‍র্দের কোনো অভিভাবক বিকেল পর্যন্ত থানায় যাননি বলে জানিয়েছেন ডিসি মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন।

বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, আমরা অনেক কম সময় পাচ্ছি। এই সময়ে পুরো সিলেবাসের পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের সিলেবাস কমিয়ে ৫০ নম্বরের পরীক্ষা নেওয়া হোক অথবা পরীক্ষা এক মাস বা দুই মাস পিছিয়ে দেওয়া হোক। ১০০ নম্বরের পরীক্ষা আমরা মানি না। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে যাব।

তারা জানান, ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থী‍রা প্রায় আড়াই বছর সময় পেয়েছে। আড়াই বছর সময় নিয়ে তাদের পরীক্ষা হয় ৫০ নম্বরের। কিন্তু ২০২৩ সালে পরীক্ষার্থী‍রা মাত্র দেড় বছর সময় পেয়েছে। তুলনামূলক এক বছর কম সময় পাওয়ার পরও তাদের ১০০ নম্বরের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। গত বছর আইসিটি সাবজেক্টের পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। কিন্তু এবার আইসিটি সাবজেক্টও পরীক্ষা দিতে হবে। এবারের পরীক্ষায় আইসিটি বিষয়টি বাদ দেওয়ার দাবিও করেন তারা।

এবারের পরীক্ষা নিয়ে বেশকিছু দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরীক্ষার্থী‍রা। শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের ইমেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা পাঠাচ্ছেন তারা। তবে পরীক্ষার্থী‍দের অভিযোগ, তাদের মতামতের কোনো গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ