চিন্ময়ের গ্রেপ্তারে কুমিরের কান্না করছে শেখ হাসিনা: রিজভী - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:২১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

চিন্ময়ের গ্রেপ্তারে কুমিরের কান্না করছে শেখ হাসিনা: রিজভী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৮, ২০২৪ ৯:৪৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৮, ২০২৪ ৯:৪৭ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আজকে মিডিয়ায় দেখলাম চিন্ময়কে গ্রেপ্তারের বিষয়ে কথা বলছেন স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা। আপনি আবু সাইদ, মুগ্ধকে হত্যা করতে পারেন; আর চিন্ময় গ্রেপ্তার হলে কুমিরের কান্না করেন; ভারতীয় পররাষ্ট্র দপ্তর মায়া দেখায়।’

বৃহস্পতিবার (২৮ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ভারত সরকারের কড়া সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বিশ্বজিৎকে যখন ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল, তখন ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর কেন নিশ্চুপ ছিল? দিল্লি তাদের পররাষ্ট্রনীতি, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন, অর্থনৈতিক পরাধীনতা আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে। পিন্ডির থেকে মুক্ত হয়ে দিল্লির কাছে মাথানত করবে না এ দেশের জনগণ।

রাকসুর সাবেক ভিপি রিজভী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বুঝতে পেরেছিলাম এরশাদ বন্দুকের নলের মুখে একজন গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করেছিলো। তখন থেকেই স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য লড়াই করে গিয়েছি। যেকোন সত্যের আন্দোলন, সার্বভৌমত্বের আন্দোলনে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ছিল সবসময় অগ্রগামী। ৭ই নম্বেভর হলো সেই দিন, যেদিন সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারে সিপাহি-জনতার সম্মিলিত বিপ্লব হয়েছিল। আর ৫ আগষ্ট এশিয়ার ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। যেখানে ২ হাজারের বেশি মানুষের রক্তের মাধ্যমে স্বৈরাচারের হাত থেকে বাংলাদেশ মুক্ত হয়েছে। ৭ই নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে ৫ আগষ্টের আন্দোলন সংঘটিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা যে মতামত দেবে সে অনুযায়ী একুশ শতকে উপযোগী রাজনীতির রোডম্যাপ দেওয়া হবে। আমাদের নেতাকর্মীদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আবাসন সংকট নিরসনে কাজ করার, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির, শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ডিসকাশনের আয়োজন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ