আড়াইহাজারে পুলিশ কনস্টেবল ও তার সহযোগি মাদক কারবারিকে আটক করে পুলিশে দিল জনতা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৫ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, জানুয়ারি ২৪, ২০২৫ ৫:৩৮ অপরাহ্ণ

এম আর কামাল, নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার সহযোগিতার অভিযোগে জনতা ইমরান হোসেন (কনস্টেবল নম্বর ১১৮৪) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলসহ দুইজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকৃত কনস্টেবল জেলার রূপগঞ্জ থানায় কর্মরত। ঘটনার দিন তার ডিউটি ছিল বানিজ্য মেলায়। আটককৃত মাসুম উপজেলার মারুয়াদী দেওয়ান পাড়া গ্রামের নাঈমের ছেলে। সে মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইয়ের সাথে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। আর কনস্টেবল ইমরানের বাড়ী চাদঁপুর জেলায়। এক সময় সে আড়াইহাজার থানায় কর্মরত ছিলেন। সে সুযোগে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িয়ে পড়েন বলে জানান আটককারী মাসুম। স্থানীয়রা তার বিচার দাবী করেন।
স্থানীয় দলিল লেখক ও মাতব্বর মোসলে উদ্দিন জানান, আটক ইমরান দীর্ঘদিন ধরে ব্রাক্ষন্দী ইউনিয়নের মারুয়াদী এলাকায় স্থানীয় অপরাধীদেও সাথে মিশে পুলিশ ইমরান বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছিল। অভিযোগ আছে, সে পুলিশের পোষাক ও হ্যান্ডকাপ ব্যবহার করে ছিনতাই ও মাদক ব্যবসার সহযোগিতা করছিল। এ অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল ইমরান ও মাসুম নামের ২ জনকে আটক করে জনতা পুলিশের হাতে তুলে দেন।
সহকারী পুলিশ সুপার (সি- সার্কেল) মেহেদী হাসান জানান, সন্দেহ জনক ভাবে তাকে আটক করা হয়েছে। জনগণের দাবী সে ওই এলাকাতে এসে বিভিন্ন অপকর্ম করে থাকে। তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনা নিশ্চিত করে আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন জানান, জনতা ২ জনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এর মাঝে একজন পুলিশ কনস্টেবল ইমরান। আপরজন মাদক ব্যবসায়ী। ইমরান ঘটনাস্থলে কি কারণে গিয়েছে তা জানা যায়নি। আমরা তাকে রূপগঞ্জ থানায় সোর্পদ করেছি।
স্থানীয়রা জানান, ইমরানের অপকর্ম দেখে আমরা মনে করেছিলাম সে নকল পুলিশ। পরে খোঁজ নিয়ে দেখি সে আসল পুলিশ।
জনতার আওয়াজ/আ আ