নির্বাচনের ফল কতোটা টেকসই হবে তা ভবিষ্যৎই বলতে পারে - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৩:৫৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

নির্বাচনের ফল কতোটা টেকসই হবে তা ভবিষ্যৎই বলতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০২৩ ৮:৫৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, ডিসেম্বর ২৩, ২০২৩ ৮:৫৭ অপরাহ্ণ

 

ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ’র ওয়েবিনার

নিউজ ডেস্ক
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ৬০ শতাংশ মানুষের কোন আগ্রহ নেই। বাকি ৪০ শতাংশ মানুষ ডিভাইডেড যে, কি হবে; না হবে। আর নতুন ভোটাররা দোদুল্যমান অবস্থায় রয়েছে। তাই ৩০ শতাংশের বেশি মানুষ ভোট দিতে আসবে না। বাংলাদেশ আরেকটি নির্বাচন দেখতে যাচ্ছে যেই নির্বাচনের রেজাল্ট আগের মতোই হবে। তবে সেটা কতটুকু সাসটেইনেবেল হবে সেটা ভবিষ্যৎ ও ইতিহাস বলতে পারবে।

শনিবার দুপুরে ফোরাম ফর বাংলাদেশ স্টাডিজ এর আয়োজিত ‘আরেকটি সাজানো নির্বাচন: কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা বিষয়ক ঝুঁকি’ শীর্ষক বিশেষ ওয়েবিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন সাংবাদিক মনির হায়দার। এতে আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অব. ড. এম সাখাওয়াত হোসেন, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এম তৌহিদ হোসেন ও পোস্ট-ডক্টরাল রিসার্চ ফেলো মুবাশ্বার হাসান। এছাড়া ওয়েবিনারে সমাপনী বক্তব্য দেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামনিস্ট জাহেদ উর রহমান।

ওয়েবিনারে বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অব. ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমাদের দেশে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে যে নির্বাচন হচ্ছে সেটাকে অথেরেটিয়ান না বলে হাইব্রিড ডেমোক্রেটিক রিজিম বলতে পারি। কারণ ডেমোক্রেটির সজ্ঞায় বহুদলীয় পার্টিসিপেশনের সঙ্গ আছে।

বিজ্ঞাপন
সেই পার্টিসিপেশনগুলো দেখাতে এবার সরকারি দলেও ডামি প্রার্থী দিয়েছে যারা উইথড্র হবে না। তারা কনটেস্ট করবে। তার সাথে কিছু কিছু পার্টি জয়েন হয়েছে। জাতীয় পার্টিও জয়েন হয়েছে যাদের অ্যাসিওরেন্স না দিলেও ২৬টি আসনের কথা বলা হয়েছে। আমি এটাকে মনে করি হাইব্রিড রিজিম ছিল। এটা হলো কনটেস্টের আবরণের মতো।
তিনি বলেন, ইলেকশন কমিশনের উপর মানুষের আস্থা আগেও ছিল না। মাঝে একটু হয়ে থাকলেও এখন তাও নেই পরপর দুটি নির্বাচনের পর। সেই জায়গাতে সরকার বলার চেষ্টা করছে ভোটার আসইে পার্টিসিপেট হয়। এই অবস্থায় এমনও কথা হচ্ছে, ভোট দিতে না আসলে সামাজিক নিরাপত্তা উঠিয়ে নেয়া হবে। এখন আমরা জানি না ভোটের দিন কিভাবে মানুষকে উঠিয়ে নেয়া হয়। লোকজনকে দেখাতে হবে বাইরে, ভিতরে যা হওয়ার হবে। এই জায়গায় আমি মনে করি, হাইব্রিড গভর্নমেন্ট আগে যা ছিল, তাই আছে, তাই কন্টিনিউ করবে।

উপমহাদেশে বাংলাদেশ ছাড়া নেপাল, ভুটান, ইন্ডিয়া এমনকি পাকিস্তানের নির্বাচন নিয়ে বিতর্ক বা কথা বলা হয় না উল্লেখ করে ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, আমাদের এখানে প্রতিবার নির্বাচন নিয়ে সমস্যা হচ্ছে। ২০০৮ এর পর থেকে শুরু করে এই পর্যন্ত। আমরা এই এই হাইব্রিড গণতন্ত্রের আবর্তের মধ্য থেকে বের হতে পারছি না। সরকার মনে করে দুইটা নির্বাচন যেভাবে হয়েছে আরেকটা সেভাবে হয়ে গেলেও সবাই মেনে ফুলের মালা নিয়ে আসবে। তিনটা দেশতো আছেই তার সাথে আমেরিকাও হয়তো আসবে। তারা বোয়িং বিক্রি করতে চাচ্ছে, ড্রোন বিক্রি করতে চাচ্ছে। এতে তারা আমাদের বাজারের ওপর নির্ভর করছে; এটা কতখানি লজিক্যাল আমি জানি না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ