আবার যাতে ফ্যাসিসরা হামলা করতে না পারে এ জন্য ঐক্য বদ্ধ থাকতে হবে- সারজিস আলম - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:১৯, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আবার যাতে ফ্যাসিসরা হামলা করতে না পারে এ জন্য ঐক্য বদ্ধ থাকতে হবে- সারজিস আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪ ৯:০২ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪ ৯:০২ অপরাহ্ণ

 

শরীয়ংতপুর প্রতিনিধি
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন , ২০২৪ সালে কোটা সং¯কার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে ছাত্র সমাজের অংশ গ্রহনের মধ্য দিয়ে যে আন্দোলনটি শুরু হয়েছিল সেই আন্দোলনের অসংখ্যক ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপে যখন ঢাকা বিশ্ববদ্যিালয় থেকে শুরু করে বাংলাদেশের অন্যান্য সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় গুলো কে বাধ্যতা মূলক ভাবে ফ্যাসিস সরকারের পক্ষ থেকে বন্ধ কওে দেয়া হয় । তখন আন্দোলনের একটি সমাপ্তি দৃশ্যমান ছিল। কিন্ত তার পরের দিন বাংলাদেশের প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ,মাদ্রাসা,স্কুল কলেজ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নেমে আসে। তখন এ আন্দোলনের দ্বিতীয় একটি ধাপ শুরু হয়। সেই আন্দোলনটিকে আবার ,কারফিউ দেয়ার মাধ্যমে ফ্যাসিস সরকার আবার আর একটি সমাপ্তির দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তৃতীয় ধাপে গিয়ে আবার এই আন্দোলনে সমন্বয়কদের ডিবি অফিসে হেফাজতে রাখার নাম করে অত্যাচার করা কিংবা জিিিম্ব করে রাখার আরেকটি অপচেষ্টার মাধ্যমে ফ্যাসিস সরকার তৃতীয় বারের মত এ আন্দোলন দমন করার চেষ্টা করে।
আজকে অমরা শরীয়তপুরে মতবিনিময় সভা থেকে এ আন্দোলনে নিহত বা আহত হয়েছেন তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি।আজকে আমরা এমন কিছু পরিবার পেয়েছি যেখানে যে সন্তান মারা গিয়েছে তার বাবা নেই ,মায়ের একমাত্র সন্তান ছিলেন তিনি। সেই স›তান মায়ের একমাত্র অবলম্বন জীবন দিয়েছে এই ২৪ এর ছাত্র জনতার অভ্যূথানে। অর্থাৎ ঐ মা আসলে আমরা যতই বলি আজ থেকে তিনি আমাদেও মা কিন্ত ঐ যে একাকিত্ত সন্তানের যে অভাব সেটি আসলে কোনদিন পূরন করা সম্ভব না।তিনি বলেন আমাদের যে ছাত্র জনতা আমাদের ডাকে রাজপথে নেমে ছিলেন নিজের জীবনের যে হুমকি সেই হুমকি কে সামনে নিয়ে সেই ছাত্র জনতার কাছে কিছু জিনিস স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। ২০২৪ সে যে ছাত্র জনতার যে অভ্যুথান এ অভ্যুথানে একটিস্পীড রয়েছে সে স্পীডকে সামনে নিয়ে হাজার হাজার ভাইয়েরা জীবন দিয়েছেন আমার অসংখ্য ভাই বোন অকাতরে নিজের জীবন দেয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন সে জায়গা থেকে এখন একটি মহল একটি চক্র রয়েছে যারা আসলে ছাত্র জনতার অভ্যুথান সেটিকে ব্যর্থ করওেত চায় । এইযে ছাত্র জনতার অভ্যুথান তার বিরুদ্ধে পাল্টা অভ্যুথান করতে চায়। একটি জিনিস মনে রাখবেন বিগত ষোল বছরে আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস সরকারের আমলে যদি আমরা ঐক্যবদ্ধ হতে পারতাম এক সাথে ছাত্র জনতা এক হতে পারতাম তাহলে ঐ সরকারকে আগেই পতন ঘটাতে পারতাম। আমরা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের আদলে বিভিন্ন রাহনৈতিক দলেল মতাদর্শে অসংখ্য ফ্যাসিসদের বিরুদ্ধে কর্মসূচী দিয়েছি। কিন্ত কখনো সফল হতে পারিনি। পারিনি একটি মাত্র কারনে বিগত ১৬ বছরে এ বাংলাদেশের ছাত্র জনতা কখনো ঐক্যবদ্ধ হতে পারিনি। ২০২৪ সালে জুলাইয়ের যে অভ্যুথান । এ অভ্যথান আমাদেরকে এমন একটি সুযোগ করে দিয়েছে যে অভ্যুথানে ছাত্র জনতা আমারা ঐক্যবদ্ধ হতে পেরেছিলাম। এ অভ্যুানে বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ বাদে সকল রাজনৈতিক দলের মতের ধর্মের বয়সের আদর্শের মানুষ এক সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে এ অভ্যুথানে অংশ গ্রহন করেছে। এবং ফ্যাসিস হাসিনাকে পদত্যাগ করিয়ে পতন ঘটিয়ে এ দেশ থেকে ছাড়া করেছে। এ আন্দোলনে পরে আমরা আমাদের দলীয় আদর্শ ভিত্তিক কাজ শুরু করবো। কিন্ত একটি জিনিস মনে রাখবেন আপনী যে ঐক্য্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে এ ছাত্র জনতার অভ্যুথান ঘটিয়েছেন সেই ঐখ্যবদ্ধ শক্তি আবার যদি বিক্ষিপ্ত হয়ে যায় আবার যদি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে বিভক্ত হয়ে যায় তাহলে বিগত ষোল বছওে এ বিভক্ত রাজনৈতিক দল গুলো যে ভাবে ঐ ফ্যাসিবাদ শক্তির বিরুদ্ধে একক ভাবে লড়াই করতে পারেনি ঠিক তেমনি ভাবে আমারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে বিভক্ত হয়ে নিজেদেও মধ্যে যখন দলাদলি ভাগাভাগি শুরু করবো মতাদর্শীক দ্বন্দ শুরু করবো তখন ঐ ফ্যাসিস সরকার আবার অন্য কোন রুপে তার দেশের কিংবা দেশের বাইরের যে সকল মিত্র রয়েছে তাদের নিয়ে আবার আমাদের উপর হামলা করবো। তাই আমাদেরে কে ঐক্য বদ্ধ থাকতে হবে।

তিনি আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় শরীয়তপুর সরকারী কলেজ ক্যাম্পাসে মুক্তমঞ্চে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথিরি বক্তব্যে এ সব কথা বলেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন হৃদয় হোসেন, মুবাশ্বিরুজ্জামান হাসান মৃধা,ম্যামলী সুলতানা জেদনি ইসমাইল হোসেন রুদ্র।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আবদুল্লাহ সালেহীন অয়ন, আবদুর রহামান,তাসনিমুল আলম,সাব্বির রহমান, নাঈমুল ইসলাম ইমন হাসান। তার আগমনে জেলার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শরিক হওয়া ছআত্র সহবিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নভাস্থলে হাজির হন। সকাল সাড়ে ১০টায় সারজিস আলম তার সফর সঙ্গীদেও নিয়ে শরীয়তপুর শহরে এসে চিকন্দি ফুড পার্কে বসে আন্দোলনে আহত ও নিহতদের পরিবারের খোজ খবর নেন।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ