অধ্যাপক ইমতিয়াজকে অপসারণের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম - জনতার আওয়াজ
  • আজ ভোর ৫:১১, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

অধ্যাপক ইমতিয়াজকে অপসারণের দাবিতে ছাত্রলীগের আল্টিমেটাম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৩ ১০:২৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ৬, ২০২৩ ১০:২৯ অপরাহ্ণ

 

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক বিভাগের শিক্ষক ও জেনোসাইড সেন্টারের পরিচালক আইনগত এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে ঢাবি প্রশাসনকে ১৫ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছে ঢাবি শাখা ছাত্রলীগের নেতারা।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাত্রলীগের নেতারা ঢাবি উপাচার্যকে দেওয়া এক স্মারকলিপিতে এ আল্টিমেটাম দেন। এ সময় ঢাবি ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত উপস্থিত ছিলেন।

স্মারকলিপিতে ঢাবি ছাত্রলীগের নেতারা বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীন বাংলাদেশ তৈরির দীর্ঘ সংগ্রাম, ৭ মার্চের ভাষণকে অবমূল্যায়ন এবং একাত্তরে এদেশে পাকিস্তানিদের দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয় এমন বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করেছেন ঢাবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।

ইমতিয়াজ আহমেদ ‘হিস্টোরাইজিং ১৯৭১ জেনোসাইড : স্টেট ভার্সেস পারসন’ নামক বইয়ে উল্লেখ করেছেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একাত্তরের ৭ মার্চের ভাষণ শেষে ‘জয় পাকিস্তান’ বলেছেন; আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে বাংলাদেশে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিচালিত গণহত্যাকে ‘গণহত্যা’ বলা যাবে না এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের সংখ্যা নিয়েও ড. ইমতিয়াজ সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তিনি এসব বিষয় নিয়ে জাতীয় ইতিহাসের বিকৃতি ঘটানো যে মন্তব্য করেছেন তা একেবারেই ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাষ্ট্রবিরোধী এ অপরাধের তীব্র ধিক্কার জানায় এবং এ অপচেষ্টার পেছনে কোনো গূঢ় ষড়যন্ত্র রয়েছে এমন সন্দেহ পোষণের অবকাশ রয়েছে বলে মনে করে।

স্মারকলিপিতে ছাত্রলীগ ২ দফা দাবি জানায়। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে ড. ইমতিয়াজ আহমেদের বিরুদ্ধে তদন্তের মাধ্যমে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টার কার্যকারণ উদ্ঘাটন ও প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে এবং ড. ইমতিয়াজ আহমেদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যথাযথ আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ