আন্দোলন জোরদারে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে : নজরুল ইসলাম খান - জনতার আওয়াজ
  • আজ দুপুর ১:১০, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আন্দোলন জোরদারে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে : নজরুল ইসলাম খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: রবিবার, জুলাই ১৪, ২০২৪ ১১:৫১ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: রবিবার, জুলাই ১৪, ২০২৪ ১১:৫১ অপরাহ্ণ

 

জনতার আওয়াজ ডেস্ক
সরকার পতনের এক দফার আন্দোলন জোরদারে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। রবিবার (১৪ জুলাই) বিকেলে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক ১২ দলীয় জোটের সঙ্গে বৈঠক হয়।

তিনি বলেন, আমরা বার বার দেখছি যে, সংকট সৃষ্টি করা হচ্ছে, সংকট বৃদ্ধি করা হচ্ছে, এটা গ্রহণযোগ্য নয়। দেশে যে বিদ্যমান সংকট তৈরি হয়েছে, গণতন্ত্র হীনতার সংকট, দুর্নীতি-অনাচারে দেশ ছেয়ে গেছে এবং পরিস্কার বুঝা যাচ্ছে যে, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সরকারের নিযুক্ত ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা দুর্নীতি করে দেশটাকে ফোকলা করে দিচ্ছে। ব্যাংকগুলো শূণ্য হয়ে যাচ্ছে, টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। দ্রব্যমূ্ল্যের ঊর্ধ্বগতিতে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে।

তিনি বলেন, দেশের স্বার্থ হানিকর চুক্তি-সমঝোতা করা হচ্ছে। সীমান্ত মানুষ হত্যা হচ্ছে, অরক্ষিত থাকছে নানা কারণে আমরা মনে করি যে, এক দফার দাবিতে আমরা লড়াই শুরু করেছি ওই এক দফা বাস্তবায়ন ছাড়া সংকটের সমাধান হবে নেই। আর সেই এক দফার যে লড়াই সেই লড়াইকে এগিয়ে নিতে আমরা আগামীতে কর্মসূচি ঘোষণা করব। ওই কর্মসূচি ঘোষণার প্রেক্ষিত হিসেবে আজকে আমাদের মধ্যে এই আলোচনা হয়েছে।

১২ দলীয় জোটের সমন্বয়কারী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের নেতৃত্বে বৈঠকে বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাতীয় দলের সৈয়দ এহসানুল হুদা, জাগপার রাশেদ প্রধান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামি ঐক্যজোটের একাংশের মাওলানা আবদুল করিম, লেবার পার্টির একাংশের ফারুক রহমান,কল্যাণ পার্টির একাংশের শামসুদ্দিন পারভেজ ও ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বিএনপির নজরুল ইসলাম খান ছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান ও ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান উপস্থিত ছিলেন।

গত তিন দিনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক বাম গণতান্ত্রিক বাম ঐক্য, জাতীয়বাদী সমমনা জোট, এনডিএ, গণফোরাম, বাংলাদেশ পিপলস পার্টি, এলডিপি, গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সাথে আলাদা আলাদা বৈঠক করেন বিএনপির নেতারা।

‘কোটা সংস্কার প্রসঙ্গে’

এক প্রশ্নের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, আপনারা জানেন যে, ছাত্রদের দাবি ছিল কোটা সংস্কারের, কোটা বাতিল। সেই দাবি প্রতি বিএনপি সমর্থন জানিয়েছে। সেই ছাত্ররা এখন এই দাবিতেই আন্দোলন করছে। আপনারা দেখেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীরা শপথ গ্রহণ করেন তখন তাদেরকে বলতে হয় যে, কখনো অনুরাগ বা বিরাগে মুখোমুখি হয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেবেন না। কিন্তু আমরা দেখলাম যে, প্রকাশ্যে ঘোষণা করেই একটা বিরাগে বশবর্তী হয়ে ছাত্রদের কোটা সংস্কারের আন্দোলন করছিলেন আর প্রধানমন্ত্রী বলে দিলেন আরকি কোটাই বাতিল হয়ে করে দিলাম। এটা কেউই যুক্তি সঙ্গত মনে করে না, মনে করে এটা বিরাগের বশবর্তী হয়ে করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইভেন সরকারির দলের অনেক লোকও বলে আরকি ওইভাবে সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি। ওইভাবে করার কারণেই হাইকোর্ট সেটা আংশিকভাবে বাতিল করেছিল। যার বিরুদ্ধে আবার আন্দোলন শুরু হলো। এখন সবটাই বাতিল হয়ে গেছে। তার মানে আগে যে কোটা ছিল সেটা বহাল হয়ে গেল। তো এভাবে এসব সমস্যার সমাধান হয় না। কয়েকটা বছর ধরে এই আন্দোলনকে জিইয়ে রেখে এটা অর্থহীন হয়েছে। উচিত ছিল সংস্কারের ব্যবস্থা করা এবং যুক্তিসঙ্গত সংস্কার। আমার দলের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হয়েছে তার বাইরে আমাদের কোনো বক্তব্য না।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ