খুবি শিক্ষার্থীর গবেষণা
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শুক্রবার, মার্চ ৩, ২০২৩ ১১:০২ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শুক্রবার, মার্চ ৩, ২০২৩ ১১:০২ পূর্বাহ্ণ

ব্রয়লার মুরগির মাংস ও হাড়ে ক্ষতিকর ৪ ভারী ধাতু
ব্রয়লার মুরগি দেশের আমিষের চাহিদা পূরণের সহজলভ্য উৎস হলেও এতে ক্ষতিকারক ভারী ধাতুর উপস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বহুদিনের। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক গুণ বেশি ক্ষতিকারক ভারী ধাতু পাওয়া গেছে ব্রয়লার মুরগির মাংস এবং হাড়ে।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরীর তত্বাবধানে স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী তাশরিফ আহমেদ তন্ময়ের এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
কয়েকদিন আগে কৃষি মন্ত্রনালয়ের এক গবেষণা জানায়, ব্রয়লার মুরগিতে ১০ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক ও তিনটি ভারী ধাতুর উপস্থিতি মিললেও তা মানুষের জন্য ঝুঁকির মাত্রার অনেক নিচে রয়েছে।
তবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গবেষণার ল্যাব টেস্টে দেখা গেছে, ব্রয়লার মুরগির মাংস ও হাড়ে যে পরিমাণ ক্ষতিকর ধাতু পাওয়া গেছে তা আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রার চেয়ে অনেক গুণ বেশি।
গবেষক জানান, নগরীর সান্ধ্য বাজার, নিরালা বাজার, রূপসা ঘাট বাজার, নিউমার্কেট ও বয়রা বাজার থেকে চিকেন ও ফিড সংগ্রহ করা হয়। পরবর্তীতে ল্যাব টেস্টে দেখা গেছে, মাংসের প্রতি কেজিতে নিকেল ১২৮মি. গ্রা, ক্রোমিয়াম ১২.৫১ সীসা ১৮.৫২ মি. গ্রা, আর্সেনিক ০.৪৪ মি. গ্রা।
অন্যদিকে হাড়ের প্রতি কেজিতে নিকেল ৭৯.৩ মি.গ্রা, ক্রোমিয়াম ১০.৪৫, সীসা ৩.৭৯ মি.গ্রা, আর্সেনিক ০.৩৭ মি.গ্রাম পাওয়া গেছে।
যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত মাত্রা, মাংসের প্রতি কেজিতে নিকেল ০.৫ মি. গ্রা, ক্রোমিয়াম ১ মি. গ্রা, সীসা ০.১ মি. গ্রা, আর্সেনিক ০.১ মি. গ্রা।
গবেষকরা মনে করছেন, মূলত মুরগির ফিড থেকে ক্ষতিকারক ভারী ধাতুগুলো মাংস ও হাড়ে আসছে, ব্যবসায়ীরা ব্যবসার স্বার্থে কাঁচামাল হিসেবে ট্যানারির বর্জ্য ব্যবহার করে এসব ফিড তৈরি করছেন৷
জনতার আওয়াজ/আ আ