সরকার দেশকে অরাজকতা-অপশাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে: কর্নেল অলি - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ৪:২০, বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সরকার দেশকে অরাজকতা-অপশাসনের দিকে ঠেলে দিয়েছে: কর্নেল অলি

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩ ৭:৩৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩ ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

 

নিউজ ডেস্ক
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ (বীর বিক্রম) বলেছেন, সরকার নির্বিকার, জনগণ লাওয়ারিশ। দেশে জনগণের নির্বাচিত সরকার না থাকলে জনগণের খোঁজ খবর নিবে কে? সবাই নিজের নিজের ধান্দায় ব্যস্ত। বর্তমান সরকার সমগ্র দেশকে অরাজকতা, অপশাসন এবং দুর্নীতির দিকে ঠেলে দিয়েছে, সর্বত্র হাহাকার। অন্যদিকে অতিবর্ষণ ও বন্যার কারণে মানুষের কষ্টের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই অবস্থার পরিবর্তন বা পরিত্রাণের কোন লক্ষণ নেই। গরিবের ভাগ্য উন্নয়নের কোনো প্রকল্প নেই।

শুক্রবার রাজধানীর পূর্ব পান্থপথস্থ এলডিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এলডিপি আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অলি আহমদ বলেন, সরকারের অযোগ্যতা, অক্ষমতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে জনগণ মানবেতর জীবনযাপন করছে। নিত্যপণ্যের মূল্য হুহু করে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষের আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের সামঞ্জস্যতা নেই। এমনকি ডিম এবং আলুও বিদেশ থেকে আমদানি করার ব্যবস্থা হচ্ছে। রপ্তানি আয় প্রতিনিয়ত হ্রাস পাচ্ছে। আমদানিখাতে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া দেশে নতুন কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না। কাঁচামালের অভাবে ইতোমধ্যে অনেকগুলো কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। নতুন অর্ডারের অভাবে কয়েকশত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে গেছে। বেকারদের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনগণের বাঁচা মরার লড়াই, এদিকে সরকারের কোনো মাথা ব্যথা নেই।

তিনি বলেন, এমতাবস্থায় একমাত্র উপায় অবাধ সুষ্ঠু এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আওতায় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। হয়তো এর মাধ্যমে মানুষের দুঃখ লাঘব হবে।

কর্নেল অলি বলেন, আমাদের দাবি খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত গায়েবি মামলা এবং ফরমায়েশি মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে নেওয়া, ফরমায়েশি সাজা প্রত্যাহার করে নেওয়া এবং বন্ধ করা। গ্রেপ্তার কর্মীদের মুক্তি দেওয়া, সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা, তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করে উৎসবমুখর পরিবেশে অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করা।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন এলডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি নূরুল আলম তালুকদার, ডক্টর নেয়ামূল বশির, ডক্টর আওরঙ্গজেব বেলাল, অ্যাডভোকেট এসএম মোরশেদ, অধ্যক্ষ সাকলায়েন, ভাইস-প্রেসিডেন্ট মাহে আলম চৌধুরী, উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মাহবুবুর রহমান, অধ্যাপিকা কারিমা খাতুন, যুগ্ম মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজি, আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট নিলু, প্রকাশনা সম্পাদক মেহেদী হাসান মাহবুব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলী আজগর বাবু, সহ-দপ্তর ওমর ফারুক সুমন, ঢাকা মহানগর পূর্ব এলডিপি’র সভাপতি মো. সোলায়মান, পশ্চিম এলডিপি’র সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাদাত হোসেন মানিক, উত্তর এলডিপি’র সাধারণ সম্পাদক অবাক হোসেন রনি, দক্ষিণ এলডিপির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, গণতান্ত্রিক আইনজীবী ফোরামের সভাপতি অ্যাডভোকেট নূরে আলম, গণতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি আমান সোবহান, গণতান্ত্রিক শ্রমিক দলের সভাপতি এফএমএ আল মামুন, গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি খালিদ বিন জসিম, গণতান্ত্রিক কৃষক দলের সভাপতি এবিএম সেলিম, গণতান্ত্রিক ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক কাজী কামরুল হাসানসহ প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ