চট্টগ্রামে কড়া নিরাপত্তায় মোশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৮:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

চট্টগ্রামে কড়া নিরাপত্তায় মোশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬ ২:৫৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, মে ১৪, ২০২৬ ২:৫৯ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি :সংগৃহীত
চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা। ছবি: খবরের কাগজ

কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় নামাজে জানাজা।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ১১টা ১০ মিনিটে তার দ্বিতীয় নামাজে জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় হাজারো মুসল্লির সমাগম হয়।

জানাজায় অংশগ্রহণ করেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ আতাউর রহমান, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ নেতা জসিম উদ্দিন শাহ, মিরসরাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের অনেক নেতা-কর্মীকেও জানাজায় অংশগ্রহণ
করতে দেখা গেছে।

নামাজে জানাজা শেষে মরদেহ বের করার সময় কিছু মুসল্লি জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে মরদেহের গাড়ির সঙ্গে সঙ্গে বের হয়ে যান। তবে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন চট্টগ্রামের জন্য অনেক কাজ করেছেন। তিনি বিএনপি, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মোশাররফ হোসেনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। মোশাররফ হোসেন মিরসরাইয়ের সন্তান তার অবদানের কথা বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসী
আজীবন স্মরণ করবেন বলে উল্লেখ করেন মেয়র।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরীও তার বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের অবদানের কথা তুলে ধরেন।

ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বড় ছেলে সাবেদুর রহমান সুমু বলেন, আজ চট্টগ্রামবাসীর জন্য অনেক কষ্টের দিন। দীর্ঘদিন আইসিইউতে
থাকার পর আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে আমার বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা আমার বাবা চট্টগ্রামের জন্য আজীবন কাজ করে গেছেন। সবাই আমার বাবার জন্য দোয়া করবেন।

সরেজমিন দেখা গেছে, সকাল ১০টার পর থেকে জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে মুসল্লিরা আসতে শুরু করেন। তবে গত বুধবার রাত থেকে নগরে কড়া নিরাপত্তা আরোপ করে সিএমপি।

বিভিন্ন মোড়ে অতিরিক্ত ফোর্সের উপস্থিতি দেখা যায়। মসজিদ প্রাঙ্গণের দুটি প্রবেশদ্বারেও ছিল কড়া নিরাপত্তা। সেখানে কোনো ধরনের গাড়ি প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। যারা ব্যাগ নিয়ে প্রবেশ করেছেন তাদের ব্যাগ তল্লাশি করা হয়েছে এবং সন্দেহভাজনদেরও তল্লাশি করা হয়েছে।

জানাজায় অংশগ্রহণ করা একাধিক মুসল্লি জানান, কড়া নিরাপত্তার কারণে মুসল্লি কিছুটা কম হয়েছে, অনেকে ভয়ে আসেনি। আবার কেউ কেউ বলেছেন, নিরাপত্তা বেষ্টনীর কারণে নামাজে জানাজা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকলে বহিরাগত যে কেউ যে কোনো ধরনের নাশকতা করার আশঙ্কা ছিল।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ