দগ্ধদের জন্য রক্ত ও স্কিনের প্রয়োজন নেই: ডা. নাসির - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১১:৩১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দগ্ধদের জন্য রক্ত ও স্কিনের প্রয়োজন নেই: ডা. নাসির

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ২৫, ২০২৫ ২:০৯ পূর্বাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, জুলাই ২৫, ২০২৫ ২:০৯ পূর্বাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীরে উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধদের জন্য রক্ত ও স্কিনের কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিন।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাত ৮টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধ হয়ে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি রয়েছেন মোট ৪২ জন। এর মধ্যে ৮ জন আইসিইউতে। তাদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নতির কারণে ২ জনকে আইসিইউ থেকে ইন্টারমিডিয়েট লেবেলে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া সবচেয়ে খুশির খবর হলো—১৩ জন রোগীকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আরও বলেন, “চিকিৎসা সহায়তার বিষয়ে আমরা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নিচ্ছি। সিঙ্গাপুর এবং ভারতের বিশেষজ্ঞরা আমাদের সঙ্গে দেখা করে গেছেন। চীনের চিকিৎসকদের সঙ্গেও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা হয়েছে। তারা শিগগিরই আমাদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবেন।”

তিনি বলেন, “বিশ্বের যেকোনো দেশ যদি চিকিৎসা সহায়তায় আগ্রহ প্রকাশ করে, আমরা তাদের স্বাগত জানাবো। কোনো দ্বিধা ছাড়াই আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করতে চাই। যে কেউ সহায়তা করতে চাইলে আমরা তাদের পরামর্শ ও অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা কার্যক্রমে কাজে লাগাব।

আমাদের এখানে অনেকেই রক্ত এবং স্কিন ডোনেশন করতে চান—এই বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের এখানে রক্ত এবং স্কিন ডোনেশনের প্রয়োজন নেই। আমাদের এখানে পর্যাপ্ত স্কিন এবং রক্ত রয়েছে। আবার অনেকেই বিকাশ বা নগদে অর্থ পাঠাতে চাচ্ছেন। আমরা তাদের সদিচ্ছার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তবে এখনই সাধারণ জনগণের অর্থ সহায়তার প্রয়োজন নেই। সরকারি পর্যায় থেকে পর্যাপ্ত সহায়তা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, এ পর্যন্ত দগ্ধদের মধ্যে ১৩ জন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে মারা গেছেন।

আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সঙ্গে সকালে মিটিং করেছি, বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে সব সহায়তা করা হচ্ছে।

ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আরও বলেন, আপনারা জানেন এখানে ঘণ্টায় ঘণ্টায় রোগীদের অবস্থার উন্নতি এবং অবনতি হয়। ১২ ঘণ্টা পর পর সিনিয়র চিকিৎসকরা মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তাদের চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ