বিয়ের দাবিতে পাঁচ দিন ধরে অনশন, পলাতক প্রেমিক - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৭:২২, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

বিয়ের দাবিতে পাঁচ দিন ধরে অনশন, পলাতক প্রেমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, জুলাই ৩০, ২০২৪ ৭:০০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, জুলাই ৩০, ২০২৪ ৭:০০ অপরাহ্ণ

 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে পাঁচদিন ধরে অনশনে বসেছে এক কলেজ ছাত্রী। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলা সানিয়াজান ইউনিয়নের চর ঠ্যাংঝাড়া গ্রামে। প্রেমিক আলমগীর হোসেন (২২) ওই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে। এরপর থেকে আলমগীর পলাতক।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) দুপুরেও আলমগীরের বাড়িতে ওই কলেজ ছাত্রী রেশমি আক্তার বলেন, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে বিষয়টি নিয়ে কয়েকদিন ধরে মীমাংসার চেষ্টায় ব্যর্থ হলে আমি হাতীবান্ধা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে হাতীবান্ধা সরকারি আলিমুদ্দিন ডিগ্রি কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষে পড়াশোনা সময় দেখা হয় একই কলেজের আলমগীরে সাথে। এরপর শুরু হয় প্রেমের সম্পর্ক। প্রেমের একপর্যায়ে রংপুর পার্কের মোড় এলাকায় পড়াশোনা সুবাদে দুজনেই থাকতে শুরু করেন।

প্রেমিক আলমগীর বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে রেশমিকে রংপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। কিছুদিন ধরে আলমগীরের মোবাইল ফোন বন্ধ পায় রেশমি আক্তার। যোগাযোগ না হওয়ায় গত ২৪ জুলাই প্রেমিকের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেন।

তার অভিযোগ, আলমগীরের পরিবারের লোকজন তাকে মারধর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়। মোবাইলে থাকা দুজনের বিশেষ ছবি ও ভিডিও ডিলিট করে দেয়। এরপর থেকে প্রেমিক আলমগীর পলাতক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে কয়েকবার বৈঠক করলেও তা ব্যর্থ হয়। পরে হাতীবান্ধা থানা পুলিশ রেশমিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।

রেশমি আক্তার বলেন, আলমগীরে সঙ্গে আমার পাঁচ বছর প্রেমের সম্পর্ক। তার বাড়িতে এসেছি তাকেই বিয়ে করব। আর যদি বের হতে হয় তাহলে আমার মরদেহ বের হবে। রংপুরে বাসা ভাড়া নিয়ে আলমগীর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে আমার সঙ্গে দীর্ঘদিন শারীরিক সম্পর্ক করেছে। তাকে বিয়ের চাপ দিলে সে গা ঢাকা দেয়। এখন আমি নিরুপায়। তাই বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে উঠেছি।

এ ঘটনায় প্রেমিক আলমগীর হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

সানিয়াজান ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

হাতীবান্ধা থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পাঁচদিন পরে আমরা ওই কলেজ ছাত্রীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। ওই কলেজ ছাত্রীর অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ