ফ্যাসিস্ট আওয়ামী এজেন্টদের তান্ডব লীলায় ফেনীর জনগণ বিস্মিত! - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:৪৪, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী এজেন্টদের তান্ডব লীলায় ফেনীর জনগণ বিস্মিত!

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫ ৯:৩১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫ ৯:৩১ অপরাহ্ণ

 

ফেনী জেলা বিএনপির তৃণমূলের পক্ষ থেকে নিম্নে বর্ণিত সংবাদটি তুলে ধরলাম”

জনতার আওয়াজ ডেস্ক

বিগত ১৫ বছর ধরে সারা দেশের ন্যায় ফেনীতেও নিজাম হাজারীর তাণ্ডবে ও ত্রাসে খুনখারাবি সহ হত্যাগুম যারা চালিয়েছে তারা এখন ফেনীতে অবাধে বিরাজমান। যাহা কোন অবস্থাতে মেনে নেওয়ার মতো না। বিগত ৫ই অগাষ্ট এর পরবর্তীতে বেশ কিছু আওয়ামী খুনি নানান সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে। জনমনে প্রশ্ন ওরা কাদের ছাত্র ছায়ায় এইসব অরাজকতা করে চলেছে? কথিত আছে ওই সকল আওয়ামী ক্যাডাররা বিএনপি’র একটি বিশাল মহলের ছত্রছায়া ফেনীতে অবাধে অবস্থান করে আঁতাতের মাধ্যমে নানান সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। যার ফলে ব্যবসায়ী মহল থেকে শুরু করে সকল স্তরের দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। প্রকাশ যে যারা বিএনপি প্রভাবশালী যুগ্ন আহবায়ক৷, জেলা জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল এবং যুবদলের উচ্চস্তরের এক নেতা সহ পৌর বিএনপি’র বেশ কয়েকজন নেতা এইসব কর্মকাণ্ডে বলে প্রতিয়মান। জেলা বিএনপির শীর্ষস্থানীয় বেশ কয়েকজন নেতা নেপত্তে এই সকল নিয়ন্ত্রণ করছে বলে প্রকাশ। ফেনী জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ অনেকেই নীরব ভূমিকা পালন করছে। যাহা খুবই ন্যাক্কারজনক। তবে তৃণমূল বিএনপিতে এই নীরবতা নিয়ে ক্ষোব দেখা দিয়েছে। গুঞ্জন রয়েছে ওরা কি সম্পৃক্ত না অসহায়??
উল্লেখ্য যে ফেনী পৌর সাবেক মেয়র খুনি নিজাম হাজারীর বিশ্বস্ত সহচার আওয়ামী মেয়ের মাহবুবুর রহমান ওরপে ” রিপন ” গুম করার প্রধান পরিকল্পনাকারী স্টার লাইনের স্বত্বাধিকারীর হাজী আলাউদ্দিন এর দৃষ্টান্ত মুলক বিচার জনগণের প্রত্যাশিত। কিন্তু জনগণের প্রত্যাশীতে এই বিচার জেলা বিএনপির প্রভাবশালী একজন যুগ্ন আহবায়কের ন্যাক্কার জনক ভূমিকার কারণে হচ্ছেনা বলে গুঞ্জন রয়েছে।
বড়ই ন্যাক্কারজনক যে বহু গুম এবং খুনের পরিকল্পনাকারী বীর দর্পে ফেনীতে অবস্থান করছে। শুধু তাই নয় এই আওয়ামী নেতা হাজি আলাউদ্দিন কয়েক হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থার সভাপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। বিএনপি’র তৃণমূলেগুঞ্জন রয়েছে কেন্দ্রীয় বিএনপি হাই কমান্ডার বেশ কয়েকজন নেতা ফেনী জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দকে হাজী আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে কোন মামলা না দেওয়ার জন্য কঠোরভাবে নির্দেশ প্রদান করেছে। তাই তার নামে আজ অবধি একটি মামলার রজু হয় নাই????
বিগত ৫ অগাস্টের পরবর্তীতে ফেনীর সুনামধন্য আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাহমুদুল হাসান কে সর্বস্তরের জনগণ এবং ছাত্র শিক্ষক মিলে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। উল্লেখ্য যে এই আলিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাহমুদুল হাসান বিগত দিনে জয়নাল হাজারীর একজন ঘনিষ্ঠ সহচর হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের মূর্তিতে মালা পরিয়ে দেওয়ার দৃষ্টান্ত রয়েছে। শুধু তাই নয় এই প্রিন্সিপাল মাহমুদুল হাসান আওয়ামী অবৈধ এমপি খুনি নিজাম হাজারীর ও ধামাধরা সহায়ক ছিলেন। বড়ই পরিতাপের বিষয়ে এই মাহমুদ হাসান কে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করার পর বিএনপি’র নেতৃবৃন্দকে কোটি টাকা বদৌলতে পুনরায় মাদ্রাসার প্রশাসনে নিয়োগ লাভ করেছে। যার ফলে মাদ্রাসার সকল শিক্ষক ও ছাত্র ছাত্রীদের মনে ক্ষোব দেখা দিয়েছে। কিন্তু এই ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ করেও কোন লাভ নেই। কারণ অভিনব কায়দায় বর্তমান সিন্ডিকেট খুবই শক্তিধর।
এই সিন্ডিকেটের সবাই ফেনী শহরের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম ভাগাভাগি করে সবাই একচাটিয়া রাজত্ব করে চলেছে। ফেনী শহরের উত্তর দক্ষিনে এবং পূর্ব পশ্চিমে অঞ্চল গুলোর বিভিন্ন আওয়ামী নেতাদেরকে বিভিন্নভাবে লেনদেনের মাধ্যমে নিরাপত্তা দিয়ে পুনর্বাসন কাজের সহযোগিতা হচ্ছে তা স্পষ্ট। আওয়ামী যুবলীগ নেতা স্বাস্থ্য বিভাগের ঠিকাদার হুমায়ূনের সকল সম্পদ ও তার পরিবারের নিরাপত্তার দায়িত্বভার তাদের হাতে স্থানীয় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। যুবনেতা হুমায়ুন সে একজন চিহ্নিত হত্যার মামলার আসামি। চৌঠা আগস্ট এ ফেনীতে ছাত্র হত্যার নির্দেশ দাতা আওয়ামী এমপি নিজাম হাজারীর বডিগার্ড এবং ৪ নং ওয়ার্ডের কমিশনার শাহাবুদ্দিন তসলিম, নূর করিম শিপন উভয় ব্যক্তি ছাত্র হত্যার আসামি জানা সত্ত্বেও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পৌর হকার মার্কেটে রমরমা ভাবে চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের হাতে নিয়ন্ত্রিত। সারা দেশের মতো ফেনীতেও গণহত্যার সাথে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সন্ত্রাসীরা কাদের ছাত্র ছায়া নিরাপদে ফেনী ত্যাগ করেছে তা ফেনীবাসীর অজানা নয়। ফেনী জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাজিব চৌধুরী মার্কেটের দায়িত্ব ও তার ব্যবসা-বাণিজ্য আজ কাদের হাতে নিয়ন্ত্রিত তাও খতিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই রাজিব চৌধুরী ছাত্র গণহত্যা মামলার অন্যতম আসামী। সম্প্রতি মোটা অংকের অর্থ কেলেঙ্কারির মাধ্যমে ফেনী শহরের ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সভাপতি পদে পুনরায় স্বপদে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আওয়ামী ক্যাডার নিজাম হাজারীর একান্ত অনুগত ইকবাল। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে নিজাম হাজারীর আরেক অনুগত নেতা মতিউর রহমান সোহেল।


উল্লেখ্য যে মতিউর রহমান সোহেল ফেনী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের শীর্ষস্থানীয় এক নেতার আপন ছোট ভাই। ফেনী জেলা ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির পদে এই দুই আওয়ামী ক্যাডার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার জন্য জনমনে এবং সকল ব্যবসায়ী সহ বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায় খোব দেখা দিয়েছে। ফেনী শহরের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত পৌর হকার্স মার্কেটের বহুল আলোচিত টোকাই মার্কেটের টোল আদায়, মদিনা বাস টার্মিনালের টোল উঠানো বালু মহল, বিভিন্ন বাস টার্মিনাল থেকে শুরু করে শহরের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে মোটা অংকের লেনদেনের বিনিময়ে আওমি সন্ত্রাসীরা আজও বিদ্যমান। শুধু তাই নয় ফেনী জেলার সড়ক ও জনপদ বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সহ সকল প্রতিষ্ঠানে টেন্ডাল বাজিও চলছে পুরনো স্টাইলে। যার প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে। ছবি কথা বলে, তাই দুটো ছবি প্রকাশ করলাম।
উল্লেখিত বিষয়গুলো নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

জনাব তারেক রহমান সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করছি।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ