নতুন বই না পেয়ে মন খারাপ সুনামগঞ্জের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৪:১৫, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নতুন বই না পেয়ে মন খারাপ সুনামগঞ্জের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জানুয়ারি ১, ২০২৩ ৬:৩৪ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জানুয়ারি ১, ২০২৩ ৬:৩৪ অপরাহ্ণ

 

সুনামগঞ্জ শহর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন বই পায়নি।

ওই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সালুয়া সামস ওয়াদির বাবা আব্দুল হালিম বলেন, ‘বই না পেয়ে মন খারাপ হয়েছে সালুয়ার। শিক্ষকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, কবে বই পাব, তাও তারা বলতে পারেননি।

একই বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তাসনিয়া তাবাসসুমও বই পায়নি বলে জানা গেছে।

জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সভাপতি, “সদরগড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুন অর রশিদ বললেন, ‘বই না পেয়ে ছোট শিশুদের বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মন খারাপ করেছে। আমরা ইতিবাচকভাবে আশ্বাস দিয়ে বলেছি, ‘শিগগিরই বই আসবে, তোমরা বই পাবে’।”

তিনি জানান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকেও এভাবেই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কবে বই আসবে সেটি জানানো হয়নি।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ের দায়িত্বশীলরা জানান, জেলার ১১ উপজেলার মোট চাহিদার ৩৫ ভাগ বই পাওয়া গেছে। প্রথম শ্রেণির জন্য দুই লাখ ৫৯ হাজার ২১৫টি ও দ্বিতীয় শ্রেণির দুই লাখ ৫০ হাজার ৪৫৫টি বইয়ের মধ্যে একটি বইও পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও জেলার সদর, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, ছাতক ও তাহিরপুর উপজেলার প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির কোনো বই বরাদ্দ পাওয়া যায়নি।

জানা গেছে, সুনামগঞ্জের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির বই ছাপার দায়িত্ব পেয়েছিল রাজধানীর জাহানারা প্রিন্টিং প্রেস। তারা বই সরবরাহ করতে পারেনি। অগ্রণী প্রেস অ্যান্ড পাবলিকেশন্সকে যেসব ছাপার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেগুলো পাওয়া গেছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম আব্দুর রহমান বলেন, ‘কাগজ সরবরাহের ঘাটতির কারণে বই ছাপায় বিলম্ব হয়েছে। এ কারণে কিছু কিছু উপজেলায় বই পায়নি। বই উৎসবের জন্য পাশের উপজেলা থেকে বই আনা হয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কোনো বই এখনো সুনামগঞ্জ জেলায় পাওয়া যায়নি। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি আগামী ১০ দিনের মধ্যে সব বই পাওয়া যাবে।’

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ