আবার সেই পুরনো কৌশলে বাসে আগুন - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ১০:০৩, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

আবার সেই পুরনো কৌশলে বাসে আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: শনিবার, জুলাই ২৯, ২০২৩ ৯:৫৭ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: শনিবার, জুলাই ২৯, ২০২৩ ৯:৫৭ অপরাহ্ণ

 

আমিরুল ইসলাম কাগজী ও অধ্যাপক ড মোর্শেদ হাসান খান

রাজধানীরন মাতুয়াইলে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর পুলিশের হামলার সময় এবং এরপরে মোট তিনটি বাসে আগুন দেওয়া হয়েছে।

বেলা পৌনে দুইটার দিকে দক্ষিণ মাতুয়াইলের সান্টু ফিলিং স্টেশনের সামনে যাত্রীবাহী আরও একটি বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে বেলা দুইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
সাব্বির আহমেদ নামের একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, বাসটি পাম্প থেকে বের হচ্ছিল। বাসে শুধু চালক ছিলেন। দুজন লোক এসে চালককে বাস থেকে জোর করে নামান। তারপর বাসে আগুন দিয়ে ভিডিয়ো করেন। এরপর একটি মোটরসাইকেল আসে। তিনজন সেই মোটরসাইকেলে চলে যায়।
বাসটির চালক মো. সানাউল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘বাজিতপুর থেকে আসছি। গুলিস্তান যাত্রী নামাইছি। এখানে আমরা সব সময় তেল নিই, তাই আসছি। গাড়িটা ব্যাক দিয়া সোজা করতে লইছিলাম। এ সময় হোন্ডা লইয়া তিনজন লোক আসল। দুজন গাড়িতে উঠল। তারা বলল, নামবি নাকি তর ওপরে প্যাট্রল মারমু। আমি স্টার্ট বন্ধ কইরা দিছি। লাফ দিয়া পইড়া গেছি। ওরা আগুন লাগাই দিয়া বাইকে করে চলে গেছে।এ সময় পুলিশ পাঁচ-ছয় হাত দূরেই ছিল। দুই পাশেই পুলিশ ছিল।’
মন্তব্য —
বিএনপির পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ছিলো ঢাকার সকল প্রবেশমুখে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান কর্মসুচি পালন করবে। সেই শান্তপূর্ণ কর্মসুচিতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা এবং পুলিশ মিলে যে হামলা করেছে সে কথাটা না লিখলেও আপাতত কিছু মনে করছি না। শত সীমাবদ্ধতার যেটুকু ছাপা হয়েছে তার ওপর মন্তব্য লেখা যায়।
এটা আওয়ামী লীগের সেই পুরনো কৌশল। নিজের কর্মীদের দিয়ে নিজের লোকের বাসে (বিহঙ্গ, মালিক পঙ্কজ দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক) বোমা কিংবা আগুন লাগিয়ে বিএনপির ওপর দোষ চাপিয়ে শত শত নেতা কর্মীর নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করা। এটা ২০১৩ সালের কথা। শাহবাগের মোড়ে বিহঙ্গ পরিবহনের ওই বাসে পেট্রোল বোমা মেরে ১৩ জন নিরীহ যাত্রীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই মামলার আসামিরা এখনো জেল খাটছে। সেদিন এ ঘটনার প্রতিবাদ করা যায়নি কারণ সরকার সমর্থক পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলগুলো এমনভাবে খবর পরিবেশন করে যে পুরো দোষ বিএনপির। শুধু তাই নয় আগুনে ঝলসানো যাত্রীদের নেওয়া হতো ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ডা. শামন্ত লাল সেনের কাছে। সেখানে ছিলো স্যুটিংস্পট।ব শংবদ টিভি চ্যানেলে সেইসব দগ্ধ যাত্রীদের আহাজারি দেখানো হতো। শেখ হাসিনা কাঁদো কাঁদো কন্ঠে সেই ঘটনার বর্ণনা দিয়ে সব দোষ চাপাতেন বিএনপির ওপর। মানুষ সেটা বিশ্বাস করতো। কিন্তু দিন বদলে গেছে। এখন বশংবদ পত্রিকা এবং টিভি চ্যানেলের ওপর কারও বিশ্বাস নেই। জনগণ এখন নিজে নিজেই সাংবাদিক হয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে তারা লাইভ করে। ফলে ঘটনা লুকানো কিংবা মিথ্যা তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
তবে ফ্যাসিবাদি সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকতে শেষ বেলায় এসে যা কিছু করে সবই তার বিপক্ষে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় তার করুণ পরিণতি ঘটে।প্রথম আলো

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ