আওয়ামী দোসর পুনর্বাসন ওস্বৈরাচারিতার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
শনিবার, মে ১৭, ২০২৫ ২:০৮ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
শনিবার, মে ১৭, ২০২৫ ২:০৮ অপরাহ্ণ

মো.মঞ্জুর হোসেন ঈসা,বিশেষ প্রতিনিধি
ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন ও বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের ছাত্র-অভিভাবকবৃন্দ আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশ বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ক্যান্টিন প্রাঙ্গণে ১৭ মে ২০২৫, শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ বিন সিদ্দিক তালুকদর বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি সুষ্ঠু সমাধান মেডিকেল কর্তৃপক্ষ করতে না পারে তাহলে কঠোরভাবে কর্মসূচি ঘোষণা করবে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ আন্দোলন। তিনি আরো বলেন, মিথ্যা অভিযোগ থেকে মুক্তি দিয়ে অধ্যাপক ডাঃ ফারজানা মাকসুদকে দ্রুত কর্মস্থলে পুনর্বহাল করতে হবে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সত্য, ন্যায় ও মানবিকতার পক্ষে থেকে অধ্যাপক ডাঃ ফারজানা মাকসুদের লড়াই শুধু একজন ব্যক্তির নয়, এটি গোটা শিক্ষাব্যবস্থা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রাম।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সম্মুখ যোদ্ধা, বাংলাদেশ মেডিকেল ষ্টাডিজ এন্ড রিসার্চ ইনষ্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক, এনাটমী বিভাগ, (বিএমসি)’র অধ্যাপক ডাঃ মাকসুদা তার বক্তব্যে বলেন, আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমি হোয়াটস আপে কোন গুরুত্ব দেইনি। অথচ কর্তৃপক্ষ আমাকে দায়ী করছে, আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি এ ধরণের কোন তথ্য সত্য হলে আমি যে কোন শাস্তি মাথা পেতে নিবো, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদে এবং ভবিষ্যতে যেন আমার মত কেউ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের রোষানল অথব ব্যক্তিগত আক্রোশের শিকার না হয় সেই জন্যই আমি প্রতিবাদ করছি। জীবন বাজী রেখে জুলাই গণ-অভ্যূত্থানে রাজপথে ছিলাম। সেইদিন ব্যাফিসাব হাসিনা ও এই কলেজের চেয়ারম্যান আওয়ামী দোসর ড. আব্দুর রাজ্জাককে ভয় করিনি। এখন কাকে ভয় করবো। যারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে তাদের এদেশে থাকার কোন অখিকার নেই। তিনি তাদের উদ্দেশ্য বলেন, আপনারা দেশের কেউ না, ভারত চলে যান। তিনি বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমার সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহার করা না হলে আমি আমার ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শেষ পর্যন্ত দেখে ছাড়বো। প্রধান উপদেষ্টা, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করবো। এখন আর কারো রক্তচক্ষু ভয় করি না। এই সময় বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, ডাঃ রোকনুজ্জামান রুবেল, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের কগনিটিভ বিহেভিয়ার থেরাপিস্ট ও প্যাথলজি ডিপার্টমেন্ট (প্রাক্তন) প্রভাষক ডাঃ মূর্তাজা যাকিউল আবরার। উল্লেখ্য, প্রভাষক ডাঃ মূর্তাজা যাকিউল আবরারকে নিয়মবহিরভূতভাবে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয় ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ এ। সকালের দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে উভয় পক্ষের মধ্যে একটা বিরাজমান অবস্থা দেখা যায়। পরবর্তী সময়ে অবস্থা স্বৈরাচারী দোসর সিন্ডিকেটরা পিছু হটতে থাকে। পরিস্থিতি উভয়ের মধ্যে আশংকাজনক অবস্থা সৃষ্টি করে।
জনতার আওয়াজ/আ আ