কোন ঠুনকো অভিযোগ দিয়ে দিনকাল বন্ধ করে পার পাওয়া যাবে না - জনতার আওয়াজ
  • আজ রাত ২:৪৬, শুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৮শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি
  • jonotarawaz24@gmail.com
  • ঢাকা, বাংলাদেশ

কোন ঠুনকো অভিযোগ দিয়ে দিনকাল বন্ধ করে পার পাওয়া যাবে না

নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩ ২:৫৯ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ: মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৩ ২:৫৯ অপরাহ্ণ

 

কোন ঠুনকো অভিযোগ দিয়ে দিনকাল বন্ধ করে পার পাওয়া যাবে না। গণতন্ত্র ফিরে আনার লক্ষ্যে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দৈনিক দিনকাল খুলে দিতে হবে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে সাংবা‌দিক নেতারা।

মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশনের (বিআরজেএ) আয়োজনে দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ডিক্লারেশন বাতিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে এসব কথা ব‌লেন সাংবা‌দিক নেতারা।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেন, আমরা বারবার কর্মসূচি দেওয়ার প‌রেও এই সরকার কানে নিচ্ছে না। কোন ঠুনকো অভিযোগ দিয়ে দিনকাল বন্ধ করে পার পাওয়া যাবে না। গণতন্ত্র ফিরে আনার লক্ষ্যে স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দৈনিক দিনকাল খুলে দিতে হবে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে সাংবাদিকদেরকে নির্যাতন হয়রানি করে হচ্ছে। স্বৈরাচারী সরকার নিজেদের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য বিভিন্ন কালা কানুন আইন বাস্তবায়ন করছে। গণতন্ত্র স্বাধীনতা এবং আওয়ামী লীগ একসাথে চলতে পারে না। যতদিন পর্যন্ত দৈনিক দিনকাল আমার দেশ খুলে দেওয়া না হবে, সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধ করা না হবে, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করা না হবে ততদিন পর্যন্ত সরকার পতনের আন্দোলন চলতেই থাকবে।

বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ বলেন, দৈনিক দিনকাল পত্রিকা বন্ধ হয়েছে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের ইঙ্গিতে। এই সরকার গণমাধ্যম খুনি সরকার। গণমাধ্যমকে খুন করে গণমাধ্যমের হাজারো কর্মীকে রাস্তায় বসিয়ে রেখেছে। এই সরকারের হাতে খুনের শিকার হয়েছে দৈনিক দিনকাল। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখেই দৈনিক দিনকাল বন্ধ করা হয়েছে। সরকারের গণমাধ্যম ধ্বংসের পরিকল্পনার নীল নকশার অংশই দৈনিক দিনকাল বন্ধ।

দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস বলেন, ফ্যাসিবাদী পতন হয় তখনই যখন তারা অপরাধ, দুর্নীতিতে লিপ্ত হয়। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এখন অপরাধ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। ৭২ সালে মুজিব দুঃশাসনের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন করেছে তারাই নির্যাতিত হয়েছেন সে কথা আমরা ভুলে যাই নাই। ঠিক ৭২ সালের মতো নির্যাতিত হচ্ছে এখনো দেশের মানুষ। এই দৈনিক দিনকাল পত্রিকা বন্ধই হবে হাসিনার পতনের মূল কারণ। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক চাপে হাসিনার মাথা নত হয়েছে।

ঢাকা সাংবা‌দিক ইউ‌নিয়‌নের সভাপ‌তি কাদের গনি চৌধুরী, গণতন্ত্র আর আওয়ামী লীগ একসাথে হয় না। এই গন বিরোধী সরকারকে হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, অবিলম্বে বন্ধ মিডিয়াসহ সকল মিডিয়া খুলে দেওয়া হো। যেসব সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে তাদের বিচার করুন। সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিন তা না হলে এই সাংবাদিকরা বাধ্য হয়ে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করবে।

ক‌বি আব্দুল হাই সিকদার বলেন, অন্যায় অত্যাচার অবিচার থেকে দেশকে বাঁচানোর সময় এসেছে। আওয়ামী লীগ মানে হত্যাকারী, দেশকে ধ্বংস কারী, গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার কে হত্যা কারী, সমস্ত দেশের স্বাধীনতাকে নস্যাৎ কারী। এই দুঃসময়ে চ্যানেল আই বন্ধ করেছে, দিগন্ত টিভি বন্ধ করেছে, একুশে টিভি বন্ধ করেছে। এই গন বিরোধী শত্রুরা মাহমুদুর রহমানের মত নেতাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেছে। ৪০ থেকে ৫০ জন সাংবাদিক হত্যা করেছে। এখন এই দেশদ্রোহী সন্ত্রাসী আত্মঘাতী সরকারকে উৎখাত করার সময় এসেছে। এখন সময় হয়েছে এই সরকারকে উৎখাত করার। শেখ মুজিবুর বাকশাল কায়েম করে মাত্র চারটি পত্রিকা রেখে সমস্ত পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল। এই গন বিরোধী শত্রু অবৈধ অগণতান্ত্রিক সরকারকে আর সময় দেওয়া ঠিক হবে না।

সংগঠনের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মইন চৌধুরী এর সভাপ‌তি‌ত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি রুহুল আমিন গাজী,দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক এডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এম আব্দুল্লাহ, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি কবি আব্দুল হাই সিকদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ,বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন রোকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী,ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, এম এ আজিজ সহ প্রমুখ।

 
 
জনতার আওয়াজ/আ আ
 
 

জনপ্রিয় সংবাদ

 

সর্বোচ্চ পঠিত সংবাদ