খুলনা বিআরটিএ থেকে ২৫ দালাল আটক,১৯ জনের কারাদন্ড ও ৬ জনের অর্থদন্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক, জনতার আওয়াজ ডটকম
প্রকাশের তারিখ:
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২ ৯:৩০ অপরাহ্ণ পরিবর্তনের তারিখ:
রবিবার, সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২ ৯:৩০ অপরাহ্ণ

ফকির শহিদুল ইসলাম,খুলনা
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএর) খুলনা অফিসে অভিযান চালিয়ে ২৫ জন দালালকে আটক করেছে র্যাব। পরে এর মধ্যে ১৯ জনকে ৭ দিন থেকে ১ মাস মেয়াদে কারাদন্ড এবং ৬ জনকে মোট ৫৩ হাজার ২০০ টাকা অর্থদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ৫ জনের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন খুলনা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আল আমিন।
অভিযান শেষে র্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোসতাক আহমেদ জানান, খুলনা বিআরটিএতে দীর্ঘদিন ধরে দালালরা তৎপরতা চালাচ্ছিল। বিআরটিএ অফিসে যখন সাধারণ মানুষেরা সেবা নিতে আসে, তখন দালাল ও প্রতারক চক্রের লোকেরা তাদের ভুল বুঝিয়ে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়। সাধারণ মানুষ তাদের প্রাপ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হয়। এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে রোববার দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খুলনা বিআরটিএতে অভিযান চালিয়ে মোট ৩০ জন দালালকে আটক করা হয়। পরে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ সময় বিআরটি এ খুলনা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক তানভির আহম্মেদ বলেন, সাধারন মানুষ বিআরটি এ কার্যালয়ে সেবা নিতে এসে যাতে দালালদের দ্বারা প্রতারিত হয় এ কারনে বিআরটিএও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় বিভিন্ন সময়ে অভিযান পরিচালনা করে। র্যাব ও জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমান আদালতের আজকের অভিযানকে সাধুবাদ জানান তিনি।
এ সময় তিনি আরো বলেন, দালালদের দৌরাত্ম রুখতে নানা ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। যেমন প্রত্যেকটি রুমের সামনে সেই কি সেবা দেওয়া হয়? তার জন্য কত ফি দিতে হবে? সব কিছু লিফলেট আকারে তুলে দেওয়া হয়েছে। তারপরও সেবাগ্রহিতারা তাদের অজ্ঞতার কারনে বিভিন্ন সময়ে ফরম পুরন সহ নানা কারনে দালালতের সাহায্য নেন এবং প্রতারিত হন। এই লক্ষ্যে প্রচারনাও করা প্রায়শই। তিনি বলেন, আজকের অভিযানের মাধ্যমে দালালদের দৌরাত্ম অনেকাংশে লাঘব হবে। এবং তিনি ভবিষ্যৎ এও এ ধরনের অভিযান পরিচালনার জন্য র্যাব ও ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট এর নিকট অনুরোধ জানান।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বলেন র্যাব সকাল থেকে অভিযান পরিচালনা করে ৩০ জনকে আটক করে। পরে পাঁচ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাদের ছেরে দেওয়া হয়। আর ২৫ জনের ১৯ জনকে সাত দিন থেকে এক মাস পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। ছয় জনের নিকট থেকে মোট ৫৩ হাজার ২০০টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। যার মধ্যে একজনের নিটক থেকে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
জনতার আওয়াজ/আ আ