সহাবস্থানের পথই হতে পারে টেকসই সম্প্রীতির ভিত্তি: পার্বত্য মন্ত্রী - জনতার আওয়াজ
  • আজ বিকাল ৫:০০, বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

সহাবস্থানের পথই হতে পারে টেকসই সম্প্রীতির ভিত্তি: পার্বত্য মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬ ৯:৪৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: সোমবার, এপ্রিল ৬, ২০২৬ ৯:৪৭ অপরাহ্ণ

 

ছবি: খবরের কাগজ
ছবি প্রতিনিধি
একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তুলতে হলে আমাদের পারস্পরিক সম্মান ও সহনশীলতা আরও জোরদার করতে হবে, কারও সংস্কৃতিকে অন্যের সঙ্গে একীভূত করার চেষ্টা না করে, বরং ভিন্নতাকে সম্মান জানিয়ে সহাবস্থানের পথই হতে পারে টেকসই সম্প্রীতির ভিত্তি, বলে মন্তব্য করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বিকেলে রাঙামাটি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট মাঠে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিষু-বিহু উৎসব মেলার উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান বিজু-সাংগ্রাই-বৈসুক-বিষু-বিহু উৎসব শুরু হয়েছে। পাহাড়ে বসবাসরত ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীদের প্রধান সামাজিক উৎসব এটি। এ বছর পাহাড়ের প্রথম বর্ণাঢ্য আয়োজনে রাঙামাটিতে পাঁচ দিনব্যাপী হচ্ছে বর্ণিল উৎসব। মেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও বাদ্যযন্ত্র নিয়ে নানা বয়সের পাহাড়ি মানুষ অংশ নেন।

মূলত বাংলা পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বর্ষ বরণকে কেন্দ্র করে পাহাড়িরা ১৫ দিনব্যাপী উৎসব করে থাকে। মূল উৎসব হয় ৩০ চৈত্র। ১২ এপ্রিল কাপ্তাই হ্রদে ভাসানো হবে ফুল। রাঙামাটি জেলা পরিষদ ও জেলা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট ৬-১০ এপ্রিল পর্যন্ত ৫ দিনব্যাপী এ মেলার আয়োজন করেছে।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) অনুপ কুমার চাকমা এনডিসি পিএসসি, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, ডিসি নাজমা আশরাফী, এসপি মুহম্মদ আব্দুর রকিব। এরপর পরই নাচে গানে মেতে ওঠেন পাহাড়ি শিল্পীরা, পাহাড়িদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে সমতল থেকে আসা মানুষও যোগ দিয়েছেন এ উৎসবে।

উৎসব উপলক্ষ্যে রাঙামাটি ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠী ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত দশটা পর্যন্ত এ মেলা চলবে। মেলায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য ও ব্যবহার্য পোশাকের শতাধিক স্টল বসেছে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ