যবিপ্রবি ছাত্রলীগের দু'পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৫ - জনতার আওয়াজ
  • আজ সন্ধ্যা ৬:০৫, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

যবিপ্রবি ছাত্রলীগের দু’পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ১৭, ২০২২ ৯:৪৫ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, অক্টোবর ১৭, ২০২২ ১০:০০ অপরাহ্ণ

 

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নিয়ে রোববার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মশিয়ুর রহমান হলে ডাকাতি হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক শামীম হাসানকে ক্যাম্পাস থেকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনার বর্ষপূর্তিতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন ডাকাতির ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী নুরুল আমিন। তিনি যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানার অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

ফেসবুকে স্ট্যাটাসে নুরুল আমিন লেখেন, ৫ অক্টোবর যবিপ্রবির ইতিহাস রচনার দিন। আর এই ইতিহাস রচনার মূল নায়ক যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম শামীম হাসান। আমরা আশা করি, তিনি আবার আমাদের মাঝে আসবেন, ডাকাতি করে নিয়ে যাওয়া মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ফেরত দেওয়ার জন্য।

এ স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন এস এম শামীম হাসানের ভাগ্নে ও যবিপ্রবি ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক তানভীর ফয়সাল ও তাঁর অনুসারীরা। রোববার রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কদমতলায় তানভীর ফয়সালের অনুসারী সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম হৃদয় ও ছাত্রলীগকর্মী জিসান আহমেদ অস্ত্র দিয়ে সভাপতি সোহেল রানার অনুসারীদের ধাওয়া করে। এরপর কদমতলা থেকে তানভীর ফয়সালের অনুসরীরা শহীদ মশিয়ুর রহমান হলে এসে অবস্থান নেন। রাত সাড়ে ৮টার দিকে সভাপতি সোহেল রানার নেতৃত্বে তাঁর অনুসারীরা হলে প্রবেশ করলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির সদস্য শিহাব উদ্দিন সরকারকে মারধর করে তাঁর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

শিহাবকে মারধর করে ছাত্রলীগকর্মী পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রায়হান রহমান রাব্বি, রসায়ন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের জুবায়ের, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের বাহার, একই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের নুর আলম, চতুর্থ বর্ষের সৌমিক, স্নাতকোত্তরের উত্তম, ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের বেলাল হোসেন, অ্যাকাউন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আকিব ইবনে সাইদসহ অর্ধ শতাধিক ছাত্রলীগকর্মী।

সহিংসতাকালে কোনো অস্ত্রের মহড়া হয়নি বলে দাবি করে যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর ফয়সাল বলেন, বিষয়টি ভুল বোঝাবুঝি ছিল। আমরা সভাপতি-সম্পাদক বসে সমাধান করেছি। আর সাংবাদিকের মারধরের ঘটনাটি খতিয়ে দেখছি। একই কথা বলেন যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি সোহেল রানা।

যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি শোনার পর হল পরিদর্শন করেছি। কিন্তু কোনো পক্ষই অভিযোগ করেনি। হল প্রভোস্টকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছি। ক্যাম্পাসে কোনো বিশৃঙ্খলা হতে দেওয়া হবে না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ