দিশারী প্রি-ক্যাডেট স্কুল বন্ধ, এনামুলের স্ট্যাটাস থেকে যা জানা গেলো ২য় পর্ব - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:১৭, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

দিশারী প্রি-ক্যাডেট স্কুল বন্ধ, এনামুলের স্ট্যাটাস থেকে যা জানা গেলো ২য় পর্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, মে ২৬, ২০২৫ ৮:১৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, মে ২৬, ২০২৫ ৮:১৪ অপরাহ্ণ

 

স্কুলটি চলেছে।’
এরপর তার অভিযোগ, ‘স্কুলের একাউন্টে জনগনের দেয়া টাকা ব্যাক্তি বিশেষের ব্যাক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগ এবং ক্ষোভ আছে। কেন? এটা হবে কেন? এটা কি প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম হলো?’

দান অনুদানের টাকা গায়েব হওয়া প্রসঙ্গে তিনি লিখেন, ‘শুনলাম, হলিমপুরের যুক্তরাজ্য প্রবাসী দুই শিক্ষানুরাগী দুটি কম্পিউটারের টাকা দিয়েছিলেন একজন সম্মানিত প্রতিষ্ঠাতার কাছে। তারা দেশে এসে স্কুলে গিয়ে কম্পিউটার খুঁজলে জানতে পারেন ওই প্রতিষ্ঠাতা স্কুলে গেছেন, সভায় অংশ নিয়েছেন, কিন্তু এ বিষয়ে কাউকে কিছুই বলে যান নি। কেন? এমন হবে কেন?

ওই প্রতিষ্ঠাতার প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাই, যখন উনার ভাই বা ভাতিজারা ইউরোপিয়ান ছিলেন না, তিনিও দেশে ছিলেন এবং সামান্য বেতনে সম্মানজনক চাকরি করেছেন, তখনতো তার নামে এমন বদনাম আমরা শুনিনি? আজ কেন এতকিছু শুনতে হচ্ছে, যখন তিনি নিজেসহ তার পরিবারের ম্যালা মানুষ ইউরোপে এবং বেশ ভালো অবস্থানে?’

তিনি লজ্জা আর যন্ত্রনার কথা লিখতে গিয়ে জানান, ‘কি বলবো লজ্জা আর যন্ত্রনার কথা! মাটিজুরার আমাদের গিয়াস ভাই (গিয়াস উদ্দিন সিদ্দিকী, ডাক্তার) মারা যাওয়ার কয়েক বছর হয়ে গেলো। অথচ এখনো তাঁর কয়েক মাসের বেতন পাওনা। চন্দরপুরের বাবুল স্যারের ( গোলাম সোবহানী বাবুল) ও কয়েক মাসের বেতন এখনো স্কুলের কাছে পাওনা। অথচ, তিনিও গত হয়েছেন।

আবার কর্মরত শিক্ষকদেরও কয়েকজনের ১০ মাস করে বেতন পাওনা গত কয়েকবছর ধরে। এগুলোও দেয়া হয়নি।’

২০২০ সালে লকডাউনে শিক্ষকদের পাশে কমিটি বা হর্তাকর্তারা না থাকা প্রসঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘আরও করুন কাহিনী আছে যা না বললেই নয়। ২০২০ সালে মহামারি করোনায় যখন গোটা বিশ্ব অচল, তখনো দিশারীর একাউন্টে প্রবাসীদের দেয়া ৬/৭ লাখ টাকা জমা আছে- সবাই তেমনটাই জানতেন। লকডাউনে আমি নিজে ৩/৪ মাস বাড়িতে। কিন্তু আল্লাহর অশেষ মেহেরবাণী, মাসের শেষে কোনো কাজ না করেও বেতনের টাকাটা আমার বিকাশে পেয়েছি (ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা, একাত্তরের কথা পত্রিকা কর্তৃপক্ষকে)। শুধু আমি বা মিডিয়ার কথা বলছিনা, যে কোনো ছোটোবড় প্রতিষ্ঠান তার কর্মীদের এভাবে মূল্যায়ন করেছে, দুঃসময়ে পাশে থেকেছে। কিন্তু দুর্ভাগ্য দিশারীর সম্মানিত শিক্ষকদের। কাউকে পাশে পাওয়া দূরে থাক, তাদের পাওনা টাকার অংশবিশেষও তারা পান নি। এ নিয়ে আজকের মতো তখনো আমি ফেসবুকে লিখেছি, দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। কিন্তু কি অমানবিক মৌনতা দিশারী কর্তাদের!! কেউ কোনো টু শব্দও করলেন না! অথচ তখনো একাউন্টে ৬/৭ লাখ টাকা ছিলো বলে সবাই জানতেন। আর আজ শুনছি ৪ লাখ টাকা গায়েব! হাওয়া!! কোনো হিসাব নেই। এই হচ্ছে দিশারীর ব্যাবস্থাপনা! এই ৪ লাখ টাকায় মৃত শিক্ষকদের দাবি নেই? নেই অন্যান্য শিক্ষকদের দাবি? এই অব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরার উদ্দেশ্য একটাই, আবার স্কুলটি সচল করা সম্ভব হলে এমন ভুল-ভ্রান্তি যেনো না হয়।’

এ পর্বে প্রকাশিত তথ্যগুলো জেনেও অনেকে বিস্মিত হয়েছেন, আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন আবার অনেক নতুন করে শুরুর পরামর্শও দিয়েছেন।

চলবে………………………….

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ